অমৃত জ্যোতি, মধ্যনগর, সুনামগঞ্জ:
কালের বিবর্তন আর উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিলুপ্ত হয়েছে নৌবহরে প্রয়োজনীয় পন্যের বিক্রয় বানিজ্য।
শনিবার সকালে বানিজ্য শেষে নৌবহরগুলো বাড়ী ফেরারপথে দেখা মিলে সুমেশ্বরী নদীর তীরে।হাতের বৈঠা পরিবর্তন করে ইঞ্জিন চালিত ছোট ছোট নৌকায় দেখা মিলে ব্যবসায়ী সওদাগরদের।ভাসমান পানির উপরে নৌ’বহরেই পরিবার স্ত্রী সন্তানাদি নিয়ে মাসের পরমাস করেন বসবাস।ফেরী করে বিক্রি করেন সিরামিক,মেলামাইনের তৈরী নিত্য প্রয়োজনীয় তৈজসপত্র ও বাহারী সকেজ।
বারহাট্টা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের চল্লিশ কাহনিয়া গ্রামের শাহ আলম সওদাগর জানান,পবিত্র ঈদুল ফিতর বাড়িতে উদযাপকরে ভাটি এলাকায় বানিজ্যে বের হইছিলাম পাঁচ নৌকা এবং সামনে ঈদ তাই আজ বাড়িতে ফিরছি। ঈদুল আযহা শেষে আবারো বের হবো ভাটির দিকে বানিজ্যের উদ্যেশ্য।এবছর ফসল তলিয়ে যাওয়ার কারণে মুলপুজির ১০/২০হাজার টাকা লস করে বাড়ি যাই।
আমাদের দুই গ্রামে এখনো প্রায় তিন হাজারের বেশী পরিবার নিয়ে আমরা আছি।তবে এখন সবাই ব্যবসার জন্য ভাটি এলাকায় আসে না।যারা আসি আমরা প্রায় ৫০টি পরিবারের মতো আছি।

