আজ ৩০ জুলাই, বিশ্বজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস (International Day of Friendship)। ব্যক্তি থেকে পরিবার, আর সমাজ পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বৈশ্বিক শান্তি, সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও মানবিক বন্ধন সুদৃঢ় করার লক্ষ্য নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা আনুষ্ঠানিকতায় দিবসটি পালিত হচ্ছে।
স্কুলের বন্ধুত্বগুলো তৈরি হয় একদম শৈশব আর কৈশোরে—যেখানে কোনো স্বার্থ, লাভ-ক্ষতি, বা হিসেব-নিকেশ থাকে না। থাকে শুধু টিফিন ভাগ করে খাওয়া, শেষ বেঞ্চে বসে দুষ্টুমি, পড়া না পারলে একসাথে শাস্তি পাওয়া, আর অকারণেই হেসে কুটি কুটি হওয়ার দিনগুলো।
পরবর্তী জীবনে আমাদের চারপাশে হাজারটা দায়িত্ব, ব্যস্ততা আর দূরত্ব চলে আসে। বছরের পর বছর দেখা হয় না, কথা হয় না। কিন্তু অদ্ভুত বিষয় হলো,কোনো দ্বিধা থাকে না: বছরের পর বছর পর দেখা হলেও মনে হয় এই তো সেদিনের কথা! কোনো কৃত্রিমতা বা “আপনি/আপনি” ভাব আনতেই হয় না।
দূরত্বের দেয়াল যত বড়ই হোক, তারা সত্যিই হৃদয়ে এক বিশেষ কোণ দখল করে বসে থাকে।
অদৃশ্য উপস্থিতি: জীবনের কঠিন সময়েও ওই দিনগুলোর স্মৃতি আর ওদের মুখগুলো মনে পড়লে ঠোঁটের কোণে না চাইতেও একচিলতে হাসি ফুটে ওঠে। ”বয়স বাড়ে, জীবন বদলায়, পথ আলাদা হয়ে যায়… কিন্তু স্কুলের বন্ধুদের সাথের সেই বিশুদ্ধ অনুভূতিগুলো কখনো পুরনো হয় না।”

