টেক তরঙ্গ

মেসির বারবার পেনাল্টি মিসের পেছনে যে কারণ

২০২৬ বিশ্বকাপে লিওনেল মেসির পেনাল্টি যেন হয়ে গেছে অরণ্যে রোদন, সব যেন নিষ্ফল চেষ্টা। ২ বার পেনাল্টি নিয়ে দুই বারই পেনাল্টি মিস করেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। অথচ আগের আসরেই মেসি পেনাল্টি থেকে করেছিলেন ৪ গোল, শ্যুট আউট যোগ করলে পেনাল্টিতে স্কোর করেছিলেন ৬ বার। সেবার মেসি খুবই বুদ্ধিদীপ্ত এক কৌশল ব্যবহার করতেন। তিনি গোলরক্ষককে ফাঁকি দিতেন, সঠিক সময়ে শট নিতেন এবং মানসিকভাবে থাকতেন শান্ত।  মূলত তিনি দুই ধরনের শট নিতেন। একটি ছিল চতুর সাইড ফুট শট, যেখানে তিনি গোলরক্ষককে ভালোভাবে লক্ষ্য করে বিপরীত দিকে শট নিতেন। আরেকটি ছিল শক্তিশালী ইনস্টেপ শট, যেখানে গতিই ছিল আসল অস্ত্র। দৌড় শুরুর সময় মেসি ছোট ছোট পা ফেলতেন। এতে তিনি নিজের গতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারতেন। পাশাপাশি গোলরক্ষকের নড়াচড়াও ভালোভাবে বুঝতে পারতেন। বল না দেখে তিনি চোখ রাখতেন গোলরক্ষকের দিকে। গোলরক্ষক কোন দিকে ঝুঁকছেন, সেটাই বোঝার চেষ্টা করতেন তিনি। গোলরক্ষক একবার দিক ঠিক করে ফেললে, মেসি আলতো করে বল পাঠিয়ে দিতেন উল্টো দিকের ফাঁকা কোণে। এই ধরনের শটের গতি সাধারণত থাকত ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৭৫ কিলোমিটারের মধ্যে। এখানে শক্তির চেয়ে নিখুঁত নিশানাই ছিল আসল ব্যাপার। সৌদি আরব, নেদারল্যান্ডস ও ফ্রান্সের বিপক্ষে এই কৌশলে গোল করেছেন তিনি। তবে গোলরক্ষক যদি স্থির দাঁড়িয়ে থাকতেন বা তার এই কৌশল ধরে ফেলতেন, তখন মেসি ভিন্ন পথে হাঁটতেন। সেই সময় তিনি সোজা পথে দৌড় শুরু করতেন। গোলরক্ষকের দিকে না তাকিয়ে তিনি চোখ রাখতেন বলের দিকে। এতে বলে ঠিকভাবে পা লাগানো সম্ভব হতো। এরপর তিনি জোরালো শট নিতেন। সেই শটের গতি অনেক সময় ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারও ছাড়িয়ে যেত এবং তা গিয়ে লাগত গোলবারের ওপরের কোণে। এত দ্রুতগতির শট হওয়ায় গোলরক্ষক সঠিক দিকে ঝাঁপ দিলেও কিছুই করার থাকত না তার। এই পদ্ধতির শটে অবশ্য সফলতার হার ৫০ শতাংশ ছিল, তিনি পোল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যর্থ হলেও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে সফল হয়েছিলেন।  ২০২২ বিশ্বকাপের ২ কৌশলের প্রথমটির ব্যবহার এবারের বিশ্বকাপে করেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। অস্ট্রিয়া ও মিশর দুই দলের বিপক্ষেই পেনাল্টি নিয়েছেন বেশ জোরের ওপর, প্রথমটি বারের ওপর দিয়ে গেছে, দ্বিতীয়টি হয়েছে সেভ। আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে ওই প্রথম কৌশল ব্যবহার না করার ফলেই পেনাল্টি থেকে এভাবে ব্যর্থ হচ্ছেন মেসি।

রোনো রাউটার / পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

রোনো রাউটারকে Access Point (AP) Mode এ চালিয়ে ইথারনেট কেবলের মাধ্যমে মূল রাউটারের সঙ্গে যুক্ত করুন। এতে নেটওয়ার্কের গতি ও স্থায়িত্ব বেশি থাকবে। এর জন্য রাউটার রিসেট করে, ফার্মওয়্যার আপডেট করে, LAN থেকে WAN-এ কেবল সংযোগ দিয়ে ওয়েব সেটিংসে গিয়ে AP মোড চালু করতে হবে। ২. রিপিটার মোডে তারহীন সংযোগ যদি তার টানার সুযোগ না থাকে, তাহলে রিপিটার মোড ব্যবহার করুন। এতে পুরোনো রাউটার মূল ওয়াই-ফাই সংকেত ধরবে এবং নতুন নামে পুনঃসম্প্রচার করবে। তবে মনে রাখবেন, এতে ইন্টারনেটের গতি কিছুটা কমে যায়-প্রায় অর্ধেক হতে পারে। ৩. প্রতিটি রাউটারের পদ্ধতি আলাদা হতে পারে সব রাউটার AP বা রিপিটার মোড সমর্থন করে না। তাই রাউটারের ইউজার ম্যানুয়াল বা নির্মাতার ওয়েবসাইট থেকে নির্দেশনা দেখে নিতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে থার্ড পার্টি ফার্মওয়্যার (যেমন: DD-WRT) ব্যবহার করেও বাড়তি ফিচার চালু করা সম্ভব।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়েরা কেন বেশি বিপর্যস্ত, কী বলছে গবেষণা?

অন্যদিকে একই বয়সি ছেলেদের ক্ষেত্রে এ হার মাত্র প্রতি ১০ জনে একজন। গবেষণাটি পরিচালনা করেছে যুক্তরাজ্যের পাবলিক হেলথ ওয়েলস (PHW) ও কার্ডিফ ইউনিভার্সিটি।গবেষণায় দেখা গেছে, নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। দশম শ্রেণির ১৪-১৫ বছর বয়সি ২১ শতাংশ মেয়ে এবং নবম শ্রেণির ১৩-১৪ বছর বয়সি ২০.৫ শতাংশ মেয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নেতিবাচক অভিজ্ঞতা হয়েছে বলে জানায়। ছেলেদের ক্ষেত্রে একই বয়সে এ হার যথাক্রমে ১০.১ এবং ৯.৮ শতাংশ। ১৩ বছর বয়সি লয়েস জানায়, ‘কখনো কখনো শুধু সময় কাটানোর জন্য ফোন হাতে নিই। কিন্তু বুঝতেই পারি না কখন দুই ঘণ্টা পেরিয়ে যায়! এটা মাঝেমধ্যে ভয় পাইয়ে দেয়।’ গবেষণায় অংশ নেওয়া অনেকে জানিয়েছে, খেলাধুলা বা শখের কাজ বাদ দিয়ে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় দিচ্ছে।পিএইচডব্লিও-এর স্বাস্থ্য উন্নয়ন পরামর্শক এমিলি ভ্যান দে ভেনটার জানান, মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় বেশি সময় রাতেও ডিভাইস ব্যবহার করে এবং বেশি রিপোর্ট করে যে তারা সাইবার বুলিয়িংয়ের শিকার হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ার কিছু সুবিধা থাকলেও টিনএজারদের মানসিক স্বাস্থ্যর ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট। বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও আত্মমূল্যায়নের ঘাটতির পেছনে এটি একটি বড় ভূমিকা রাখছে।’ তিনি আরও পরামর্শ দেন, রাতে ডিভাইসের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা, ঘুমানোর ঘরে ফোন না রাখা এবং ঘুমের আগে সামাজিক মাধ্যমে প্রবেশ না করার অভ্যাস তৈরি করলে সমস্যা কিছুটা কমে আসতে পারে। জরিপটিতে সপ্তম থেকে একাদশ শ্রেণির প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এটি কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য, সম্পর্ক, স্কুল জীবন ও প্রযুক্তি ব্যবহারের নানা দিককে ঘিরে সবচেয়ে বৃহৎ ও তথ্যবহুল জরিপগুলোর একটি

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

শনিবার (২৪ মে) সকালে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনে দেশের প্রথম ক্রেডিট এনহ্যান্সমেন্ট স্কিম উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।গভর্নর বলেন, ‘নতুন নোটে থাকবে দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা। ঈদে বাজারে প্রথমে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট আসবে।’টাঁকশাল থেকে জানা গেছে, ২০ টাকার নোট ছাপা প্রায় সম্পন্ন। আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর পরে ৫০ ও ১০০০ টাকার নোট বাংলাদেশ ব্যাংককে বুঝিয়ে দেবে টাঁকশাল। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে এই টাকা কবে বাজারে আসবে।টাঁকশাল জানিয়েছে, নতুন নকশার নোট ছাপাতে ১ থেকে দেড় বছর সময় লাগে। আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। গত ডিসেম্বরে নতুন নকশার নোট বাজারে আনার সিদ্ধান্ত নেয় এই সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় টাঁকশাল চলতি মাসে নতুন নকশার নোট ছাপানো শুরু করে।টাঁকশাল আরও জানায়, একসঙ্গে ৩টি নোটের বেশি ছাপানোর সক্ষমতা নেই টাঁকশালের। তাই প্রথম ধাপে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট ছাপানো হচ্ছে।এদিকে গভর্নর জানিয়েছে, পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ায় তা ফেরত পাঠাতে চাপ তৈরি হয়েছে। পাচারকৃত অর্থ ফ্রিজ করায় অর্থ ফেরত আনার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।’গভর্নর বলেন, ‘স্কিমের আওতায় পিকেএসএফ অংশীদার এমএফআই গুলোকে ২৪০ কোটি টাকার রিজার্ভ তহবিল ভিত্তিতে ব্যাংক ঋণ গ্যারান্টি দেবে। ঋণের গ্যারান্টি অনুযায়ী এককালীন ০.৫ শতাংশ কমিশন আদায় করা হবে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ পাওয়া সহজ হবে।’

একটি হারানো বিকেলের গল্প!

একটি হারানো বিকেলের গল্প!

চেনা চেনা এই পথগুলো আমাকে বলে—তোমার ছায়া কি এখনও পড়ে এই ইট-ধুলোয়?যেখানে প্রতিটি মোড়ে রয়ে গেছে,আমাদের চুপ করে হাঁটার শব্দ!আমরা কি আবার নতুন করে পরিচিত হতে পারি?ঠিক যেমন প্রথমবার তোমাকে দেখেছিলাম!যেমন হঠাৎ বাতাসে উড়ে আসা আমার চুল সরিয়ে, তুমি বলেছিলে, "ভালো থেকো"।এই শহর জানে, আমি এখনও থেমে যাইহঠাৎ "তোমার নাম"- শুনলেই কারও ঠোঁটে!এই আকাশ, এই বাতাস, এই গন্ধ—সব যেন চুপিচুপি বলে যায়,সে একদিন ফিরে আসবেই....আমরা কি পারি আবার হারিয়ে যেতে?একটি রৌদ্র দুপুরের ছায়ায় দাঁড়িয়ে,কিংবা একটি হারানো বিকেলের গল্পে,যেখানে অভিমানও ছিল ভালোবাসার ছায়া,আর "বিদায়" শব্দটি শুধু একটি ভুল উচ্চারণ!

May 2, 2025
এসব আর কি প্রয়োজন?

এসব আর কি প্রয়োজন?

ভোগ্যপণ্যে আর লোভ নেই, যা মেলে খুচরো পয়সায় অথবা জোটে অল্প কায়িক শ্রমে;  তাতে আর বিন্দুমাত্র লোভ নেই!আজকাল আমার ক্ষুধা নেই,মৌনতার মাত্ত্রাতিরিক্ত রোগ খেয়ে নিয়েছে যৌনতার অনুষঙ্গ; বৈপরীত্যে আকর্ষণের আগমন ধ্বনি নেই!বিলম্বিত প্রদেয় পরিশোধের কারণেহারিয়েছি ভরসাস্থল, তাই-বর্ধিত বিল দিয়ে জীইয়ে রাখা শুধু  মানবদেহ; দেখলাম- একটি দেহ সুরক্ষার কোনো সুজন নেই!তাই ভোগ্যপণ্যে আমার আর লোভ নেই,এখন কবিতা দিয়ে শুধু হৃদয় ছুঁয়ে দেই; রমনীর অনামিকায় ঠোঁটের সন্নিবেশ না হোক- তবু শুধু ধোঁয়ার মতো হোক ছোঁয়াছুঁয়ি নাকে-মুখে!ভোগ্যপণ্যের ভারে পৃথিবীতে বাড়ে শুধুই বৈষয়িক ওজন,হয়তো সে কাছে আসে, 

May 2, 2025
শীতের রাতে

শীতের রাতে

শীতের রাতে পিঠা খেয়ে- ফিরছিল অনীক অঞ্জন সুমিত; একমনে গাইছিল গান সমীর আর অমিত!পথের ধারে ঝোপের মাঝে ডাকলো যেন কেউ, আবছায়ায় মনে হলো মেয়েটির রং কালো; গঠন-গড়ন শ্যামলা তবে তার মুখটি বেশ ভালো! শীতের রাতে মুখটি দেখাচ্ছে সকরুণ-মলিন, অবাঞ্চিত সৌন্দর্য বর্ধনের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা; ওসব কি আর চোখে পড়ে-যার আছে যৌনতেষ্টা!সম্বল সেই মেয়েটির শুধুই শরীর,  কম্বল পায়না যে কোনোদিনও তার গায়ে; হাঁটতে গিয়ে ওঠে না ধাপ পরা যেন শেকল পায়ে!রাস্তার কোনে ঝোপের আড়ালে,সন্ধ্যা থেকেই দেয় সে কত উঁকিঝুঁকি; স্বপ্ন আর শখ নিয়ে তার নেই কোনো আঁকাবুকি! শীতের রাতে পিঠা খেয়ে গীত বন্দনা গেয়ে- ফিরছে অঞ্জন সুজন সুমিত; গাইছিল গান তখন সমীর অনিক কবির অমিত! পথপাশের মেয়েটি স্বল্পবসনা সম্বল শুধুই শরীর,  কম্বল সে কোনোদিনও পায়নি গায়ে; হাঁটতে গিয়ে ওঠে না তার ধাপ, পরা যেন শেকল পায়ে! আমার মনে হলো হয়তো দেখেছি কোথাও, কোনো এক দুপুরে বাবলা গাছের ছায়ায়; 

May 2, 2025
শীতের রাতে

শীতের রাতে

শীতের রাতে পিঠা খেয়ে- ফিরছিল অনীক অঞ্জন সুমিত; একমনে গাইছিল গান সমীর আর অমিত!পথের ধারে ঝোপের মাঝে ডাকলো যেন কেউ, আবছায়ায় মনে হলো মেয়েটির রং কালো; গঠন-গড়ন শ্যামলা তবে তার মুখটি বেশ ভালো! শীতের রাতে মুখটি দেখাচ্ছে সকরুণ-মলিন, অবাঞ্চিত সৌন্দর্য বর্ধনের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা; ওসব কি আর চোখে পড়ে-যার আছে যৌনতেষ্টা!সম্বল সেই মেয়েটির শুধুই শরীর,  কম্বল পায়না যে কোনোদিনও তার গায়ে; হাঁটতে গিয়ে ওঠে না ধাপ পরা যেন শেকল পায়ে!রাস্তার কোনে ঝোপের আড়ালে,সন্ধ্যা থেকেই দেয় সে কত উঁকিঝুঁকি; স্বপ্ন আর শখ নিয়ে তার নেই কোনো আঁকাবুকি! শীতের রাতে পিঠা খেয়ে গীত বন্দনা গেয়ে- ফিরছে অঞ্জন সুজন সুমিত; গাইছিল গান তখন সমীর অনিক কবির অমিত! পথপাশের মেয়েটি স্বল্পবসনা সম্বল শুধুই শরীর,  কম্বল সে কোনোদিনও পায়নি গায়ে; হাঁটতে গিয়ে ওঠে না তার ধাপ, পরা যেন শেকল পায়ে! আমার মনে হলো হয়তো দেখেছি কোথাও, কোনো এক দুপুরে বাবলা গাছের ছায়ায়; 

May 2, 2025
August 13, 2025, 12:50 PM
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
Total Voters: 1 Person

ইনকিলাব মঞ্চের নতুন কমিটি, আজীবন মুখপাত্র ওসমান হাদি

সদস্যদের ভোটে ইনকিলাব মঞ্চের নতুন আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব নির্বাচিত হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনটির কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে একটি আংশিক কমিটিও ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত ইনকিলাব মঞ্চের সাধারণ সভায় সব সদস্যের প্রত্যক্ষ ভোটে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত ভোটে আহ্বায়ক হিসেবে আব্দুল্লাহ আল জাবের এবং সদস্যসচিব হিসেবে ফাতিমা তাসনিম জুমা নির্বাচিত হন। পাশাপাশি শহীদ শরিক ওসমান হাদিকে আজীবনের জন্য সংগঠনের মুখপাত্র ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন। ঘোষিত কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রকিবুল ইসলাম (রোকসান রাকিব), সহসাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে শোয়াইব বিন আহসান সিয়াম, দপ্তর সম্পাদক হিসেবে রায়হান আহমেদ, অর্থ সম্পাদক হিসেবে মুহাম্মদ ওমর, মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক হিসেবে নাঈম ইবনে জাহির এবং সহ-মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক হিসেবে হাবিবুল্লাহ মিশবাহ দায়িত্ব পেয়েছেন। এ ছাড়া সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং যোগ্য ও সিনিয়র সদস্যদের মূল্যায়নের লক্ষ্যে একটি সার্চ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে জি এস সাবিরকে এবং সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মামুনুর রহমান আদনান। সদস্য হিসেবে রয়েছেন আসাদুজ্জামান আসাদ, হিশাম ইব্রাহিম, শান্ত আক্তার ও শাকিব সারওয়ার। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নবগঠিত নেতৃত্ব সংগঠনটিকে একটি আদর্শিক, গণমুখী ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে সব সদস্য, শুভানুধ্যায়ী ও দেশবাসীর দোয়া, সহযোগিতা এবং গঠনমূলক পরামর্শ কামনা করেছেন। পাশাপাশি সংগঠনের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং ঘোষিত আদর্শ বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

Prayer Schedule
Loading...
Link copied successfully!

ইনকিলাব মঞ্চের নতুন কমিটি, আজীবন মুখপাত্র ওসমান হাদি

সদস্যদের ভোটে ইনকিলাব মঞ্চের নতুন আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব নির্বাচিত হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনটির কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে একটি আংশিক কমিটিও ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত ইনকিলাব মঞ্চের সাধারণ সভায় সব সদস্যের প্রত্যক্ষ ভোটে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত ভোটে আহ্বায়ক হিসেবে আব্দুল্লাহ আল জাবের এবং সদস্যসচিব হিসেবে ফাতিমা তাসনিম জুমা নির্বাচিত হন। পাশাপাশি শহীদ শরিক ওসমান হাদিকে আজীবনের জন্য সংগঠনের মুখপাত্র ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন। ঘোষিত কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রকিবুল ইসলাম (রোকসান রাকিব), সহসাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে শোয়াইব বিন আহসান সিয়াম, দপ্তর সম্পাদক হিসেবে রায়হান আহমেদ, অর্থ সম্পাদক হিসেবে মুহাম্মদ ওমর, মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক হিসেবে নাঈম ইবনে জাহির এবং সহ-মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক হিসেবে হাবিবুল্লাহ মিশবাহ দায়িত্ব পেয়েছেন। এ ছাড়া সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং যোগ্য ও সিনিয়র সদস্যদের মূল্যায়নের লক্ষ্যে একটি সার্চ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে জি এস সাবিরকে এবং সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মামুনুর রহমান আদনান। সদস্য হিসেবে রয়েছেন আসাদুজ্জামান আসাদ, হিশাম ইব্রাহিম, শান্ত আক্তার ও শাকিব সারওয়ার। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নবগঠিত নেতৃত্ব সংগঠনটিকে একটি আদর্শিক, গণমুখী ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে সব সদস্য, শুভানুধ্যায়ী ও দেশবাসীর দোয়া, সহযোগিতা এবং গঠনমূলক পরামর্শ কামনা করেছেন। পাশাপাশি সংগঠনের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং ঘোষিত আদর্শ বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

ইনকিলাব মঞ্চের নতুন কমিটি, আজীবন মুখপাত্র ওসমান হাদি

সদস্যদের ভোটে ইনকিলাব মঞ্চের নতুন আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব নির্বাচিত হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনটির কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে একটি আংশিক কমিটিও ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত ইনকিলাব মঞ্চের সাধারণ সভায় সব সদস্যের প্রত্যক্ষ ভোটে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত ভোটে আহ্বায়ক হিসেবে আব্দুল্লাহ আল জাবের এবং সদস্যসচিব হিসেবে ফাতিমা তাসনিম জুমা নির্বাচিত হন। পাশাপাশি শহীদ শরিক ওসমান হাদিকে আজীবনের জন্য সংগঠনের মুখপাত্র ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন। ঘোষিত কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রকিবুল ইসলাম (রোকসান রাকিব), সহসাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে শোয়াইব বিন আহসান সিয়াম, দপ্তর সম্পাদক হিসেবে রায়হান আহমেদ, অর্থ সম্পাদক হিসেবে মুহাম্মদ ওমর, মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক হিসেবে নাঈম ইবনে জাহির এবং সহ-মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক হিসেবে হাবিবুল্লাহ মিশবাহ দায়িত্ব পেয়েছেন। এ ছাড়া সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং যোগ্য ও সিনিয়র সদস্যদের মূল্যায়নের লক্ষ্যে একটি সার্চ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে জি এস সাবিরকে এবং সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মামুনুর রহমান আদনান। সদস্য হিসেবে রয়েছেন আসাদুজ্জামান আসাদ, হিশাম ইব্রাহিম, শান্ত আক্তার ও শাকিব সারওয়ার। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নবগঠিত নেতৃত্ব সংগঠনটিকে একটি আদর্শিক, গণমুখী ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে সব সদস্য, শুভানুধ্যায়ী ও দেশবাসীর দোয়া, সহযোগিতা এবং গঠনমূলক পরামর্শ কামনা করেছেন। পাশাপাশি সংগঠনের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং ঘোষিত আদর্শ বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

Today's Weather
Loading weather data...
--°
Avg Temp
--°
Max Temp
--%
Rain Chance
Loading...
ইনকিলাব মঞ্চের নতুন কমিটি, আজীবন মুখপাত্র ওসমান হাদি

ইনকিলাব মঞ্চের নতুন কমিটি, আজীবন মুখপাত্র ওসমান হাদি

সদস্যদের ভোটে ইনকিলাব মঞ্চের নতুন আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব নির্বাচিত হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনটির কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে একটি আংশিক কমিটিও ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত ইনকিলাব মঞ্চের সাধারণ সভায় সব সদস্যের প্রত্যক্ষ ভোটে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত ভোটে আহ্বায়ক হিসেবে আব্দুল্লাহ আল জাবের এবং সদস্যসচিব হিসেবে ফাতিমা তাসনিম জুমা নির্বাচিত হন। পাশাপাশি শহীদ শরিক ওসমান হাদিকে আজীবনের জন্য সংগঠনের মুখপাত্র ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন। ঘোষিত কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রকিবুল ইসলাম (রোকসান রাকিব), সহসাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে শোয়াইব বিন আহসান সিয়াম, দপ্তর সম্পাদক হিসেবে রায়হান আহমেদ, অর্থ সম্পাদক হিসেবে মুহাম্মদ ওমর, মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক হিসেবে নাঈম ইবনে জাহির এবং সহ-মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক হিসেবে হাবিবুল্লাহ মিশবাহ দায়িত্ব পেয়েছেন। এ ছাড়া সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং যোগ্য ও সিনিয়র সদস্যদের মূল্যায়নের লক্ষ্যে একটি সার্চ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে জি এস সাবিরকে এবং সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মামুনুর রহমান আদনান। সদস্য হিসেবে রয়েছেন আসাদুজ্জামান আসাদ, হিশাম ইব্রাহিম, শান্ত আক্তার ও শাকিব সারওয়ার। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নবগঠিত নেতৃত্ব সংগঠনটিকে একটি আদর্শিক, গণমুখী ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে সব সদস্য, শুভানুধ্যায়ী ও দেশবাসীর দোয়া, সহযোগিতা এবং গঠনমূলক পরামর্শ কামনা করেছেন। পাশাপাশি সংগঠনের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং ঘোষিত আদর্শ বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।