মোঃ রওকত আলী, রংপুর প্রতিনিধি:
‘সবুজ সোনা’ নামক পাটের নতুন জাত উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের কর্মরত বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা। এবং তা এই অঞ্চলে সম্প্রসারণ করছেন রংপুর আঞ্চলিক পাট গবেষণা কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা।
সোমবার দুপুরে রংপুর আঞ্চলিক পাট গবেষণা কেন্দ্রের উর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো: রিশাদ আব্দুল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান,নতুন পাটের জাতটি উদ্ভাবনের পরপরই কৃষকরা মাঠ পর্যায়ে আগ্রহের সাথে সম্প্রসারণ করছেন। এ নিয়ে কেনাফ ও মেস্তা পাটের সাথে যুক্ত হলো ‘সবুজ সোনা’।
সূত্র জানায়, বাংলাদেশে মূলত দুই ধরনের পাট (সাদা ও তোষা) এবং পাটজাতীয় ফসল (কেনাফ ও মেস্তা) চাষ করা হয়। বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট এ পর্যন্ত ৪৮টির বেশি উন্নত ও উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন করেছে। এর মধ্যে তোষা পাট ১৬টি, দেশি (সাদা) পাট ২৫টি, মেস্তা ৩টি ও কেনাফ ৪টি।
সূত্র আরও জানায়, গত ২৫-২৬ অর্থ বছরে ১৩ জেলার মধ্যে ৫ জেলার ৭৫ জন কৃষক প্রশিক্ষণ নিয়ে মাঠ পর্যায়ে তা সম্প্রসারণ করে আসছেন।
সেই সাথে প্রতি শতাংশে প্রায় ৩ কেজির বেশী পাট বীজ উৎপাদন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজর কেড়েছেন।
তোষা ও কেনা পেসী- ৯৫ জাতের পাট বীজ প্রতি শতাংশে ৪ কেজির উপরে পাট বীজ উৎপাদন হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো: মুজিবর রহমান জানান, আড়াই টন পাট বীজ রংপুর আঞ্চলিক পাট গবেষণা কেন্দ্রে উৎপাদিত হয়ে প্রনোদনার জন্য কৃষিসম্প্রসারন অধিদপ্তরে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে চরাঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে পাট বীজ উৎপাদন।

