রাজু মিয়া, লালমনিরহাট, কালীগঞ্জ প্রতিনিধি:
লালমনিরহাটের বড় হাট গুলোর মধ্যে প্রধান একটি হাট হলো চাপারহাট। ঐতিহ্যবাহি এই হাটে দেশের প্রায় সব প্রান্তের গরু-ছাগলের ক্রেতা ব্যাপরিরা আসেন। গরুর হাটের জন্য বিখ্যাত এই হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার কাছ থেকে প্রকাশ্যে অতিরিক্ত টোল বা খাজনা আদায় করা হচ্ছে।
গরু প্রতি বিক্রেতার কাছে ৩৫০ টাকা এবং ক্রেতার কাছে ৪৫০ টাকা করে মোট ৮০০ টাকা নেয়া হচ্ছে।রশিদে খাঁজনা আদায়ের কোনো উল্লেখ রাখা হয়না।
গরু ব্যবসায়ি লেবু মিয়া জানান,প্রতি গরুতে বিক্রেতার কাছে ৩৫০ টাকা। ক্রেতার কাছে ৪৫০ টাকা নেয়া হয়।আজ(১৮ মে) ৪ টা গরু বিক্রি করেছি।আজকেও ৩২০০ টাকা খাজনা নিয়েছে।পার্শবর্তি হাট গুলোতে ৫০০ টাকা টাকা নেয়া হয়।চাপারহাট বড় হাট।তাই ব্যবসা করলে ওখানে যেতে হয়।
মেহেদি নামের একজন ক্রেতা একই রকম অভিযোগ করেছেন।৪ মে তিনি একটি গরু কেনেন।বিক্রেতা ও ক্রেতা মিলে ৮০০ টাকা খাজনা দিতে হয়।ছাগল প্রতি ৪০০ টাকা দিতে হয়।
অথচ সরকারি নির্দেশনা চেয়ে ভালো হলো একটি গরু ৪৯৫ টাকা শুধু ক্রেতার কাছে।ছাগল প্রতি ১১০ টাকা।বিক্রেতার কাছে কোনো খাজনা নেয়া যাবেনা।রশিদে টাকার কথা স্পষ্ট উল্লেখ থাকতে হবে।
হাটের ইজারাদার হাবিবুর রহমান বলেন”হাটের ইজারা বেশি নেই না কম নেই এমন প্রশ্ন আপনি আমাকে করতে পারেন না।এমপি (রোকনউদ্দিন বাবুল)সব সময় আমার খবর রাখেন।আপনিও এসে চা খেয়ে যান।
ইউএনও সামিমা আক্তারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কথা বলেন নি।ফোনও রিসিভ করেন নি।
পার্শবর্তি চামটা হাটে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিট্রেট মোবইল কোর্ট পরিচালনা করে।এমন সময় চামটা হাটের ক্রেতা-বিক্রেতারা জোট বেঁধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদকে চাপারহাটের অতিরিক্ত খাজনার কথা বলেন।নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত ক্রেতা-বিক্রেতাকে চাপারহাটে মোবইল কোর্ট পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে হাট ত্যাগ করেন।
ভোক্তা অধিকারের সহকারি পরিচালক শেখ সাদী বলেন,আমরা ভোক্তাকে নিয়ে কাজ করি।ইজারা বিষয়ে সুক্ম একটু আইনের তফাৎ আছে।ইজারাদারদের আমরা কিছু বলতে পারিনা।এটা ওই উপজেলার এসিল্যান্ড ও ইউএনওর এখতিয়ার।

