গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির প্রভাবে রাজধানীতে চড়তে শুরু করেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। মান ও আকারভেদে প্রায় প্রতিটি সবজি কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেশিতে বিক্রি হচ্ছে। সবজির পাশাপাশি এই সপ্তাহে ক্রেতাদের বাড়তি পকেট কাটতে হচ্ছে মুরগি ও চাল কিনতে গিয়ে।
আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বৃষ্টির মধ্যেও রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে ক্রেতাদের নিয়মিত ভিড় দেখা গেছে। তবে বিক্রেতারা বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কম থাকার অজুহাত দিয়ে দাম বাড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।
এক নজরে আজকের বাজার দর (১০ জুলাই, ২০২৬)পণ্যের নামবর্তমান দাম (টাকা)আগের চেয়ে পরিবর্তনসবজি ও মরিচআলু (প্রতি কেজি)২৫ টাকা ৫ টাকা বেড়েছেকরলা (প্রতি কেজি)৬০ – ৮০ টাকা ১০ টাকা বেড়েছেপটোল (প্রতি কেজি)৫০ – ৬০ টাকা ১০ টাকা বেড়েছেকাঁচামরিচ (প্রতি কেজি)৮০ – ১৬০ টাকাঝাল ও মানভেদে চড়াপেঁপে (প্রতি কেজি)৫০ টাকাঅপরিবর্তিতলাউ (প্রতিটি)৫০ টাকাচড়া দামকাঁচা কলা (প্রতি হালি)২০ টাকাকিছুটা স্বাভাবিকমাংস ও চালব্রয়লার মুরগি (কেজি)১৭০ – ১৯০ টাকা ১০ টাকা বেড়েছেসোনালি মুরগি (কেজি)৩৪০ – ৩৬০ টাকাচড়া দামমিনিকেট চাল (কেজি)৭৫ টাকাআগের মতোই বাড়তিচিনিগুঁড়া চাল (কেজি)২০০+ টাকাদ্বিশতক পারমাছের বাজার কিছুটা স্থিতিশীলসবজি ও মুরগির বাজারে উত্তাপ ছড়ালেও মাছের বাজারে বড় কোনো ওলটপালট দেখা যায়নি। আগের সপ্তাহের দামেই বিক্রি হচ্ছে বেশিরভাগ মাছ:রুই মাছ: আকারভেদে ৩০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি।
তেলাপিয়া ও চাষের কৈ: ২০০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি।পাঙাশ: আকারভেদে ১৮০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি।চিংড়ি: মানভেদে ৮০০ থেকে ১,২০০ টাকা কেজি।শাকের বাজারে স্বস্তিবর্ষাকাল হওয়ায় বাজারে শাকের সরবরাহ বেশ ভালো। ফলে শাকের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যেই রয়েছে।
লাল শাক প্রতি আঁটি ১০ টাকা এবং পুঁইশাক ১৫ টাকায় মিলছে।ক্রেতাদের ক্ষোভ:বাজারে আসা সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, চালের দাম আগে থেকেই কেজি প্রতি ৩ টাকা বাড়তি ছিল, যা এখনো কমেনি। তার ওপর বৃষ্টির দোহাই দিয়ে সবজি ও মুরগির দাম বাড়িয়ে দেওয়ায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের ওপর চাপ আরও বাড়ল।

