Bangla FM
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • কলাম
  • ভিডিও
  • অর্থনীতি
  • ক্যাম্পাস
  • আইন ও আদালত
  • প্রবাস
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
Bangla FM

সভ্যতা পাল্টে দেয়া জীববিজ্ঞানী চার্লস ডারউইনের ১৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

Bangla FM OnlinebyBangla FM Online
১০:৪২ am ১৯, এপ্রিল ২০২৬
in Semi Lead News, কলাম
A A
0

সৈয়দ আমিরুজ্জামান 

১৯ এপ্রিল সভ্যতা পাল্টে দেয়া জীববিজ্ঞানী ও বিবর্তনবাদের প্রবক্তা চার্লস ডারউইনের ১৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী।

চার্লস ডারউইনই প্রথম প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে বিবর্তনবাদের ধারণা দেন। তিনি অনুধাবন করেন যে সকল প্রকার প্রজাতিই কিছু সাধারণ পূর্বপুরুষ হতে উদ্ভূত হয়েছে এবং তার এ পর্যবেক্ষণটি সাক্ষ্য-প্রমাণ দিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন। বিবর্তনের এই নানান শাখা-প্রশাখায় ভাগ হবার বিন্যাসকে তিনি প্রাকৃতিক নির্বাচন হিসাবে অভিহিত করেন। তার জীবদ্দশাতেই বিবর্তনবাদ একটি তত্ত্ব হিসাবে বিজ্ঞানী সমাজ ও অধিকাংশ সাধারণ মানুষের কাছে স্বীকৃতি লাভ করে। তবে ১৯৩০ থেকে ১৯৫০-এর মধ্যে বিকশিত আধুনিক বিবর্তনিক সংশ্লেষের মাধ্যমে বিবর্তন প্রক্রিয়ায় প্রাকৃতিক নির্বাচনের গুরুত্ব পূর্ণরূপে অনুধাবন করা সম্ভব হয়। পরিবর্তিত রূপে ডারউইনের বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ছিল জীববিজ্ঞানের একত্রীকরণ তত্ত্ব, যা জীববৈচিত্রের ব্যাখ্যা প্রদান করে।

চার্লস রবার্ট ডারউইন তাঁর পরিবারিক বাড়ি, দ্য মাউন্টে ১৮০৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের এক ধনী ও প্রভাবশালী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

বিবর্তন নিয়ে কুতর্কের হোক অবসান। শুরুটা করেছিল ‘দ্যা হরনেট’ ম্যাগাজিন। ১৮৭১ সালে। তারা একটি ওরাং ওটাং এর মুখের স্থানে ডারউইনের মুখ বসিয়ে কার্টুন ছেপে দিলো। আর তখন থেকেই বিবর্তন নিয়ে হাসাহাসি শুরু। পশ্চাদপদ কিছু মানুষ মনে করে বিবর্তন মানেই হলো বানর থেকে মানুষ হয়ে যাওয়া। তারা অনেকেই ভাবে অন্য কোন প্রাণীর কোন বিবর্তন হয়নি, শুধুমাত্র বানর যে মানুষ হয়েছে এটাই বিবর্তন। এই অল্পবিদ্যার মানুষগুলো বিবর্তনকে ‘বানর থেকে মানুষ’ হওয়া বলে ঠাট্টা করতে লাগলো।

তারা আসলে কী ভাবে? তারা কি মনে করে দুটো বানর রাতে গভীর ঘুমে ছিলো। সকালে উঠে দেখলো তাদের লেজ খসে পড়েছে, তাদের গায়ের লোম সব ঝরে গেছে। তাদের পা লম্বা হয়ে গেছে। তারা দুই পায়ে হাটা শিখে গেছে। শুধু তাই নয় তারা মাংস খাওয়াও শিখে গেছে। তাদের মন মানসিকতার পরিবর্তন ঘটে গেছে। তাদের আর এ গাছে ও গাছে লাফাতে, ভেংচি কাটতে ভালো লাগছেনা! তারা কথা বলা শিখে গেছে! তারা আগুন জ্বালানো শিখে গেছে! তারা রান্না করা শিখে গেছে! আর এ সবই ঘটে গেছে এক রাতের ভেতর!
বিবর্তনবাদ বলতে এমনটাই মনে করে তারা। আপনি যদি ন্যুনতম যুক্তিবোধ সম্পন্ন মানুষ হন তাহলে হয়তো এসব শুনে আপনার হাসি আসবে। কিন্তু তারা এমন সব অলৌকিক ঘটনায় বিশ্বাস করে অভ্যস্ত। তাই তাদের দ্বারা এমনটা ভাবা খুবই সম্ভব। তাই তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে তারা মাঝে মাঝেই বলে “এখনকার বানরগুলো মানুষ কেন হচ্ছেনা? কোনদিন তো দেখলাম না কোন বানরকে মানুষ হতে।” অকাট্য যুক্তি বটে। এখনকার বানরগুলো রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠে কেনো তারা মানুষ হয়ে যাচ্ছেনা? এখনকার মুরগীগুলো কেন হাতি হচ্ছেনা? এখনকার টিকটিকিগুলো কেন তিমি মাছ হচ্ছেনা? কিংবা ছাগলগুলো কেন তেলাপোকা হচ্ছেনা? তার মানে বিবর্তনবাদ মিথ্যা।
কিন্তু বিবর্তন তত্ত্ব এগুলোর কিছুই দাবি করে না। বিবর্তন কোটি বছরের ফসল, হাজার বছরের না।

বিবর্তন তত্ত্ব ছাড়া পৃথিবীর জীববিজ্ঞানের ধারা অচল এটা তারা জানেই না। বিবর্তন শুধুই একটি থিওরি বা তত্ত্ব নয়। এটি পর্যবেক্ষণযোগ্য প্রাকৃতিক ঘটনা। বিবর্তন বলতে জীবজগতের উন্নতি বোঝায় না; বিবর্তন হচ্ছে পরিবর্তন, সাধারণ পরিবর্তন নয়, ডারউইনের ভাষ্যমতে এটি “পরিবর্তন সংবলিত উদ্ভব”। এই পরিবর্তন ইতিবাচক, নেতিবাচক কিংবা নিরপেক্ষ হতে পারে। এটি নির্ভর করে পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা পরিবেশের উপর।

বিবর্তনের কোন সুনির্দিষ্ট্য লক্ষ্য নেই। ‘বিপরীতমুখীন’ কিংবা ‘পশ্চাৎ বিবর্তন’ (Backward Evolution অথবা De-evolution) বলেও কোন জিনিস নেই; একইভাবে নেই ‘সম্মুখ বিবর্তন’-এর মত কোন জিনিসও। অর্থাৎ বিবর্তন কোন নির্দিষ্ট দিকে চালিত হয় না। বিবর্তন কোন তাৎক্ষণিক প্রক্রিয়া নয়। বিবর্তন নিরবচ্ছিন্নভাবে চলমান প্রক্রিয়া। এটি একটি অত্যন্ত ধীর প্রক্রিয়া। একটি দৃশ্যমান বা চোখে পড়ার মত বড় ধরনের পরিবর্তনের জন্য সাধারণত লক্ষ লক্ষ বছর লেগে যায়। একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন সাধিত হওয়ার জন্য একটি জীবগোষ্ঠীকে হাজার হাজার অন্তর্বতী অবস্থা (Transitional Forms) পার করতে হয়।

বিবর্তনের পক্ষে সাক্ষ্যপ্রমাণ অফুরন্ত বলে মনে করা হয়। বিবর্তন বা জৈব অভিব্যক্তির পক্ষে যে সমস্ত সাক্ষ্য হাজির করা যায় তা হলো:- প্রাণ রাসায়নিক প্রমাণ, কোষবিদ্যা বিষয়ক প্রমাণ, শরীরবৃত্তীয় প্রমাণ, জীবাশ্ম বা ফসিলের প্রমাণ, সংযোগকারী জীবের (Connecting Link) প্রমাণ, ভৌগোলিক বিস্তারের (Geographical Distribution) প্রমাণ, তুলনামূলক অঙ্গসংস্থানের প্রমাণ, শ্রেনীকরণ সংক্রান্ত প্রমাণ, নিষ্ক্রিয় বা বিলুপ্তপ্রায় অঙ্গের প্রমাণ ইত্যাদি। এছাড়াও ১৯৫০ সালের পর থেকে বিবর্তনের সপক্ষে সবচেয়ে জোরালো এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ পাওয়া গেছে ‘আণবিক জীববিদ্যা’ (Molecular Biology) এবং সাইটোজেনেটিক্স (Cytogenetics) থেকে। আধুনিক জীববিজ্ঞান, প্রত্নতত্ত্ববিজ্ঞান, জেনেটিক্স, জিনোমিক্স এবং আণবিক জীববিদ্যার সকল শাখাতেই বিবর্তনের পক্ষে জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে।

বিবিসি সংবাদ মাধ্যমে জানা যায় ডারউইনের জন্মের ১০০০ বছর আগে বিবর্তনবাদের তত্ত্ব দিয়েছিলেন একজন মুসলিম দার্শনিক।
চার্লস ডারউইনের জন্মের প্রায় এক হাজার বছর আগে ইরাকে একজন মুসলিম দার্শনিক জন্মেছিলেন যিনি প্রাকৃতিক নিয়মে প্রাণীকুলের মধ্যে কী ধরনের পরিবর্তন ঘটে তার উপর একটি বই লিখেছিলেন। এই দার্শনিকের নাম ছিল আল-জাহিজ। যে পদ্ধতিতে এই পরিবর্তন ঘটে তিনি তার নাম দিয়েছিলেন প্রাকৃতিক নির্বাচন।
তিনি বিখ্যাত হয়ে আছেন তারই লেখা প্রজনন সংক্রান্ত একটি বই-এর কারণে। গ্রন্থটির নাম ‘কিতাব আল-হায়ওয়ান’ অর্থাৎ প্রাণীদের বিষয়ে বই। তার জন্ম হয়েছিল ৭৭৬ সালে, দক্ষিণ ইরাকের বসরা শহরে, মুতাজিলাহ আন্দোলনের সময়। এসময় ধর্মতাত্ত্বিক কিছু মতবাদ জনপ্রিয় হচ্ছিল যেখানে মানুষের যুক্তির চর্চার উপর জোর দেওয়া হচ্ছিল। তখন ছিল আব্বাসীয় খেলাফত বা শাসনের চরম সময়। সেসময় জ্ঞান বিজ্ঞানের অনেক বই গ্রীক ভাষা থেকে আরবি ভাষায় অনুবাদ করা হতো। জোরালো বিতর্ক হতো ধর্ম, বিজ্ঞান এবং দর্শন বিষয়ে। এসবের কেন্দ্র ছিল বসরা শহর। এসব আলোচনা থেকেই ধীরে ধীরে গড়ে উঠছিল আল-জাহিজের চিন্তাধারা। আল-জাহিজ তার বইতে লিখেছেন, “টিকে থাকার জন্যে প্রাণীদেরকে লড়াই করতে হয়। লড়াই করতে হয় তাদের খাদ্যের জন্যেও এবং তারা নিজেরাই যাতে অপরের খাদ্য না হয়ে যায় সেটা নিশ্চিত করার জন্যে। এমনকি, প্রজননের জন্যেও তাদেরকে সংগ্রাম করতে হয়।”

“নিজেদের বেঁচে থাকা নিশ্চিত করতে গিয়ে পরিবেশের নানা কারণে প্রাণীরা নতুন নতুন বৈশিষ্ট্য ধারণ করে এবং এভাবেই তারা নতুন নতুন প্রজাতিতে রূপান্তরিত হয়।”

“চার্লস ডারউইন”

সভ্যতার পথে যিনি জ্বালালেন জ্ঞানের দীপ,
অন্ধকার ভেদ করে দিলেন সত্যের অনুপম নীপ,
প্রকৃতির বুক চিরে দেখালেন জীবনের গান,
তিনি সেই ডারউইন—চিরজাগ্রত মহাবিজ্ঞান।

নিস্তব্ধ প্রকৃতিতে ছিল যে রহস্যের জাল,
পাতার ফাঁকে ফাঁকে লুকিয়ে ছিল অজানা কাল,
সমুদ্রের ঢেউ যেন বলত নীরব ইতিহাস,
কোটি বছরের বুকে লেখা বিবর্তনের আভাস।

মানুষ একা নয়, তার আছে পূর্বপুরুষের ধারা,
একই সূত্রে বাঁধা জীবনের বিস্তৃত সংসার,
মাটির গন্ধে, জলে, বাতাসে, রৌদ্রের আলোক,
একই সূত্রে গাঁথা সকল প্রাণের মহাশোক-সুখ।

ডারউইন দেখালেন—পরিবর্তনই সত্য চির,
স্থির নয় কিছুই, সবই চলমান নদীর নীর,
যে টিকে থাকে, সে-ই গড়ে নতুন জীবনের রূপ,
প্রকৃতির বাছাইয়ে গড়ে ওঠে জীবনের কূপ।

প্রাকৃতিক নির্বাচনের সেই অবিরাম খেলা,
শক্তি, অভিযোজন—এই তো টিকে থাকার মেলা,
কোনো অলৌকিক রাত নয়, নয় হঠাৎ রূপান্তর,
কোটি বছরের পথে গড়ে ওঠে জীবনের অন্তর।

হাস্যরস, কটুক্তি, কুসংস্কারের কালো ঢেউ,
তার তত্ত্বকে করেছে আঘাত, করেছে নানান খেউ,
“বানর থেকে মানুষ”—এই সরল ভুল ব্যাখ্যা,
অজ্ঞতার দেয়ালে তুলে দিয়েছে মিথ্যার রেখা।

তবু সত্য থেমে থাকে না কভু মিথ্যার ভয়েতে,
বিজ্ঞান এগিয়ে চলে যুক্তির আলোর প্রভাতে,
ফসিলের স্তূপ, জিনের ভেতর, কোষের গভীর গান,
সবই বলে—বিবর্তনই জীবনের প্রধান জ্ঞান।

সমুদ্র পাড়ি দিয়ে গ্যালাপাগোস দ্বীপে গিয়ে,
তিনি দেখেছিলেন প্রকৃতিকে নতুন চোখে নিয়ে,
ফিঞ্চ পাখির ঠোঁটে লেখা খাদ্যের অভিযোজন,
সেখানেই জন্ম নিল এক অনন্য বিজ্ঞানমন।

বৈচিত্র্যের মাঝে লুকিয়ে আছে ঐক্যের বীজ,
ছোট ছোট পার্থক্যেই বদলে যায় জীবনের রীজ,
অঙ্গসংস্থান, জীবাশ্ম, জিনের ভাষার প্রমাণ,
সব মিলিয়ে দাঁড়ায় এক মহাসত্যের সম্মান।

আল-জাহিজের কলমেও ছিল সেই বীজ রোপণ,
সংগ্রামের মাঝে জীবন পায় নতুন রূপের স্বপন,
খাদ্য, টিকে থাকা, প্রজননের নিত্য লড়াই,
এই পথ ধরেই সৃষ্টি করে নতুন জীবনের ঠাঁই।

ইতিহাস জুড়ে জ্ঞানের পথে এই ধারার প্রবাহ,
ডারউইনের হাতে পেল বিজ্ঞান নতুন চাহ,
ধর্ম, দর্শন, যুক্তির মাঝে সংঘাতের আগুন,
তবু সত্য টিকে থাকে, জ্বলে ওঠে জ্ঞানের ধুন।

বিবর্তন মানে নয় কোনো উন্নতির সোপান,
এ শুধু পরিবর্তন—নিরপেক্ষ তার অবদান,
কখনো উন্নতি, কখনো ক্ষয়, কখনো শুধু রূপ,
পরিবেশের সাথে মিলে গড়ে জীবনের কূপ।

লক্ষ লক্ষ বছরে গড়ে ওঠে ক্ষুদ্র পরিবর্তন,
হাজারো ধাপে ধাপে জন্ম নেয় নতুন জীবন,
একটি রূপান্তরের পেছনে ইতিহাসের স্তর,
অদৃশ্য সময়ের স্রোতে বদলায় জীবনের ঘর।

আজকের মানুষ বহন করে অতীতের চিহ্ন,
অঙ্গের ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে আছে প্রাচীন রিহ্ন,
অপ্রয়োজনীয় অঙ্গ, জিনের নীরব স্মৃতি,
সবই বলে—বিবর্তন এক অনিবার্য গীতি।

কুসংস্কারের কুয়াশা ভেদ করো যুক্তির আলোয়,
প্রশ্ন করো, খুঁজে দেখো সত্যের দৃঢ় পালোয়,
ডারউইনের শিক্ষা শুধু তত্ত্ব নয়, দৃষ্টি,
প্রকৃতিকে বোঝার এক নির্ভীক মানবসৃষ্টি।

আজ তার মৃত্যুদিনে স্মরণ করি গভীর শ্রদ্ধায়,
জ্ঞান যে মুক্তি দেয়—এই সত্যে দাঁড়াই প্রত্যয়,
সভ্যতার পথে তিনি এক অনন্ত আলোকধারা,
তার চিন্তায় আজও জাগে বিজ্ঞানীর জাগ্রত তারা।

যতদিন প্রশ্ন থাকবে, ততদিন তার জয়,
যতদিন সত্য খোঁজা, ততদিন নেই ক্ষয়,
ডারউইন বেঁচে থাকবেন প্রতিটি গবেষণায়,
প্রতিটি যুক্তির মাঝে, প্রতিটি জ্ঞানের আলোয়।

এসো আমরা ভাঙি অজ্ঞতার সব দেয়াল,
যুক্তির আলোয় গড়ি ভবিষ্যতের রূপকথার জাল,
বিবর্তনের গান গাই বিজ্ঞানের দৃঢ় তানে,
ডারউইনের স্বপ্ন বাঁচুক মানবতার প্রাণে।
—(ডারউইন, —সৈয়দ আমিরুজ্জামান)

ডারউইনের বিবর্তনবাদের সাথে মিলে যায় আল জাহিজের তত্ত্ব। বিবর্তনতত্ত্ব আর সৃষ্টিতত্ত্ব সর্বদাই সাংঘর্ষিক।
১৮৮২ সালের ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় ইংল্যান্ডে ৭৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। সভ্যতা পাল্টে দেয়া জীববিজ্ঞানী চার্লস ডারউইনের মৃত্যুবার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা ও অভিবাদন!

#
সৈয়দ আমিরুজ্জামান
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট;
বিশেষ প্রতিনিধি, দ্য ফিনান্সিয়াল পোস্ট (ইংরেজি দৈনিক) ও সাপ্তাহিক নতুনকথা;
সম্পাদক, আরপি নিউজ;
কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, জাতীয় কৃষক সমিতি;
‘৯০-এর মহান গণঅভ্যুত্থানের সংগঠক ও সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী।
সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ খেতমজুর ইউনিয়ন।
সাধারণ সম্পাদক, মাগুরছড়ার গ্যাস সম্পদ ও পরিবেশ ধ্বংসের ক্ষতিপূরণ আদায় জাতীয় কমিটি।
প্রাক্তন সভাপতি, বাংলাদেশ আইন ছাত্র ফেডারেশন।
E-mail : syedzaman.62@gmail.com
WhatsApp : 01716599589
মুঠোফোন: ০১৭১৬৫৯৯৫৮৯

Tags: জীববিজ্ঞানী চার্লস ডারউইনসৈয়দ আমিরুজ্জামান
ShareTweetPin

সর্বশেষ সংবাদ

  • চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র এজিএম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
  • প্রতারকের খপ্পরে পরে সর্বশান্ত ৩ পরিবার
  • ডিএসটিএস’র নবগঠিত কমিটি গঠন
  • পঞ্চগড়ের ৫০ টি নদ-নদী গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশনা লেখক কর্মশালা
  • সাতক্ষীরায় প্রভাব খাটিয়ে উচ্ছেদের অভিযোগ

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুর ইসলাম (রাশেদ মানিক)
নির্বাহী সম্পাদক: মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ

বাংলা এফ এম , বাসা-১৬৪/১, রাস্তা-৩, মোহাম্মদিয়া হাউজিং লিমিটেড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ

ফোন:  +৮৮ ০১৯১৩-৪০৯৬১৬
ইমেইল: banglafm@bangla.fm

  • Disclaimer
  • Privacy
  • Advertisement
  • Contact us

© ২০২৬ বাংলা এফ এম

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • প্রবাস
  • ভিডিও
  • কলাম
  • অর্থনীতি
  • লাইফস্টাইল
  • ক্যাম্পাস
  • আইন ও আদালত
  • চাকুরি
  • অপরাধ
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • ফটোগ্যালারি
  • ফিচার
  • মতামত
  • শিল্প-সাহিত্য
  • সম্পাদকীয়

© ২০২৬ বাংলা এফ এম