ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সোমবার (২০ জুলাই) দিনভর ছিল উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি। কনট প্লেস, জনপথ ও যন্তর মন্তরসহ বিভিন্ন এলাকায় হাজারো শিক্ষার্থী ও তরুণ-তরুণীর উপস্থিতিতে জনসমাগম তৈরি হয়। বিভিন্ন স্থানে রাস্তা ও মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকলেও আন্দোলনকারীরা বাধা অতিক্রম করে যন্তর মন্তরের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপের পরও বিক্ষোভকারীরা পিছু হটেননি। প্রবল নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেও তারা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত যন্তর মন্তরে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যান।
গত এক মাস ধরে শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) নামে একটি নাগরিক প্ল্যাটফর্মের ব্যানারে এই আন্দোলন চলছে।
অনেকেই সিজেপিকে রাজনৈতিক দল হিসেবে উল্লেখ করলেও, সংগঠনটির পক্ষ থেকে নিজেদের একটি নাগরিক আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচয় দেওয়া হচ্ছে। তাদের লক্ষ্য শিক্ষাব্যবস্থায় জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা।
আন্দোলনের শুরুতে সংগঠনটির বাস্তব প্রভাব নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকলেও সোমবারের বিক্ষোভে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের অংশগ্রহণ সেই প্রশ্নের নতুন উত্তর দিয়েছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ ও দাবির বিষয়ে সরকারের নীরবতা আর দীর্ঘদিন ধরে রাখা সম্ভব হবে না।

