আবদুল্লাহ আল শাহিদ খান, ববি প্রতিনিধি;
সাম্প্রতিক বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সপ্তম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওশানোগ্রাফির ডিন প্রফেসর ড. মামুন অর রশিদ। তার নিয়োগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে অনেক কিছু প্রত্যাশা করেন । তিনি এর আগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তাই শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা একটু বেশি তার প্রতি।
শিক্ষার্থীরা মনে করেন, নতুন ভিসি ক্যাম্পাসে সমস্যা, সংকট ও সম্ভাবনার জায়গাগুলো খুব কাছ থেকে দেখেছেন। ফলে শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবেন তিনি।
নতুন উপাচার্য নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভাবনা ও তার কাছে প্রত্যাশা নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছেন Bangal FM এর ববি প্রতিনিধি আবদুল্লাহ আল শাহিদ খান।
২০২১ -২২ শিক্ষাবর্ষের গনযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নাজমুল ঢালী বলেন, ” নব নিযুক্ত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড.হারুন উর রশিদ স্যারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা সর্বদা ক্যাম্পাসের সংকটাপন্ন অবস্থা নিরসনে দৃঢ় ভাবে কাজ করবেন। একাডেমিক অগ্রগতি,প্রশাসনিক সুস্থ ব্যবস্থাপনা,অবকাঠামোগত উন্নয়ন ইত্যাদি ব্যাপারে সর্বদা সচেষ্ট থাকবেন। দল মত নির্বিশেষে শিক্ষার্থীবান্ধব হবেন। অপরাজনীতি,চাটুকারিতা,অযোগ্যদের অগ্রাধিকার থেকে দূরে থাকবেন। সার্বিক কল্যাণে তিনি নিবেদিত প্রাণ থাকবেন এটাই আমাদের চাওয়া।”
২০২৩ শিক্ষাবর্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী অলিভ খান বাপ্পি বলেন,, ” বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থানরত একজন সার্বক্ষণিক প্রশাসক।
১. একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি কে অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থকে সবার আগে রাখতে হবে। যেই স্বার্থের মধ্যে শিক্ষার্থীদের উন্নয়ন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক বিষয়গুলো সংযুক্ত থাকবে।
২ . বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় বিগত সময় গুলোতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বলেন অথবা শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলেন অথবা সেই রাজধানী ঢাকার কথাই বলেন সবখান থেকেই এক ধরনের বঞ্চনার শিকার হয়েছে- বর্তমান ভিসিকে অবশ্যই কেন্দ্রের সাথে একটা সমমর্যাদার সম্পর্ক গঠন করতে হবে। বিগত সময়ের মতো কেন্দ্র থেকে আমরা লাঞ্ছনা বঞ্চনা পেতে চাই না। আমরা আমাদের কেন্দ্র থেকে আমাদের ন্যায্য পেতে চাই, যেটা সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করে একজন সুদক্ষ এবং কারিশমেটিক ভিসির উপর।”
২০২১ -২২ সেশনের বাংলা বিভাগের মোহাম্মদ রাজীব বলেন, ” নবনিযুক্ত ভিসি যিনি এর পূর্বেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের দায়িত্বে থেকে অব্যাহতি পেয়েছিলেন। আশাকরি, সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে এবং নিজের এলাকার বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকটগুলোকে মোকাবেলা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি আমুল পরিবর্তন ঘটিয়ে শিক্ষার্থীদের মনে জায়গা করে নিবেন। আমরা বিশ্বাস করতে চাই শিক্ষার্থীরা যতটুকু অসন্তোষ প্রকাশ করছে, তার ইতিবাচক কাজের মাধ্যমে তিনি তার থেকেও বেশি সন্তুষ্টি অর্জন করে নিবেন শিক্ষার্থীদের কাছে।”
২০২২- ২৩ সেশনের গনযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অমিও মন্ডল বলেন, ” বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের যে আবকাঠামোগত ভঙ্গুর অবস্থা এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে বর্তমান ভিসিকে আমি বলবো, আগামীকাল থেকেই পদক্ষেপ নিতে। ১৩৯ একর জমির যে রিএসেসমেন্টের কাজ হয়েছে, এই ফাইল প্রজেক্ট তৈরি করে ইউজিসিতে পাশ করানো তার পরম দায়িত্ব।
আর যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ফেজের আবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজের প্রজেক্ট ডেভেলপমেন্টর দায়িত্বে তাকে কাজের ব্যাপারে, সতর্ক করে দিতে। তিনি তার কাজের মেয়াদ শেষ করে ফেলেছে, এখনও যদি সময় নিতে চান তাহলে তার এই কাজ করার দরকার নাই, তাকে যেনো বাদ দিয়ে দেওয়া হয়।”
