বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা এফ এম

জাতীয়

গ্যাসের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিলে সরকারকে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে: নাহিদ ইসলাম

গ্যাসের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিলে সরকারকে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে: নাহিদ ইসলাম

গ্যাসের দাম বাড়ানো হলে সরকার জনরোষের মুখে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সচিবালয়মুখী ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচিতে পুলিশের বাধার পর নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে গ্যাসের মূল্য বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে দেওয়া বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি সরকার পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। বিদ্যুৎ, কর্মসংস্থান ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে সাধারণ মানুষ নানা সমস্যার মধ্যে রয়েছে।তিনি বলেন, গ্যাসের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। তার দাবি, দেশের মানুষকে জিম্মি করে কোনো ধরনের মুনাফাভিত্তিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের সুযোগ দেওয়া হবে না।এনসিপির এই নেতা আরও অভিযোগ করেন, সরকার গণভোটে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি। তার ভাষ্য, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়েও অগ্রগতি হয়নি।তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগসাজশের কারণে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সংকট তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থানের অভাব ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষ চাপের মধ্যে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।নাহিদ ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানের ওপর আগের তুলনায় বেশি চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিরোধী মতের শিক্ষার্থী ও ছাত্র প্রতিনিধিদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে।তিনি জানান, দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ভবিষ্যতে সচিবালয়ের পাশাপাশি জাতীয় সংসদ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাওয়ের মতো কর্মসূচিও দেওয়া হতে পারে।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংবিধান সংস্কারের আহ্বান টিআইবির

দেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর অধিকার নিশ্চিত করতে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর সিরডাপে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনযাপন, ভূমির অধিকার ও সাংস্কৃতিক স্বীকৃতির বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, নৃ-গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিভাজনকে কাজে লাগিয়ে একটি মহল তাদের দুর্বল অবস্থানে রাখতে চায়। তিনি দাবি করেন, একটি প্রভাবশালী শক্তির বাধার কারণে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।এর আগে আরেক অনুষ্ঠানে তিনি মন্তব্য করেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা না গেলে দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র ও সবার জন্য সমঅধিকার নিশ্চিত করা কঠিন হবে।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংবিধান সংস্কারের আহ্বান টিআইবির

গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

শিকলমুক্ত ও কার্যকর গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সচিবালয়ে ‘শিকল ভাঙার জুলাই’ শীর্ষক প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশের ওপর চাপিয়ে দেওয়া বাধা ও নিপীড়নের শিকল ভেঙেছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে রাষ্ট্র ও জনগণের অধিকার নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েছে। ভবিষ্যতে যাতে কোনো শক্তি আবার রাষ্ট্রব্যবস্থাকে দুর্বল করতে না পারে, সে জন্য শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসে জনগণের অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এসব বাধা অতিক্রম করতে বহু মানুষ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তার মতে, যেসব দেশ স্থিতিশীলভাবে উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে গেছে, তারা শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পেরেছে।জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিশেষত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, অতীতের অনেক আন্দোলন শুধু অন্যায়ের প্রতিবাদে সীমাবদ্ধ থাকলেও পরে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য হারিয়েছে। তবে এবার আন্দোলনের পাশাপাশি দেশ পুনর্গঠনের পরিকল্পনাও সামনে রাখা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, রক্ত ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত পরিবর্তনকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পুরোনো কাঠামো দিয়ে সম্ভব নয়। তাই রাষ্ট্রব্যবস্থা ও রাজনৈতিক কাঠামো সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে।জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, অতীতের অনেক রাজনৈতিক আন্দোলনের আগে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ছিল না। কিন্তু ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিচালনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সরকার সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে।অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী জানান, ‘শিকল ভাঙার জুলাই’ প্রকাশনায় ২৩ জন লেখকের লেখা স্থান পেয়েছে। জুলাইয়ের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরতে বইটিতে বিভিন্ন লেখা ও আলোকচিত্র সংযুক্ত করা হয়েছে।তিনি আরও জানান, জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে আরও প্রকাশনা, তথ্যচিত্র ও অন্যান্য ডিজিটাল কনটেন্ট প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: তফসিল প্রকাশ, ভোট হবে ২০ আগস্ট

