Bangla FM
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • কলাম
  • ভিডিও
  • অর্থনীতি
  • ক্যাম্পাস
  • আইন ও আদালত
  • প্রবাস
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
Bangla FM

অভিযোগপত্রে নাম, অথচ অভিযোগই জানেন না ‘ভুক্তভোগীরা’!

Bangla FM OnlinebyBangla FM Online
১২:৫৬ pm ০৮, জুলাই ২০২৬
in অন্যান্য
A A
0

ইবি প্রতিনিধি:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজিমউদ্দিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ এনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাকিব শেখ। তবে অভিযোগপত্রে ভুক্তভোগী হিসেবে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের অনেকেই এ অভিযোগ সম্পর্কে অবগত নন বলে দাবি করেছেন। পাশাপাশি অনুমতি ছাড়াই তাদের নম্বরপত্র উত্তোলন করে অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত করায় এবার অভিযোগকারীর বিরুদ্ধেই পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন তারা।

এর আগে, গত ৩০ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমানের কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগে পরীক্ষার মূল্যায়নে অনিয়ম, ব্যক্তিগত আক্রোশ, শিক্ষার্থীদের হয়রানি, ফলাফলে বৈষম্য, হুমকি ও একাডেমিক অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়। একই সঙ্গে অধ্যাপক ড. নাজিমউদ্দিনকে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স পরীক্ষা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব থেকে অপসারণ এবং সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার দাবি জানানো হয়।

লিখিত অভিযোগে রাকিব শেখ দাবি করেন, বিভাগের বিভিন্ন আন্দোলন, প্রতিবাদ ও একাডেমিক সিদ্ধান্তের সমালোচনা করায় অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজিমউদ্দিন তার প্রতি ব্যক্তিগত আক্রোশ পোষণ করেন। এর জেরে Islamic Law of Inheritance (কোর্স নং-৪১০৫) কোর্সে প্রথম পরীক্ষক হিসেবে তাকে ৭০ নম্বরের মধ্যে ৩২ নম্বর দেওয়া হয়। দ্বিতীয় পরীক্ষক ৫৫ নম্বর দিলেও তৃতীয় পরীক্ষকের মূল্যায়নে তা ৩৭ নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি-সংক্রান্ত কোটার বিষয়ে কথা বলায় অন্য এক শিক্ষকের মাধ্যমে তাকে হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ১৫ মিনিট ক্লাস নিয়ে কোর্স শেষ করে মিডটার্ম পরীক্ষা না নিয়েই ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী খন্দকার ইউসুফ আলীকে একটি কোর্সের ইন্টারনালে শূন্য দেন, ফলে তাকে রিটেক দিতে হয়। একইভাবে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফারিয়া জান্নাত প্রমিকে ক্লাস ও মিডটার্মে অংশ নেওয়ার পরও ইন্টারনালে শূন্য দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

এছাড়া অভিযোগে বলা হয়, অধ্যাপক নাজিমউদ্দিন নিয়মিত কোর্সের নির্ধারিত ক্রেডিট আওয়ার পূরণ করেননি এবং একাডেমিক কার্যক্রমে নানা অনিয়ম করেছেন। ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা কমিটির সভাপতি থাকাকালে পরীক্ষার রুটিন প্রকাশে বিলম্বের প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আইনবহির্ভূতভাবে মুচলেকা নেওয়া হয়, যার পর এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে অভিযোগপত্রে যেসব ভুক্তভোগীর নাম নাম উল্লেখ করেছেন তিনি, তারা অনেকেই বিষয়গুলোকে মীমাংসিত এবং তাদের অনুমতি ব্যাতীত অভিযোগপত্রে নাম উল্লেখ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন।

বিভাগটির ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফারিয়া জান্নাত প্রমি বলেন, ‘আমার নাম ব্যবহার করে অভিযোগ করা হয়েছে, কিন্তু আমি এ ধরনের কোনো অভিযোগ করিনি। যে সমস্যার কথা বলা হয়েছে, পরে স্যার সেটি সমাধান করে দিয়েছিলেন। এরপর এ বিষয়ে আমার আর কোনো বক্তব্য বা অভিযোগ ছিল না। তবে আমার অনুমতি ছাড়া আমার রোল নম্বর ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তথ্য ও মার্কশিট উত্তোলন করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও আইনবহির্ভূত। আমার অনুমতি ছাড়া এগুলো বিভাগে জমা দেওয়া ও পত্রিকায় প্রকাশ করাও ঠিক হয়নি। আমি এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে চাই। এটার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিভাগের শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।’