২০২৩- ২৪ শিক্ষাবর্ষের ইতিহাস বিভাগের মোঃ শিহাব উদ্দিন বলেন, ” আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই দেখে আসছি যে আমাদের প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয় নানা সমস্যায় জর্জরিত। একের পর এক ভিসি পরিবর্তন হলেও শিক্ষার্থীদের মৌলিক সমস্যাগুলোর খুব বেশি সমাধান হয়নি। তাই নতুন উপাচার্য স্যারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক। আমরা চাই চলমান সংকটগুলোর দ্রুত ও কার্যকর সমাধান হোক। আমরা এমন একটি প্রশাসন চাই, যেখানে শিক্ষার্থীদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং যেকোনো সমস্যা সমাধানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। ক্যাম্পাসে যেন নিরাপদ ও সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ বজায় থাকে, সেটিও আমাদের বড় প্রত্যাশা। সবচেয়ে বড় কথা, আমরা চাই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক, গবেষণাভিত্তিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হোক। আমরা বিশ্বাস করি, আন্তরিকতা ও সঠিক নেতৃত্ব থাকলে এই বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে। আশা করি উপাচার্য স্যারের নেতৃত্বে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় নতুন সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাবে। ”
গনযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের আবদুল্লাহ মাহমুদ জীম বলেন, “বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে নতুন উপাচার্যের কাছে আমাদের প্রধান প্রত্যাশা হলো—তিনি যেন শিক্ষার্থীদের সমস্যা ও দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে শোনেন এবং বাস্তবসম্মত সমাধানে কাজ করেন। গত দুই বছরে একাধিকবার উপাচার্য পরিবর্তনের ঘটনা প্রমাণ করে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগের ঘাটতি ছিল। আমরা চাই নতুন উপাচার্য এমন একটি শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবেন, যেখানে শিক্ষার্থীরা স্বাধীনভাবে নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারবে এবং যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে সেশনজট নিরসন, আবাসন সমস্যা, শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধি এবং ক্যাম্পাসে একটি সুস্থ সাংস্কৃতিক ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়েও আমরা কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, উপাচার্য যেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও প্রশাসনের মধ্যে একটি আস্থার সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেন। ”
২০২২ -২৩ সেশনের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের আশিক উদ্দিন বলেন”সেশন জট নিরসনে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। এছাড়া, ভবিষ্যতে শিক্ষার পরিবেশ যেন ব্যাহত না হয়, সেজন্য সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামোর মাধ্যমে শিক্ষকদের পদোন্নতিসহ সংশ্লিষ্ট সমস্যার সমাধান করতে হবে। দীর্ঘদিনের আবাসন ও ক্লাসরুম সংকট দূরীকরণে প্রশাসনকে আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে। একই সাথে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে সিট সংকট দূর করতে আসন সংখ্যা বৃদ্ধি এবং পর্যাপ্ত বইয়ের ব্যবস্থা করা জরুরি। হলের খাবারের মান অত্যন্ত নিম্নমানের। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় খাবারের মান উন্নয়ন এবং মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা প্রয়োজন। একটি বিভাগীয় বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও এখানে আধুনিক কোনো ব্যায়ামাগার নেই। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে দ্রুত শরীরচর্চার সুযোগ নিশ্চিত করা উচিত। প্রস্তাবিত জমি অধিগ্রহণ, একাডেমিক ভবন নির্মাণসহ যাবতীয় উন্নয়নমূলক কাজের দ্রুত বাস্তবায়ন দেখতে চাই। শিক্ষার্থীদের এই যৌক্তিক প্রত্যাশাগুলো পূরণে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন—এটাই আমাদের মূল দাবি।”
২০২৩ -২৪ শিক্ষাবর্ষের বাংলা বিভাগের মোহাম্মদ ইমাম হোসেন বলেন,, ” আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ বছর পার হলেও আমাদের দেওয়া ৫ টা দাবি ও পূরণ হয় নাই ।যদি জিজ্ঞেশ করা হয় এত এত দাবি কিসের? তাহলে ইউজিসি কে একবার স্বচক্ষে পরিদর্শন করার অনুরোধ করব ।একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মানের কোন কোন সুবিধা গুলো তারা আমাদের দিয়েছে ।সব চেয়ে প্রকট যে বিষয়টা সেটা হলো
১.ক্লাসরুম সংকট (ডিপার্টমেন্ট ২৫ টা ক্লাসরুম ৩৫ টা ) যার কারণে যত চেষ্টা ই আমাদের শিক্ষকরা করুক না কেনো,৪ বছরে আমাদের বের হওয়া হবে না ।
২.হল সংকট (আর যেই হল আছে ,এক রুমে ৮ জন যেখানে ৪ জন থাকা ই কষ্টকর ।বিশ্ববিদ্যালয়ে কেনো পড়ে শিক্ষার্থীরা যাতে একটা পড়ালেখার উন্মুক্ত সুযোগ পায় কিন্তু এখানে যখন ১ রুমে ৮ জন তখন আপনি কীভাবে পড়া লেখা করবেন?
৩।বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ রাস্তা গুলোর অবস্থা সেই আমার নানা বাড়ির ইটের রাস্তার মতো ।কেউ ভরা পেটে গাড়ি নিয়া গেলে ঝাঁকিতে খালি হয়ে যেতো ।যদিও আমার নানা বাড়ির রাস্তা এখন ঠিক হইছে কিন্তু এখানের টা ঠিক হয় নাই ।
৪।একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়তন অনেক অনেক কলেজ এর আয়তন এর চেয়েও কম ।নাম উল্লেখ করলাম না ।কিন্তু যত দ্রুত সম্ভব আয়োজন বৃদ্ধি করতে হবে ।
৫।আমার বাড়ির পাশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস রুমে ডিজিটাল বোর্ডে ক্লাস হলেও আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরে এখনো হোয়াইট বোর্ডে খুব ফিল নিয়ে পড়া লেখা করি ।
৬।বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় যদিও এর আগে ৩/৪ টা স্টুডেন্ট মারা গেছে কিন্তু এতে মনে হয় কর্তৃপক্ষের মন মত হয় নি ।তারা হয়তো আরও চায় । তাই তারা রাস্তার পাশে ফুটপাথ ও করে না আর রাস্তা সম্প্রসারণ ও করে না ।
৭।এমন ডিপার্টমেন্ট এর নাম ও শুনেছি যেখানে নাকি মাত্র ২/৩ জন শিক্ষক ,চিন্তা করতে পারেন? ৪/৫ টা ব্যাচ এর ক্লাস পরীক্ষা খাতা দেখা সব কিছু এই দুই / তিন জন শিক্ষক করে ।কিন্তু শিক্ষক বাড়ানো হচ্ছে না ।
৮।বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ রাস্তার পাশে ড্রেইন করে সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে নজর দেওয়া।
৯।হলের ডাইনিং এ খাওয়ার চেয়ে বাইরে এখনো খেতে কম টাকা লাগে ।আর খাবারের মান নিয়ে কিছু বললাম না ।তবে এখন বাইরের মতো এখানেও লেখা থাকে ১০ টাকার নিচে কোনো সবজি নাই ।
১০। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এত এত ক্যাডার,আইনজীবী বের হলেও তারা লাইব্রেরি ফ্যাসিলিটিজ বলতে কিছুই দিচ্ছে না ।১০ হাজার প্লাস শিক্ষার্থী ২০০/২৫০ লাইব্রেরি সিট ।তাইলে এইটা কেমনে পড়া লেখার পরিবেশ হয় !
১১।আগামী ১ বছরের মধ্যে আমাদের দেওয়া আগের দাবিগুলো পূরণ করতে হবে ।
১২।পরিবহন সংকট নিরসন করা ।”
২০২৩-২৪ সেশনের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রেজওয়ান আহমেদ বলেন, “প্রথমত আমাদের সেশনজট মুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি আমাদের ক্লাস রুম সংকট দূর করতে হবে।আবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে হবে। শিক্ষর্থীদের আবাসন সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে এজন্য একাধিক হল নির্মাণ করতে হবে। লাইব্রেরীতে পর্যাপ্ত বই রাখতে হবে। রিডিং রুমের সিট বৃদ্ধি করতে হবে।”
২০২৩ -২৪ সেশনের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জোবায়ের জনি বলেন, ” নতুন ভিসি কাছে থেকে আমার প্রত্যাশা…
১. একাডেমি বিল্ডিং।
২. শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত হলের ব্যবস্থা।
৩. বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য ফুল গাছ লাগানো এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা।
৪. ক্যাম্পাসের ভেতরের ঝোপঝাড় পরিস্কার করে, বিভিন্ন ধরনের দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ গড়ে তোলা।
৫. ফুটওভার ব্রিজ
৬. রিসার্চের জন্য ল্যাবের ব্যবস্থা ও অর্থিক সহায়তা প্রদান।
৭. একটি সুন্দর লাইব্রেরি যেখানে প্রচুর বই থাকবে, নন-ফিকশন থেকে শুরু করে একাডেমিক।
৮. মেডিকেল সেন্টার উন্নত করা, যেখানে পর্যাপ্ত ঔষধ থাকবে। “

