দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহারসহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার কূটনৈতিক ও আইনি তৎপরতা জোরদার করেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
রোববার (২ আগস্ট) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বেনজীর আহমেদের প্রত্যাবাসনের বিষয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সরকারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র বিনিময়ের কার্যক্রম চলছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ইউএই কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ সরকারের কাছে কিছু নির্দিষ্ট তথ্য ও কাগজপত্র চেয়েছিল। স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথভাবে সেই নথিগুলো ইতোমধ্যে আমিরাতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছে।
তিনি বলেন, প্রত্যাবাসনের বিষয়টি ইউএইর নিজস্ব আইন ও বিধি অনুযায়ী এগোচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করছে। দুই দেশের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান ও আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করে শামা ওবায়েদ বলেন, সব ধরনের আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে সরকার আশা করছে। দেশে ফেরানোর পর প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
তিনি আরও জানান, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।