আল মামুন হাসান রাজু বলেন, ‘অভিযোগপত্রে আমার নাম রয়েছে, কিন্তু এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। আমাকে না জানিয়েই সেখানে আমার নাম ব্যবহার করা হয়েছে। বিষয়টি জেনে আমি নিজেও অবাক হয়েছি। আমার মার্কশিট নিয়ে একটি ভুল হয়েছিল ঠিকই, তবে অভিযোগ করার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

সাব্বির হোসেন বলেন, ‘আমার নামে কে বা কারা শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে, সে বিষয়ে আমি একেবারেই অবগত নই। আর মিডটার্মে যে শূন্য নম্বর দিয়েছে, দিতেই পারে; কারণ প্রথম বর্ষে আমি সেভাবে ক্লাস করিনি।’ এদিকে খন্দকার ইউসুফ আলীও এ বিষয়ে অবগত নন বলে জানান।

এ বিষয়ে অভিযোগকারী শিক্ষার্থী রাকিব শেখ বলেন, ‘যাদের এখানে নাম দেয়া হয়েছে তাদের অনুমতি নিতে হবে এরকম কোনো বিষয় না। তাদের নাম দেয়া আমার ঘটনার সাথে তাদের ঘটনা প্রসঙ্গত হওয়ার জন্য। এখানে এরকম দেখানো হয়েছে, শুধু আমার সাথে না, এরকম আরো অনেকের সাথেই হয়েছে। অনুমতি ছাড়া অভিযোগপত্রে কারো নম্বরপত্র সংযুক্ত করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা তো পাবলিক বিষয়। যে কেউ এটা তুলতে পারে।’

অভিযোগের বিষয়ে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজিমউদ্দিন বলেন, ‘অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। যাদের নাম অভিযোগপত্রে ব্যবহার করা হয়েছে, তারা নিজেরাই বিভাগকে লিখিতভাবে জানিয়েছেন যে, তাদের কোনো অভিযোগ নেই। বিষয়টি বিভাগীয় একাডেমিক কমিটিতে আলোচনা হয়েছে এবং বিভাগ এতে কোনো অনিয়ম পায়নি। এছাড়া আমার বিরুদ্ধে আনা নম্বর প্রদান, ১৫ মিনিট ক্লাস নেওয়া কিংবা ক্রেডিট আওয়ার পূরণ না করার মতো অভিযোগগুলোরও কোনো ভিত্তি নেই। বিশ্ববিদ্যালয় তদন্ত করলে প্রকৃত বিষয় বেরিয়ে আসবে।’

অভিযোগের পেছনে কারও প্ররোচনা থাকতে পারে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কেন অভিযোগ করা হয়েছে, সেটি অভিযোগকারীই ভালো বলতে পারবেন। তবে একজন শিক্ষার্থী একা নাকি কারও প্ররোচনায় এমনটি করেছেন, সেটি তদন্তেই স্পষ্ট হবে।’

Tags: অভিযোগতোলপাড়
ShareTweetPin

সর্বশেষ সংবাদ

  • ‘একটি জাতিকে লুট করা হয়েছে’, রেফারি-ভিএআর বিতর্কে উত্তাল ফুটবল বিশ্ব
  • জয়পুরহাটে স্বামী রেখে সন্তান নিয়ে হিন্দু যুবকের সঙ্গে পালালেন স্ত্রী
  • বাহরাইন ও কুয়েতে ৮৫ মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি আইআরজিসির
  • সবকিছুই টাকার খেলা, ওরা চায় মেসি টিকে থাকুক: মিশর কোচ
  • ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা অত্যন্ত জরুরি ছিল: ন্যাটোর প্রধান

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম

বাংলা এফ এম , বাসা-১৬৪/১, রাস্তা-৩, মোহাম্মদিয়া হাউজিং লিমিটেড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ

ফোন:  +৮৮ ০১৯১৩-৪০৯৬১৬
ইমেইল: banglafm@bangla.fm

  • বাংলা এফএম সম্পর্কে
  • বাংলা এফএম অনলাইন সম্পর্কে
  • গোপনীয়তার নীতি
  • ব্যবহারের শর্তাবলী

© ২০২৬ বাংলা এফ এম

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • প্রবাস
  • ভিডিও
  • কলাম
  • অর্থনীতি
  • লাইফস্টাইল
  • ক্যাম্পাস
  • আইন ও আদালত
  • চাকুরি
  • অপরাধ
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • ফটোগ্যালারি
  • ফিচার
  • মতামত
  • শিল্প-সাহিত্য
  • সম্পাদকীয়

© ২০২৬ বাংলা এফ এম