সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন মার্তিনেজ, হয়েছে অস্ত্রোপচার

চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন মার্তিনেজ, হয়েছে অস্ত্রোপচার

চেলসি ও আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ গুরুতর চোট পেয়ে গতকাল স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়েন। তার চোট নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও পরে চোয়ালে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই মাঠে ফেরার আশা করছেন তিনি।অস্ত্রোপচারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মার্তিনেজ। নিজের শারীরিক অবস্থার আপডেট জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘সবার বার্তার জন্য ধন্যবাদ। অস্ত্রোপচার ভালো হয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমরা জিতেছি। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ফিরব।’ তবে আর্জেন্টিনার এই গোলকিপারের সেরে উঠতে প্রায় ছয় সপ্তাহ লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে চেলসির আসন্ন ম্যাচগুলোতে তিনি খেলতে পারবেন না। বছরের শেষ ফিফা আন্তর্জাতিক বিরতির ম্যাচেও আর্জেন্টিনা দলে থাকা হবে না তার। নভেম্বরের মাঝামাঝি আর্জেন্টিনার ম্যাচ আছে উরুগুয়ে ও কোস্টারিকার বিপক্ষে। এভারটনের বিপক্ষে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের প্রায় ২০ মিনিটে মার্তিনেজ চোট পান। সেন্টার-ব্যাক জ্যারাড ব্র্যান্থওয়েটের সঙ্গে সংঘর্ষে তিনি জোরে আঘাত পান। প্রায় ১০ মিনিট তিনি মাটিতে পড়ে ছিলেন। এরপর স্ট্রেচারে করে তাকে মাঠ থেকে বের করা হয়। চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য নেওয়া হয় একটি ক্লিনিকে। স্ক্যানে ঘাড়, পিঠ বা মাথার খুলিতে বড় কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি। তবে আরও পরীক্ষায় চোয়াল ভাঙার বিষয়টি জানা যায়। এর জন্য অস্ত্রোপচার করতে হয়। সফল অস্ত্রোপচারে স্বস্তি ফিরেছে আর্জেন্টিনা শিবিরে। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়াও গোলকিপারের জন্য সমর্থনের বার্তা পাঠিয়েছেন। তাপিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘আমার প্রিয় দিবু, দ্রুত সেরে ওঠার শুভকামনা রইল। তোমার জন্য পৃথিবীর সব শক্তি কামনা করছি। দূর থেকে বড় একটি আলিঙ্গন। আমার কোনো সন্দেহ নেই, তুমি আগের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে ফিরবে। সুখে-দুঃখে আমি তোমার পাশে আছি। তোমাকে ভালোবাসি, বন্ধু।’ শিগগির মাঠে ফেরার আশাবাদ থাকলেও মার্তিনেজকে কিছুদিন মাঠের বাইরেই থাকতে হবে।

ম্যানসিটি বিতর্কে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবুধাবির মালিকপক্ষের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন

ব্রিটিশ রাজনীতিতে বিতর্ক তৈরি হয়েছে ম্যানচেস্টার সিটির আর্থিক অনিয়মের ঘটনায়। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভাঙার অভিযোগে ক্লাবটি দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তাদের মালিকপক্ষের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছিলেন । তার মন্তব্যের পর সিটির আবুধাবিভিত্তিক মালিকপক্ষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিরোধী দল। এই বিতর্কের মধ্যে ম্যানচেস্টার সিটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে অতীতে হওয়া সব বৈঠকের তথ্য প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছেন বার্নহ্যাম। তিনি জানিয়েছেন, এসব বৈঠকের কোনোটিই সাম্প্রতিক সময়ের নয়। উল্লেখযোগ্য বৈঠক হয়েছিল মাত্র একটি, ২০২১ সালে। ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আর্থিক নিয়ম ভাঙার অভিযোগ উঠেছে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে। প্রিমিয়ার লিগের গঠিত স্বাধীন কমিশনের তদন্তে বলা হয়েছে, বাণিজ্যিক অংশীদারদের সঙ্গে ভুয়া চুক্তির মাধ্যমে গোপনে ৮৩ কোটি পাউন্ডের বেশি অর্থ ক্লাবটির ফুটবল কার্যক্রমে ঢোকানো হয়েছে। গত মাসে ঘোষিত রায়ে একটি অভিযোগ ছাড়া বাকি সব অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয় সিটি। ব্যতিক্রম ছিল তদন্তে অসহযোগিতার একটি অভিযোগ। তবে এখনো ক্লাবটির শাস্তি ঘোষণা করা হয়নি। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। শুরু থেকেই সব ধরনের অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে ক্লাবটি। রায় ঘোষণার পর বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বার্নহ্যাম বলেছিলেন, দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর সিটির মালিকেরা ক্লাবটি বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে তিনি ‘সত্যিই উদ্বিগ্ন’ হবেন। প্রধানমন্ত্রীর এমন মন্তব্যে প্রিমিয়ার লিগের কয়েকটি ক্লাব বিস্মিত হয় বলে বিবিসি স্পোর্টকে জানিয়েছে সূত্রগুলো। তাদের মধ্যে আপিলের প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছিল। এরপর বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টির নেতা কেমি বাডেনক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ম্যানচেস্টার সিটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সব বৈঠকের তথ্য প্রকাশের দাবি জানান। এবার সেই দাবি মেনে নিয়েছেন বার্নহ্যাম। ‘দ্য রেস্ট ইজ পলিটিকস’ পডকাস্টে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতা আমার বৈঠকগুলোর বিস্তারিত প্রকাশ করতে বলেছেন। আমি আনন্দের সঙ্গেই তা করতে রাজি এবং সেটাই করব।’ তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে আগের দায়িত্ব পালনের সময় তাদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে যা কিছু করেছি, সবই পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করব। আসলে আমার বৈঠকগুলোর কোনোটিই সাম্প্রতিক সময়ের নয়। উল্লেখযোগ্য বৈঠক হয়েছিল মাত্র একটি, সেটি ২০২১ সালে।’ ২০১৭ সাল থেকে চলতি বছরের শুরুর দিক পর্যন্ত গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র ছিলেন বার্নহ্যাম। তাঁর মেয়র থাকাকালে ম্যানচেস্টার সিটি ফুটবলে ধারাবাহিক সাফল্য পেয়েছে। একই সময়ে শহরের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উপসাগরীয় অঞ্চলের বিনিয়োগ উৎসাহিত করেছেন তিনি। তবে এই নীতি তাঁর মেয়র হওয়ার আগেই শহরটির নেতৃত্ব গ্রহণ করেছিল। সিটির মালিকপক্ষের প্রতি নিজের আগের মন্তব্যকে ভুল বলে মনে করেন না বার্নহ্যাম। তাঁর মতে, ফুটবলের আর্থিক অনিয়ম এবং ম্যানচেস্টারে বিদেশি বিনিয়োগ—দুটি সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। পডকাস্টে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না, আমি ভুল কিছু বলেছি। তবে এটুকু বলব, তখন সব বিষয় আমার মাথায় ছিল না। আমার মনোযোগ ছিল লেবার পার্টির সম্মেলনের দিকে। সেই সম্মেলন নিয়েই বিভিন্ন সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলাম।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিষয় দুটিকে এক করে দেখিনি। প্রশ্নগুলোতেই বরং দুটি বিষয়কে একসঙ্গে আনা হয়েছিল। আমি বলব, এগুলো সম্পূর্ণ আলাদা। ফুটবলের বিষয় আর বিনিয়োগের বিষয় এক নয়। অনেকে দুটিকে মিলিয়ে ফেলার চেষ্টা করবেন। কিন্তু আমার মতে, সেটা করা উচিত নয়।’ তবে সিটির বিরুদ্ধে স্বাধীন কমিশনের অনুসন্ধানে উঠে আসা অভিযোগের গুরুত্ব স্বীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ফুটবলের বিষয়গুলোয় স্বাধীন কমিশনের অনুসন্ধানে যা উঠে এসেছে, তা গুরুতর। সাক্ষাৎকারেও আমি সেটাই বলেছিলাম।’ ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে অভিযোগের বিচারপ্রক্রিয়া প্রিমিয়ার লিগের প্রভাবমুক্ত একটি স্বাধীন ব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। ২০২৪ সালে টানা ৪২ দিন শুনানি করে স্বাধীন কমিশন। সেই শুনানির ভিত্তিতেই গত মাসে রায় ঘোষণা করা হয়। কমিশনের প্রতিবেদনে সিটির কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর ভূমিকা নিয়েও গুরুতর পর্যবেক্ষণ রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্লাবটির ‘বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন এবং তাঁদের কেউ কেউ জেনেশুনে অসত্য ও অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সাক্ষ্য দিয়েছেন।’ এখন সিটির আপিলের শুনানি করবে পৃথক একটি স্বাধীন আপিল বোর্ড। এদিকে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর প্রথম ম্যাচে গতকাল রোববার অ্যানফিল্ডে লিভারপুলের মুখোমুখি হয় ম্যানচেস্টার সিটি। ম্যাচটিতে ৩-০ গোলে জয় পায় তারা।

ম্যানসিটি বিতর্কে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবুধাবির মালিকপক্ষের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন

হালান্ডের গোলে সিটির টানা তৃতীয় জয়

ম্যানচেস্টার সিটি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের নতুন মৌসুমে দারুণ ছন্দে আছে। ঘরের মাঠে শনিবার রাতে কভেন্ট্রি সিটিকে ১-০ গোলে হারিয়ে টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে পেপ গার্দিওলার দল। আর্লিং হাল্যান্ড একমাত্র গোলটি করে রেকর্ডের পাতায় নাম লিখিয়েছেন। ম্যাচজুড়ে বলের নিয়ন্ত্রণ ও আক্রমণে আধিপত্য ছিল সিটির। প্রায় ৭৮ শতাংশ সময় বল নিজেদের দখলে রেখে মোট ১১টি শট নেয় স্বাগতিকরা। এর মধ্যে তিনটি ছিল লক্ষ্যে, তবে শেষ পর্যন্ত গোল এসেছে একটিই। শুরুতে অবশ্য ভুলের কারণে বিপদে পড়েছিল সিটি। ব্যাক পাস ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণে নিতে না পারায় গোল হজম করতে বসেছিলেন গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা। শেষ মুহূর্তে গোললাইন থেকে বল ফিরিয়ে দলকে রক্ষা করেন তিনি। পরে দোন্নারুম্মাকে একা পেয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি কভেন্ট্রি। ২৬ মিনিটে সিটিকে এগিয়ে দেন হাল্যান্ড। অ্যান্তনিও সিমেনিওর ক্রসে সবার ওপরে উঠে দুর্দান্ত হেডে বল জালে পাঠান নরওয়েজিয়ান ফরোয়ার্ড। এই গোলের মাধ্যমে প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে হেডে ২০ গোল হলো হাল্যান্ডের। ক্লাবটির হয়ে হেডে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ড এখন তার দখলে। এর আগে ১৯টি করে এই রেকর্ড ধরে রেখেছিলেন সার্জিও আগুয়েরো। গোলটি ছিল হাল্যান্ডের ক্লাব ক্যারিয়ারের ৩০০তম। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে ১৬৫টি, বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের হয়ে ৮৬টি, রেড বুল সালজবুর্গের হয়ে ২৯টি এবং মোলদে এফকের হয়ে ২০টি গোল করেছেন তিনি। নরওয়ের জাতীয় দলের হয়ে তার গোল ৬২টি। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়িয়েছিলেন হাল্যান্ড। ৬০ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের পাস থেকে গোল করলেও অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়। এরপর আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেও দ্বিতীয় গোলের দেখা পায়নি সিটি। তিন ম্যাচে তিন জয়ে ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান আরও শক্ত করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। অন্যদিকে তিন ম্যাচেই হেরে পয়েন্টহীন কভেন্ট্রি সিটি টেবিলের তলানিতে।

