সালেক হোসেন রনি, কিশোরগঞ্জ:
কিশোরগঞ্জ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপ সহকারী প্রকৌশলী (পথ) জুলহাসের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা করেছে তার অধীনস্ত বাজিতপুর E/38 গেইট কীপার মো. তৌফিকুর রহমান। এ মামলায় আরোও দুইজনকে আসামি করা হয়েছে তারা হলেন কিশোরগঞ্জ রেলওয়ের ভারপ্রাপ্ত হেড মিস্ত্রি উজ্জ্বল খান এবং কুলিয়ারচর উপজেলার ছয়সূতী E/9 গেটের অস্থায়ী গেট কিপার সাদিকুর রহমান।
সোমবার (১১মে) কিশোরগঞ্জ বিজ্ঞ আমলগ্রহনকারী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নং ১ এ মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ঊর্ধ্বতন উপ সহকারী প্রকৌশলী( পথ) জুলহাস উজ্জল ও সাদিকুর রহমানের মাধ্যমে প্রতি মাসে তার নিয়ন্ত্রণাধীন কর্মচারদেরীদের কাছ থেকে মাসোহারা নিয়ে থাকেন। তেমনি ভাবে তারা গেট কিপার তৌফিক এর কাছ থেকেও প্রতি মাসে ২২৫০ টাকা নেন।
এপ্রিল মাসে মাসোহারা না দেয়ায় প্রথমে চাকরী হারানোর হুমকি এবং পরবর্তীতে চাকরীচ্যুত করা হয় গেইটকিপার তৌফিককে।
এ ব্যাপারে তৌফিক জানান, চাদা না দেয়ায় আমাকে চাকরীচ্যুত করেছে, স্যার (জুলহাস) আমাকে উজ্জ্বল ও সাদিকুরের মাধ্যমে খবর দিলে আমি স্যারের অতিরিক্ত কর্মস্থল নরসিংদী জেলায় পিডব্লিউ অফিসে দেখা করি তখন স্যার মাসের চাদা এবং চাকরী টিকিয়ে রাখতে আরোও ২লক্ষ টাকা দিতে বলে।
এ ঘটনারপর জুলহাস ও তার দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে সাধারণ লোকজন মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে যা বিভিন্ন মিডিয়াতে প্রচারও হয়।
২০২১ সালে অস্থায়ী গেইট কীপার পদে চাকরী পান তৌফিকুর রহমান, এই বয়সে চাকরি হারিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে তৌফিক।
দ্রুত তাদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক সাজা, রেলওয়েকে দুর্নীতিমুক্ত এবং তৌফিকের চাকরী ফিরিয়ে দিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও তার সহকর্মীরা।

