সত্যজিৎ দাস (মৌলভীবাজার):
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার এবং দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি,ছিনতাই ও ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়,শুক্রবার (০৩ জুলাই) মধ্যরাত ০২:৩৮ মিনিটের দিকে কুলাউড়া থানার একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ১১ নম্বর শরীফপুর ইউনিয়নের মানগাঁও ত্রিমোহনী এলাকায় অভিযান চালায়। সেখানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে চারজনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন মৌলভীবাজার সদর উপজেলার পূর্ব সৈয়ারপুর এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে মো. কাউছার মিয়া (৩২), বেরিরচক এলাকার মৃত নুর মিয়ার ছেলে জসিম মিয়া (৩২),কুলাউড়ার হাজীপুর এলাকার পশ্চিম বিলের পাড় গ্রামের মৃত ইসমাইল আলীর ছেলে মো. সালাউদ্দিন (২৯) এবং কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগরের সতিজিরগ্রাম এলাকার আসুক আলীর ছেলে রেজাউল ইসলাম মামুন (২৮)।
তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি টয়োটা করোলা প্রাইভেটকার,যার নম্বর ঢাকা মেট্রো-গ ১৩-৪৫৯৮, একটি প্লাস্টিকের হাতলযুক্ত কাটার,একটি স্টিলের সুইচ গিয়ার ছুরি,একটি রামদা এবং একটি ছোরা উদ্ধার করা হয়। পরে জব্দতালিকা প্রস্তুত করে আলামতগুলো জব্দ করে পুলিশ।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী,কাউছার মিয়ার বিরুদ্ধে চুরি,ছিনতাই ও ডাকাতির ১১টি মামলা রয়েছে। জসিম মিয়ার বিরুদ্ধে রয়েছে ১২টি এবং সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে রয়েছে ৯টি মামলা।
এর আগে বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কুলাউড়া থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল মৌলভীবাজার সদর থানার হাসপাতাল রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের কথিত নেতা দেলোয়ার হোসেন ওরফে আহাদ মিয়াকে (৪৬) গ্রেপ্তার করে। তিনি রাজনগর উপজেলার কদমহাটা এলাকার মৃত মোস্তফা মিয়ার ছেলে। পুলিশের দাবি,তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির ১৪টি মামলা রয়েছে।
কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন,গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। মাননীয় পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অভিযান অব্যাহত থাকবে।

