ববি প্রতিনিধি:
বালুর ড্রেজার বসানো নিয়ে বাকবিতন্ডাকে কেন্দ্র করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমানসহ তিন ছাত্র নেতাকে মারধর করেছে দপদপিয়া জিরোপয়েন্ট এলাকার স্থানীয় জনতা। শনিবার (১ আগস্ট) রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে মারধরের শিকার হন ছাত্রদল নেতারা।
ছাত্রদল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জিরোপয়েন্ট ফেরিঘাট এলাকায় বালুর ড্রেজার বসানো নিয়ে দপদপিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পান্থসহ স্থানীয় কয়েকজনের সাথে কথা কাটাকাটি হয় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের একাংশের। শনিবার ফেরিঘাট গিয়ে পান্থকে ফোন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা। ফোনে ঐ ছেলে জানায় সে জিরোপয়েন্ট আছে। জিরোপয়েন্টে এসে ছাত্রদল নেতারা পান্থকে মারধর করে। এর কিছুক্ষণ পরেই পান্থর নেতৃত্বে স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ববি ছাত্রদল নেতাদেরকে পাল্টামারধর করে। গনধোলাইয়ে আহত ছাত্রনেতারা হলেন সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাহাদ।
খোঁজ পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের অন্যান্য নেতারা রাত ১২টার দিকে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে বসে ছাত্রদল সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ তিন ছাত্র নেতাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। মিমাংসার পরে অভিযুক্ত পান্থ তাদেরকে মারধর করার জন্য ক্ষমা চান। মোবাইলে ধারণ করা এক ভিডিওতে অভিযুক্ত পান্থকে কানধরে উঠবস করে ক্ষমা চাইতে দেখা যায় তার ভুল শিকার করে৷
সাংগাঠনিক সম্পাদক মিজানের মোবাইলে একাধিকার কল দিলে তিনি কল কেটে দিয়ে বন্ধ করে রাখেন।
শাখা ছাত্রদলের সেক্রেটারি আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, “বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার প্রতিবাদে আমাদের কয়েকজন শিক্ষার্থী কারণ জানতে চাইলে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি তাদের ওপর হামলা চালায়। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অভিযুক্তদের আটক করা হয়। পরে তারা ভুল স্বীকার করে শিক্ষার্থীদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সবার থাকলেও কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রতি অশালীন ভাষা বা হামলা গ্রহণযোগ্য নয়।”
শাখা ছাত্রদলের সভাপতী মোশাররফ হোসেন বলেন, এমন কোন ঘটনা আমি শুনি নাই।

