সত্যজিৎ দাস (মৌলভীবাজার):
টানা অতিবৃষ্টিতে মৌলভীবাজার জেলার সব নদ-নদীর পানি বেড়েছে। তবে বুধবার (০৮ জুলাই) বিকেল পর্যন্ত কুশিয়ারা,মনু,ধলাই ও জুড়ী নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা রয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেল পর্যন্ত জেলার কোনো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত মৌলভীবাজারে ৯১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার সকাল থেকেই জেলায় বৃষ্টি শুরু হয়। দিনের কিছু সময় বৃষ্টির তীব্রতা কম থাকলেও দুপুরের পর আবারও বৃষ্টি বাড়ে।
মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, বুধবার বিকেলে মনু নদীর রেলওয়ে এলাকায় পানি বিপৎসীমার ১৪৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। একই নদীর চাঁদনীঘাট পয়েন্টে পানি ছিল বিপৎসীমার ৯৩ সেন্টিমিটার নিচে। ধলাই নদীর পানি বিপৎসীমার ১০৩ সেন্টিমিটার, কুশিয়ারা নদীর ৮৫ সেন্টিমিটার এবং জুড়ী নদীর পানি ৬৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. খালেদ বিন অলীদ বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে নদ-নদীর পানি বাড়ছে। নদীর বাঁক বা ঝুঁকিপূর্ণ কোনো স্থানে সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও প্রস্তুতি রয়েছে।
এদিকে,অতিবৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। বৃষ্টির কারণে কাজ করতে না পারায় দিনমজুর,রিকশাচালক ও ভ্যানচালকদের আয় বন্ধ হয়ে গেছে। কয়েকজন শ্রমজীবী মানুষ জানান,এভাবে বৃষ্টি চলতে থাকলে তাদের পরিবার নিয়ে খাদ্যসংকটে পড়তে হবে।