নির্বাচন কমিশন (ইসি) দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে সংসদ সচিবালয় থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা ইসিতে জমা দেওয়ার পর এই কার্যক্রম শুরু হয়।তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ১৬ আগস্ট। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৮ আগস্ট। এরপর ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।এর আগে গত ২৪ জুলাই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। তার পর থেকেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করে নির্বাচন কমিশন। এ বিষয়ে নিয়ম অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সংসদের স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন।বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাধারণ ভোটাররা অংশ নেন না; কেবল জাতীয় সংসদের সদস্যরাই ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন। এ কারণে সংসদ সদস্যদের তালিকার ভিত্তিতেই ইসি ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও প্রকাশ করে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: তফসিল প্রকাশ, ভোট হবে ২০ আগস্ট

আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

আগামী ২০ আগস্ট ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ  দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  ঘোষিত সময়সূচি ও নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য:মনোনয়নপত্র দাখিল: ১৩ আগস্ট (সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত)  মনোনয়নপত্র বাছাই: ১৬ আগস্ট  প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়: ১৮ আগস্ট  ভোটগ্রহণ: ২০ আগস্ট (দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত)  আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবনের নির্ধারিত অধিবেশন কক্ষে সংসদ সদস্যরা ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবেন।

আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

শেখ হাসিনাকে বক্তব্যের সুযোগ দেওয়া পরিকল্পিত সিদ্ধান্ত: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অসম্মান। তার দাবি, এ ধরনের পদক্ষেপ দুই দেশের পারস্পরিক আস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এটি ভারতের নীতিনির্ধারকদের পরিকল্পিত সিদ্ধান্ত।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা হত্যা ও দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এবং পলাতক আসামি। তিনি দাবি করেন, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ তাকে ফেরত চেয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করলেও ভারত এ বিষয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।তিনি আরও অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে পরোক্ষ হস্তক্ষেপের শামিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে দিল্লিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার বক্তব্যের সুযোগ করে দেওয়া ওই আন্দোলনে নিহতদের প্রতিও অসম্মানজনক।ড্যাবের কার্যক্রমের প্রশংসা করে রিজভী বলেন, আগের সরকারের সময় নানা বাধা ও চাপের মধ্যেও সংগঠনটির চিকিৎসকরা জনসেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, এ কারণে অনেক চিকিৎসককে চাকরিচ্যুতি, পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হওয়া এবং দূরবর্তী এলাকায় বদলির মতো হয়রানির মুখে পড়তে হয়েছে।স্বাস্থ্য খাত নিয়ে তিনি বলেন, করোনা, ডেঙ্গু ও হামসহ বিভিন্ন দুর্যোগের সময় ড্যাব বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়েছে। পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল চালুর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল, তবে তৎকালীন সরকার তা বাস্তবায়নের সুযোগ দেয়নি বলে তিনি দাবি করেন।রিজভী আরও বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করছে। তিনি জানান, ডেঙ্গু পরীক্ষায় বিনামূল্যে সেবা চালু এবং হাম প্রতিরোধে প্রায় দুই কোটি শিশুকে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।অনুষ্ঠানে ড্যাবের কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. হারুন আল রশীদ, মহাসচিব ডা. শাকিলসহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরে তারা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

শেখ হাসিনাকে বক্তব্যের সুযোগ দেওয়া পরিকল্পিত সিদ্ধান্ত: রিজভী

বাংলাদেশকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ আখ্যা দিয়ে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জয়ের

