৪০ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে মেক্সিকো। শেষ ৩২-এর ম্যাচে ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে তারা জায়গা করে নিয়েছে শেষ ষোলোতে। ১৯৮৬ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জয় পেল মেক্সিকো, যা দেশটির ফুটবল ইতিহাসে একটি বড় মাইলফলক।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মেক্সিকো। নিজেদের সমর্থকদের সামনে তারা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে এবং ২২মিনিটে প্রথম গোল করে এগিয়ে যায়। দুর্দান্ত এই গোলটি করেন হুলিয়ান কুইনোনেস। এই গোলের পর মেক্সিকোর আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যায়।
প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফরোয়ার্ড রাউল জিমেনেজ। ম্যাচের ৩১ মিনিটে করা এই গোলটি ছিল তার জাতীয় দলের হয়ে ৪৭তম গোল। এরপর মেক্সিকো আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও আর গোল করতে পারেনি।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে ইকুয়েডর। তারা কয়েকটি আক্রমণ গড়ে তুললেও মেক্সিকোর রক্ষণভাগ ছিল দুর্ভেদ্য। গোলকিপার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বল সেভ করে দলকে এগিয়ে রাখেন। ম্যাচের শেষ দিকে ইকুয়েডরের ডিফেন্ডার পিয়েরো হিনকাপিয়ে লাল কার্ড দেখলে তাদের আশা প্রায় শেষ হয়ে যায়।
এই জয়ের মাধ্যমে শুধু শেষ ষোলোতেই ওঠেনি মেক্সিকো,তারা ভেঙেছে ৪০ বছরের একটি হতাশার ইতিহাসও। ১৯৮৬ সালের পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে তারা আর কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি। তাই এই জয়কে মেক্সিকান সমর্থকরা “অভিশাপ ভাঙার” জয় হিসেবে উদযাপন করছেন।
এখন শেষ ষোলোর ম্যাচে মেক্সিকোর প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড অথবা ডিআর কঙ্গো। বর্তমান ফর্ম ধরে রাখতে পারলে এবার আরও দূর যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে স্বাগতিক দেশটি।

