ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ওপর হামলার সময় একই ভবনে উপস্থিত ছিলেন বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি দাবি করেন, ওই সময় তিনি অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান।
লেবাননের টেলিভিশন চ্যানেল আল-মায়াদিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরাগচি ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জেনেভায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সকাল ৯টার দিকে তিনি সুপ্রিম লিডারের কার্যালয়ে যান। সেখানে বৈঠক চলাকালীন পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
তিনি জানান, ভবনের একটি কক্ষে অপেক্ষা করার সময় হঠাৎ হামলা শুরু হয়। তবে তিনি যে অংশে অবস্থান করছিলেন, সেটি সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। হামলার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে বেরিয়ে এসে প্রথমেই তিনি খামেনির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।
আরাগচির ভাষ্য অনুযায়ী, পরবর্তীতে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছে জানতে পারেন খামেনি মারা গেছেন। ঘটনার পর দীর্ঘ সময় তিনি সরকারি দফতরেই অবস্থান করে দায়িত্ব পালন করেন এবং ব্যক্তিগতভাবে কোথাও যাননি।
তিনি আরও দাবি করেন, সংকটের সময় খামেনিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার অবস্থান নেন।
আরাগচি বলেন, ওই সময় খামেনির নির্দেশনাই রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং ইরান দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম হয়।
এ ঘটনায় তিনি এটিকে নিজের জীবনের অন্যতম ভয়ংকর অভিজ্ঞতা বলে উল্লেখ করেন।