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় দাবি করেছেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি ‘ব্যর্থ রাষ্ট্রের’ লক্ষণ বহন করছে। তার মতে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে দেশটি ভবিষ্যতে আঞ্চলিক জঙ্গিবাদের একটি বড় কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।বুধবার (৪ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ড থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দিল্লির ফরেন করেসপনডেন্টস ক্লাবে দেওয়া বক্তব্যে জয় বলেন, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইসহ কয়েকটি বিদেশি সংস্থা বাংলাদেশে সক্রিয়ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলে তার অভিযোগ। তিনি আরও দাবি করেন, ভারতের পূর্ব সীমান্তের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্যও উদ্বেগের বিষয়।জয় আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গ্রেপ্তার হওয়া কয়েকজন দণ্ডপ্রাপ্ত জঙ্গিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নিষিদ্ধ সংগঠন হিজবুত তাহরীর প্রকাশ্যে কর্মসূচি পালন করছে এবং আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরাও জনসমক্ষে বক্তব্য দিচ্ছেন।রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সময় এবং পরবর্তীতে বিএনপি সরকারের অনুমোদিত দায়মুক্তি আইনের কারণে গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মী ও সাংবাদিক বিচার ছাড়াই কারাগারে রয়েছেন এবং রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনাগুলোরও যথাযথ তদন্ত ও বিচার হচ্ছে না।

বাংলাদেশকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ আখ্যা দিয়ে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জয়ের

জ্বালানি সংকট দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার ফল: বস্ত্রমন্ত্রী

বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট দীর্ঘদিনের নীতিগত দুর্বলতা, অব্যবস্থাপনা এবং আমদানিনির্ভর গ্যাস ব্যবস্থার ফল। তিনি জানান, বিদ্যুৎ সরবরাহ আরও স্থিতিশীল করা এবং নতুন বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি করতে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে জনগণের সহযোগিতা ও কিছুটা সময় প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।বুধবার (৫ আগস্ট) সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভা, শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, জবাবদিহিতা ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা গেলে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনে তরুণদের শক্তিকে ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনের চালিকাশক্তি হিসেবে কাজে লাগাতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।অনুষ্ঠানে সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে ১৪টি শহিদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয় এবং তাদের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালিক, সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি জিল্লুর রহমান, এসএমপি কমিশনার সরোয়ার মুর্শেদ শামীম, পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক এবং সিভিল সার্জন নাসির উদ্দিন।

জ্বালানি সংকট দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার ফল: বস্ত্রমন্ত্রী

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ বিচার হবে:প্রধানমন্ত্রী

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে।তিনি বলেন, বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার।আজ বুধবার সকালে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে  ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ।’তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের। আর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের মানুষ যেমন ভুলে যায়নি, একইভাবে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের শহীদদেরকেও জনগণ কখনোই ভুলবে না।’দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা সম্পর্কে সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে কেউ কেউ অহেতুক ইস্যু তৈরি করে এ পরিস্থিতিতে তারা নিজেদের অজান্তেই পতিত ও পলাতক স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের পথ সুগম করছেন কি না, সেটি ভেবে দেখার আহ্বান জানাই।দীর্ঘ দেড় দশকের স্বৈরাচারী শাসনের ভয়াবহতা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘আজকের এই দিনটি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে আরেকটি যুগান্তকারী মাইলফলক। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হাজার হাজার মানুষ গুম ও অপহরণের শিকার হয়েছিলেন। লাখ লাখ মানুষ নির্যাতন, নিপীড়ন, হামলা ও মিথ্যা মামলায় বছরের পর বছর ঘরবাড়ি ছাড়া হয়েছিলেন। শুধু জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানেই শহীদ হয়েছেন হাজারো ছাত্র-জনতা, নারী ও শিশু।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান ঠেকাতে ফ্যাসিস্ট চক্র হেলিকপ্টার থেকে গুলি করেও গণতন্ত্রকামী জনগণকে হত্যা করেছিল। পতিত, পরাজিত ও বিতাড়িত ফ্যাসিস্টদের এমন নৃশংসতা, এমন বর্বরতা সভ্য জগতে বিরল। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গুম-খুন ও অপহরণকে স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত করে ফেলা হয়েছিল। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চলা এই নৃশংসতা শুধু স্বাধীনতা পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে তিন বছরের দুঃশাসনের সঙ্গেই তুলনা চলে।’জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে তাদের পূর্বসূরিদের সাহসী ইতিহাস তুলে ধরবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই জাদুঘর নতুন প্রজন্মের সামনে উম্মোচিত করবে বিতাড়িত ফ্যাসিস্টদের মুখোশ। এই স্মৃতি জাদুঘর আমাদের জনগণের সংগ্রাম,আত্মত্যাগ, বেদনা, সাহস ও গণতান্ত্রিক আকাক্সক্ষাকে জাতীয় স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে ধারণ করার এক ঐতিহাসিক উদ্যোগ।’প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এই জাদুঘর শুধু ২০২৪ সালের নৃশংস ঘটনার স্মারক হবে না, এই জাদুঘর বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্পর্ক তুলে ধরবে। তিনি বলেন, শুধু জুলাই গণঅভ্যুত্থানই নয়, এখানে বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাসও সংরক্ষিত থাকা জরুরি।বিতাড়িত ফ্যাসিবাদী চক্র কখনোই দেশে গণতান্ত্রিক শাসনকে মেনে নিতে পারেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের পূর্বসূরিরা ১৯৭৫ সালে সংবিধান পরিবর্তন করে দেশে গণতন্ত্রের কবর রচনা করেছিল। পরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। এসব ইতিহাস জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অবশ্যই উপকৃত হবে।’তিনি বলেন,  অসম্পূর্ণ, অতিরঞ্জিত বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বয়ান ইতিহাসকে শক্তিশালী করে না;  বরং  ইতিহাসের বিশ্বাসযোগ্যতাকে দুর্বল করে এবং ভবিষ্যৎ বিভেদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সুতরাং, প্রতিটি বিষয়ে যথাসম্ভব সত্যতা থাকা প্রয়োজন। একইসঙ্গে জাদুঘরে রাখা বিষয়াবলি সম্পর্কে বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি এবং অন্যান্য ভাষায়ও উপস্থাপিত হলে বিশ্বের ভিন্নভাষী মানুষও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে সুবিধা হবে।’আহত জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসন ও চিকিৎসার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধাদেরকে সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি গুরুতর আহত জুলাই যোদ্ধাদেরকে যথাযথ উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, তুরস্ক, রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন,  ‘বর্তমানে ৫০ জন জুলাই যোদ্ধা বিদেশে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে ১৩ হাজারের বেশি জুলাই যোদ্ধাকে তাদের নিজস্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্টে শ্রেণিভিত্তিক মাসিক সম্মানী ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে সহায়তা করার ব্যাপারে বর্তমান সরকার আন্তরিক।’রাষ্ট্র সংস্কারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘জুলাই যোদ্ধাদের আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি বর্তমান সরকার শহীদদের কাক্সিক্ষত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠারও কাজ শুরু করেছে।এরই অংশ হিসেবে দেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে বিএনপির ৩১ দফা ও নির্বাচনী ইশতেহারের পাশাপাশি জাতীয় সংসদের সাউথ প্লাজায় স্বাক্ষরিত জুলাই সনদও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।’তিনি বলেন,  একইসঙ্গে গণভোটের আকাক্সক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে গঠিত ‘সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি’ও কাজ শুরু করেছে। দেশ পুনর্গঠনের মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা শহীদদের কাক্সিক্ষত বাংলাদেশ গড়বো, ইনশাআল্লাহ।’বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী গণঅভ্যুত্থানে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং শোকাহত শহীদ পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশ আর কখনো কোনো তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হবে না।’প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শেষে অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীদের অংশগ্রহণে দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, দেশপ্রেম এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ তুলে ধরা হয়।এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতেই জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে পবিত্র ধর্মগ্রন্থসমূহ পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবদুল্লাহ বিন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা, শহীদ শাহরিয়ার খান আনাসের মা সানজিদা খান দীপ্তি এবং জুলাই যোদ্ধা নিশাত তাবাসসুম প্রাপ্তি আবেগঘন স্মৃতি চারণ করেন।সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিবৃন্দ, সংসদ সদস্য, সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, কূটনীতিক, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, সংস্কৃতিজন, জুলাই যোদ্ধা, জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ বিচার হবে:প্রধানমন্ত্রী