হালান্ডের গোলে সিটির টানা তৃতীয় জয়

টাকার ঝড় প্রিমিয়ার লিগে, দলবদলে নতুন বিশ্বরেকর্ড

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ টানা দ্বিতীয় বছরের মতো গ্রীষ্মকালীন দলবদলে খরচের সব অতীত রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। সব মিলিয়ে সর্বকালের রেকর্ড ৩.৪৯ বিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় করে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো বিশ্ব ফুটবলে নিজেদের আর্থিক শক্তির নতুন প্রমাণ তুলে ধরেছে।  দলবদলের শেষ দিন গত বছরের ৩.১৪ বিলিয়ন পাউন্ডের রেকর্ড এভারটন থেকে ৬০ মিলিয়ন পাউন্ডের প্রাথমিক ফি-তে ইলিম্যান এনদিয়ায়ের ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার মাধ্যমেই ভেঙে যায়। এরপর উইন্ডো বন্ধ হওয়ার ঠিক পর পরই চেলসি থেকে ১২৫ মিলিয়ন পাউন্ডের যৌথ-ব্রিটিশ রেকর্ড ফি-তে এনজো ফার্নান্দেসকে সই করিয়ে গ্রীষ্মের চমক শেষ করে ম্যানচেস্টার সিটি। ফুটবল ইতিহাসের ১০টি সবচেয়ে ব্যয়বহুল দলবদলের তিনটিই ঘটেছে চলতি গ্রীষ্মে, যার প্রতিটিই প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোর হাতে বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসের পাঁচটি সবচেয়ে ব্যয়বহুল চুক্তির চারটিই এসেছে এই একটি মাত্র দলবদল থেকে। এর মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন ১২৫ মিলিয়ন পাউন্ডের এনজো ফার্নান্দেস। এছাড়া চেলসি অ্যাস্টন ভিলা থেকে ১১৭ মিলিয়ন পাউন্ডে সাইন করিয়েছে মরগান রজার্সকে। লিভারপুল পিএসজি থেকে ফরাসি ফরোয়ার্ড ব্র্যাডলি বারকোলাকে শর্তসাপেক্ষে ১২৩ মিলিয়ন পাউন্ডে দলে ভিড়িয়েছে। প্রিমিয়ার লিগের বাইরে রিয়াল মাদ্রিদে ইয়ান দিয়োমান্দোর নাম লেখানো এবং নিউক্যাসল থেকে বার্সেলোনায় অ্যান্থনি গর্ডনের পাড়ি দেওয়ার চুক্তি দুটিই কেবল প্রিমিয়ার লিগের বাইরের ক্লাবগুলোর সম্পাদিত ৬০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি অঙ্কের ট্রান্সফার।  সেরা ২০টি সবচেয়ে ব্যয়বহুল চুক্তির মধ্যে মাত্র ছয়টি ঘটেছে প্রিমিয়ার লিগের বাইরের ক্লাবগুলোতে। এমনকি প্রিমিয়ার লিগে নতুন উঠে আসা ইপসউইচ টাউনও এবার নতুন খেলোয়াড় কেনার পেছনে বার্সেলোনা, এসি মিলান, জুভেন্তাস এমনকি বর্তমান ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন পিএসজির চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করেছে।

টাকার ঝড় প্রিমিয়ার লিগে, দলবদলে নতুন বিশ্বরেকর্ড
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream