বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা এফ এম

সারাদেশ

জীবিত থাকতেই নিজের চল্লিশা খাওয়ালেন জামালপুরের বৃদ্ধ

জীবিত থাকতেই নিজের চল্লিশা খাওয়ালেন জামালপুরের বৃদ্ধ

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় জীবিত অবস্থায় নিজের চল্লিশার আয়োজন করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন পূর্ব বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস সামাদ (৭০)। ব্যতিক্রমী এ অনুষ্ঠানে প্রায় দুই হাজার মানুষ অংশ নিয়ে খাবার গ্রহণ করেন।গত বুধবার (৫ আগস্ট) নিজের বাড়িতে এ আয়োজন করেন আব্দুস সামাদ। তিনি উপজেলার পলবান্ধা ইউনিয়নের পূর্ব বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত শুকর আলীর ছেলে।স্থানীয়দের ভাষ্য, আব্দুস সামাদের তিন মেয়ে ও চার ছেলে রয়েছে। মেয়েদের বিয়ে হয়েছে, আর ছেলেদের কেউ আলাদা সংসার করছেন, কেউ পড়াশোনা করছেন। বয়সজনিত কারণে শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ায় তিনি জীবদ্দশাতেই নিজের সম্পত্তি সন্তানদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। একই সঙ্গে মৃত্যুর পর তার চল্লিশার আয়োজন হবে কি না—এমন ভাবনা থেকে পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে নিজেই চল্লিশার আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেন।অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া লালচাঁন মিয়া বলেন, জীবিত একজন মানুষের নিজের চল্লিশার আয়োজন সত্যিই বিরল ঘটনা। কৌতূহল নিয়ে অনেকেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে খাবার গ্রহণ করেছেন।আব্দুস সামাদের ছেলে সামিউল জানান, বাবার ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে পরিবারের সবাই এই আয়োজন বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেছেন। একই কথা জানান তার মেয়ে সাজেদাও। তিনি বলেন, বাবার মানসিক স্বস্তির কথা বিবেচনা করেই পরিবারের সদস্যরা এ সিদ্ধান্তে সম্মতি দিয়েছেন।আব্দুস সামাদ বলেন, বয়সের কারণে এখন তিনি খুব বেশি কাজ করতে পারেন না। তাই পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করেই এই ব্যতিক্রমী আয়োজন করেছেন। তিনি জানান, অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের দুটি গরু এবং ২০ হাজার টাকা মূল্যের একটি খাসি কেনা হয়েছিল।

রাত ১টার মধ্যে ঢাকাসহ ১০ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা

ঢাকাসহ দেশের ১০টি অঞ্চলে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাত ১টার মধ্যে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সঙ্গে দমকা থেকে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর।সংস্থাটির অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য প্রকাশিত সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পাবনা, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাত ১টার মধ্যে ঢাকাসহ ১০ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা

দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে নীলফামারীতে ১১ দলের স্মারকলিপি প্রদান

 গ্যাস সংকট, ভয়াবহ লোডশেডিং, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি, ভুতুড়ে বিল আদায় ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। নীলফামারী জেলা শাখার উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে জেলা প্রশাসকের হাতে এই স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।  এর আগে একই দাবিতে স্থানীয় আল হেলাল একাডেমী থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। এরপর নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ।এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম, নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী, জেলা জামায়াতের প্রচার সেক্রেটারী প্রভাযক ছাদের হোসেন, জেলা কর্মপরিযদ সদস্য ও নীলফামারী পৌরসভার মেয়র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মন্টু।এছাড়াও জেলা জামায়াতের মানব সম্পদ বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুল কাদিম, অফিস সেক্রেটারি কাজী আব্দুল মালেক, সদর উপজেলা আমির মাওলানা আবু হানিফা শাহ, সহকারি সেক্রেটারী আহমাদ রায়হান, শহর সেক্রেটারী এ্যাড.আনিছুর রহমান আজাদ, সহকারি সেক্রেটারী এ্যাড. মামুনুর রশিদ পাটোয়ারী, এনসিপির জেলা আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।স্মারক লিপি দেওয়া শেষে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন,  নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী  মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম। তারা দাবিগুলো মেনে নিয়ে জনগণের ভোগান্তি দূর করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। 

দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে নীলফামারীতে ১১ দলের স্মারকলিপি প্রদান

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বগুড়ায় ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বগুড়া জেলা পূর্ব শাখা।বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মাঝিড়ার বায়তুর রহমান জামে মসজিদের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিছিলটি বগুড়া-ঢাকা মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে মাঝিড়া বন্দরে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করা হয়।সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির বগুড়া জেলা পূর্ব শাখার সভাপতি শাহরিয়ার হাসান বিপ্লব। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জেলা পূর্ব শাখার সেক্রেটারি তৌফিকুল ইসলাম।বক্তব্যে শাহরিয়ার হাসান বিপ্লব বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছাত্র-জনতার ত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তার দাবি, এই আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য জুলাই সনদ কার্যকর করা প্রয়োজন। তিনি সরকারকে দ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন ছাড়া নতুন রাজনৈতিক ও সামাজিক কাঠামো গঠন সম্ভব নয়। এ বিষয়ে দাবি আদায়ে ভবিষ্যতে আরও কর্মসূচি দেওয়ার কথাও জানান তিনি।সমাবেশে সংগঠনের সাবেক নেতৃবৃন্দসহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।মিছিলে শাজাহানপুর, শেরপুর, ধুনট, গাবতলী ও সারিয়াকান্দি উপজেলার নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এ সময় তাদের হাতে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিসংবলিত ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বগুড়ায় ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল

ডোমারে ইউএনওর সঙ্গে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার নবগঠিত কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ

নীলফামারীর ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শায়লা সাঈদ তন্বীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও পরিচিতি সভা করেছে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ডোমার উপজেলা শাখার নবগঠিত কমিটি। এ সময় সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদনসংক্রান্ত কাগজপত্র ইউএনওর কাছে হস্তান্তর করা হয়।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল ১১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ডোমার উপজেলা শাখার সভাপতি আবু ফাত্তাহ কামাল পাখী, সিনিয়র সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান হিল্লোল, সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান মানিক, ক্রীড়া সম্পাদক আব্দুর রশিদ, দপ্তর সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, প্রচার সম্পাদক মাহাবুর রহমান মিলন এবং সদস্য দেলোয়ার হোসেন, নুর এ আলম, সুমন রহমানসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য।এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী সাংবাদিকদের উদ্দেশে বস্তুনিষ্ঠ, দায়িত্বশীল ও সত্যনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালনে নীতি-নৈতিকতা বজায় রেখে কাজ করার আহ্বান জানান।সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, জেলা কমিটির অনুমোদনের মাধ্যমে ডোমার উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি কার্যক্রম শুরু করেছে। তারা সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন এবং নিয়মতান্ত্রিকভাবে দায়িত্ব পালনে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

ডোমারে ইউএনওর সঙ্গে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার নবগঠিত কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশে আর স্বৈরাচারের ফিরে আসার সুযোগ নেই: দুলু

বাংলাদেশের মাটিতে ভবিষ্যতে আর কোনো স্বৈরাচারী শক্তির জায়গা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন সরকার দলীয় হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে নাটোরের হয়বতপুর এলাকায় বেগম খালেদা জিয়া মহাবিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন ও সড়ক নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।দুলু অভিযোগ করেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের শাসনামলে শেখ হাসিনা দেশের ক্ষতি করেছেন। তার দাবি, দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে সেই পরিস্থিতি থেকে দেশকে রক্ষা করেছে।তিনি বলেন, দেশে আবারও ষড়যন্ত্রের চেষ্টা চলছে। শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করে নতুন করে চক্রান্ত করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না বলে মন্তব্য করেন দুলু।ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী রাষ্ট্র। দুই দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় রাখতে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় না দিয়ে বাংলাদেশের কাছে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা উচিত।অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে আর স্বৈরাচারের ফিরে আসার সুযোগ নেই: দুলু

শিক্ষার আলোয় জেগে উঠল চর আঁড়িয়াল খাঁ উচ্চ বিদ্যালয়

দীর্ঘ ৩১ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার চরমানাইর ইউনিয়নের চর আঁড়িয়াল খাঁ উচ্চ বিদ্যালয়। ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও নানা সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং পাকা ভবনের অভাবে বিদ্যালয়টিতে দীর্ঘদিন নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে চরাঞ্চলের শত শত শিক্ষার্থীকে মাধ্যমিক শিক্ষার জন্য দূর-দূরান্তের বিদ্যালয়ে যেতে হতো।২০২২ সালে বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হলেও নিজস্ব একাডেমিক ভবন না থাকায় পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা যায়নি। অবশেষে চলতি বছরে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম খান বাবুল চারতলা ফাউন্ডেশনবিশিষ্ট নতুন একাডেমিক ভবনের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। বর্তমানে ভবনের প্রথম তলার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নতুন ভবন নির্মাণের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়টি যেন নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। খুব শিগগিরই আধুনিক পরিবেশে পাঠদান শুরু হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।চরমানাইর ইউনিয়নের একমাত্র উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে চর আঁড়িয়াল খাঁ উচ্চ বিদ্যালয় এতদিন টিনশেড ভবনে সীমিত পরিসরে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। নতুন ভবন নির্মাণের ফলে চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে।পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা কার্যক্রম চালুর প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে বিদ্যালয়ের নতুন ভবনে নবগঠিত অ্যাডহক কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলামের সঞ্চালনায় এবং চরমানাইর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও বিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তানজিমুল হাসান কায়েস।এ সময় আরও বক্তব্য দেন ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি বজলুর রশিদ মাস্টার, অবসরপ্রাপ্ত সার্জন আবুল কালাম আজাদ, শিক্ষক সঞ্জয় চাকলাদার, ইসরাফিল বেপারী এবং তোরাব আলী।বক্তারা বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে দ্রুত বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ, প্রধান ফটক স্থাপন এবং বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তারা বলেন, প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্পন্ন হলে বিদ্যালয়টি চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আধুনিক ও আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠবে।সভা শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় বিদ্যালয়কে সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উপস্থিত অতিথিরা।

শিক্ষার আলোয় জেগে উঠল চর আঁড়িয়াল খাঁ উচ্চ বিদ্যালয়

বিএনপির সাংগঠনিক সভায় ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতি ঘিরে বিতর্ক

ঝালকাঠির সদর উপজেলার কীর্তিপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সভায় আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আবদুর রহিম মিয়ার উপস্থিতি এবং বিএনপি নেতাদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনা শুরু হয়েছে।বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে কীর্তিপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সভাকক্ষে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম এজাজ হাসান। সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আনিসুজ্জামান চপল এবং পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শরিফুল হক মিয়া।সভায় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. খোকন মল্লিক, প্রচার সম্পাদক আজিজুল হকসহ দলটির স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন। ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতারাও সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।তবে সভার আলোচনার বাইরে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আবদুর রহিম মিয়ার উপস্থিতি। তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ কয়েকজন নেতাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।বিএনপির স্থানীয় একটি অংশ অভিযোগ করেছে, এর পেছনে আর্থিক লেনদেন থাকতে পারে। তবে অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।স্থানীয়দের কেউ কেউ জানান, আবদুর রহিম মিয়া দলীয় প্রতীকে নয়, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘আনারস’ প্রতীকে নির্বাচন করে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন বলেও তারা উল্লেখ করেন।এ বিষয়ে আবদুর রহিম মিয়া বলেন, তার পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আগ্রহ রয়েছে। অতীতে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের কর্মসূচিতে অংশ নিতে হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম এজাজ হাসান বলেন, দলের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী বর্তমানে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি বা দলে যোগদানের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তার ভাষ্য, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সভায় সৌজন্যবশত ইউপি চেয়ারম্যান ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং এতে দলীয় নীতিমালার বাইরে কোনো কার্যক্রম হয়নি।স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এ ঘটনাকে ঘিরে কীর্তিপাশা ইউনিয়নের রাজনীতিতে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে।

বিএনপির সাংগঠনিক সভায় ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতি ঘিরে বিতর্ক

ডোমারের চিলাহাটিতে পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার নষ্ট, অন্ধকারে প্রায় ২০টি পরিবার

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের গোসাইগঞ্জ ঝাকুয়াপাড়া এলাকায় পল্লী বিদ্যুতের একটি ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়ে যাওয়ায় প্রায় ২০টি পরিবার বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাত থেকে পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ বিদ্যুতের একটি ফেজ চলে যায়। পরে ফেজ চালু করার চেষ্টা করলে ট্রান্সফরমার থেকে বিকট শব্দ শোনা যায়। বিষয়টি পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ট্রান্সফরমারটি নষ্ট হয়ে গেছে বলে নিশ্চিত করেন।এদিকে ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে যাওয়ায় এলাকার প্রায় ২০টি পরিবার বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু, শিক্ষার্থী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং সাধারণ গ্রাহকরা নানা ধরনের দুর্ভোগে পড়েছেন। দৈনন্দিন কাজকর্মের পাশাপাশি মোবাইল চার্জ, পানির মোটর ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারেও সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় যুবক রওশন আলী বলেন, "গত রাত থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় আমরা খুব সমস্যার মধ্যে পড়েছি। দৈনন্দিন কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ লাইন সচল করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।"এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতের চিলাহাটি অভিযোগ কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা বলেন, "ট্রান্সফরমার নষ্ট হওয়ার বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। বিষয়টি ইতোমধ্যে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।"স্থানীয়দের দাবি, নতুন ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপন বা মেরামতের কাজ শেষ হতে ২ থেকে ৩ দিন সময় লাগতে পারে বলে তাদের জানানো হয়েছে। তাই দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

ডোমারের চিলাহাটিতে পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার নষ্ট, অন্ধকারে প্রায় ২০টি পরিবার

জুলাই শহীদদের স্মরণে বড়লেখায় মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু

জুলাই শহীদদের স্মরণে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলাজুড়ে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করেছে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি,বড়লেখা উপজেলা শাখা।বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ঘোলষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৌরভ গোস্বামী প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি,বড়লেখা উপজেলা শাখার সভাপতি নুরুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সমিতির নেতা বদরুল ইসলাম।বক্তারা বলেন,জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাঁদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে বৃক্ষরোপণের মতো পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ। একটি সবুজ, নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান তাঁরা।অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ,প্রধান শিক্ষক নাজিম উদ্দীন,সহকারী শিক্ষক সমিতির সহসভাপতি মানিক দেব নাথ,বিপ্রজিৎ কাপালি, ইকবাল হোসেন ও আবদুল করিম।এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক সঞ্জিত দেব নাথ,সহসাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত কুমার পাল,ছাদ উদ্দিন ও আহমেদ ফারুক,সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলমগীর হোসেন, আবদুস সালাম,উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য শুভ্র দেব এবং সমিতির সদস্য প্রবীর দাস,রবীন্দ্র নাথ,দেলোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা।সমিতির নেতারা জানান,আগস্ট মাসজুড়ে বড়লেখা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে জুলাই শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে শিক্ষকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ আরও জোরদার হবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।

জুলাই শহীদদের স্মরণে বড়লেখায় মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান: পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা

৫ আগস্ট ২০২৪ সালের সময় দুপুর ১২ টা, রাস্তায় বের হয়ে দেখি আওয়ামী লীগের কর্মীরা লাঠি শোঠা হাতে নিয়ে রাস্তায় টহল দিচ্ছে। এরপর চারিদিকে খবর ছড়িয়ে পড়লো হাসিনা নাকি পদত্যাগ করবে। একটু পরেই দেখি আওয়ামীলীগের কর্মীরা রাস্তায় নাই। ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় দৌড়িয়ে  টিভির সামনে গিয়ে দেখি টিভির স্কোলিং যাচ্ছে, দুপুর দুইটার সময় সেনাবাহিনীর প্রধান জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিবে। তখনই বুঝতে পারলাম যে, হাসিনার পতন হয়েছে। একটু পরেই দেখি টিভিতে লাইভ দেখাচ্ছে গণভবনে লাখো মানুষের স্রোত, আর একটু পরে দেখা গেল হাসিনা হেলিকপ্টারে পালিয়ে যাচ্ছে। এর পরেই সারাদেশে মানুষের মধ্যে একটা আনন্দ-উল্লাস, উদ্দীপনা, বাঁধভাঙ্গা আনন্দ। এ যেন অন্যরকম একটা বিজয়।  বিজয়ের যে একটা আনন্দ সে আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে। সবাই রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছে, নারী-পুরুষ থেকে শুরু করে সব স্তরের মানুষ। বাংলাদেশের প্রত্যেকটা অলিতে, গলিতে,রাস্তায় মানুষের ঢল। সবাই তার বাঁধভাঙ্গা উল্লাস প্রকাশ করছে, সবাই মিছিল দিচ্ছে, শেখের বেটি পালিয়ে গেছে, শেখের বেটি পালিয়ে গেছে,  হৈ হৈ রই রই শেখ হাসিনা গেলি কই। ইন্টারনেট বন্ধ করে হাসিনা ছাত্রদের উপরে যে নির্যাতন হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল এরপরে যখন সে পালিয়ে গেল তখন আনন্দ উল্লাসের মুহূর্ত উপভোগ করতে গিয়ে চোখ দিয়ে অশ্রু বেরিয়ে গিয়েছিল। সেদিন এমন কোন মানুষ ছিল না যারা এই আনন্দটা উপভোগ করেনি, শুধু আওয়ামী লীগের সমর্থক ছাড়া। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এর এই স্বৈরাশাসকের বিদায় ও গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সারা জীবন মনে রাখবে বাংলার লাখো কোটি জনতা।  ইতিহাস হয়ে থাকবে ছাত্র-জনতার এই অভ্যুত্থান। ছাত্র জনতার এই ৩৬  দিনের গণ আন্দোলনে শেখ হাসিনা পালাতে বাধ্য হয়েছিল। তাই এই দিনটি বাংলাদেশের মানুষের কাছে চীর স্মরণীয় হয়ে থাকবে ।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান: পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা

জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪১৬ প্রাণহানি: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই মাসে দেশে ৪৫৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪১৬ জন নিহত এবং ৬২৯ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীর সংখ্যা ১৩৮, যা মোট মৃত্যুর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।সংগঠনটির প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোট নিহতের ৩৩ দশমিক ১৭ শতাংশ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার। এ ছাড়া নিহতদের মধ্যে ৫৭ জন নারী, ৪৮ জন শিশু, ১০৬ জন পথচারী এবং ৫১ জন বিভিন্ন যানবাহনের চালক ও সহকারী রয়েছেন।প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই মাসে সবচেয়ে বেশি ১৩৩টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১২৫ জন।একই সময়ে দেশে ১৩টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৯ জন এবং ২৯টি রেল দুর্ঘটনায় আরও ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, অতিরিক্ত গতি, অদক্ষ চালক, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, সড়কের বিভিন্ন সমস্যা এবং দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাই দুর্ঘটনার প্রধান কারণ।সংগঠনটি নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার, দক্ষ চালক তৈরিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং সব যানবাহনে আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেছে।

জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪১৬ প্রাণহানি: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন