নৈতিক স্খলনের দায়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম বহিষ্কৃত হওয়ার পর থেকেই ওই আসনটিতে উপনির্বাচনের নতুন হাওয়া বইতে শুরু করেছে।
সংসদ সদস্য পদ শূন্য হওয়ার আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যেই সম্ভাব্য উপনির্বাচনে অংশ নেওয়ার আনুষ্ঠানিক ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন দেশের আলোচিত ও বিতর্কিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন আলম (হিরো আলম)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো এক অডিওবার্তায় তিনি স্পষ্ট জানান, যেখানেই নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু ভোটের সুযোগ আসবে, সেখানেই তিনি প্রার্থী হবেন।
“কোথাও উপনির্বাচন হলেই দাঁড়াব” এক বার্তায় নিজের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা ও উপনির্বাচনে লড়াইয়ের ইচ্ছা প্রকাশ করে হিরো আলম বলেন:“আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল এমপি হওয়ার। আমি চেয়েছিলাম, যদি কখনো সুষ্ঠু নির্বাচন হয় তবে আমি ভোটের মাঠে নামব।
এখন যেখানেই উপনির্বাচন হবে, সেখানেই আমি প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াব। কয়েকবার নির্বাচনে লড়াই করেছি, লড়াইয়ে জয়ও দেখেছি। এবার এই উপনির্বাচনে দেখি জনগণ কী রায় দেয়।” অডিওবার্তায় তিনি আরও যোগ করেন, অতীতের রাজনৈতিক সংঘাতের স্মৃতি টেনে তিনি দেখতে চান এবার জামায়াত, বিএনপি নাকি এনসিপি—কারা তাঁর নির্বাচনী প্রচারণায় আক্রমণ বা বাধা সৃষ্টি করে।
হিরো আলমের নির্বাচনী ইতিহাস ও সাতক্ষীরার প্রেক্ষাপট হিরো আলম এর আগেও বগুড়া এবং ঢাকা-১৭ আসনসহ একাধিক জাতীয় ও উপনির্বাচনে স্বাধীন (স্বতন্ত্র) প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে দেশজুড়ে রাজনৈতিক চৰ্চায় উঠে এসেছিলেন।অন্যান্য দলগুলো যেখানে সংসদ সদস্য পদ শূন্য ঘোষণা ও নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে, সেখানে হিরো আলমের এই আগাম প্রার্থিতার ঘোষণা সামাজিক মাধ্যম ও স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।

