রাজু মিয়া, লালমনিরহাট (কালীগঞ্জ) প্রতিনিধি:
লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার মদাতী ইউনিয়নের জমিতে অবৈধ্য ভাবে দোকান বসিয়ে ব্যবসা করছে ৭ জন দোকান ব্যবসায়ী । মৌখিক অনুমতি দিয়ে বিপাকে নোটিশ করেও পারছে না সরাতে।
অটো, ভ্যান, নছিমন চালক গন অভিযোগ তুলেছেন চেয়ারম্যানের উপর। তারা জানান চামটাহাটের অটোষ্টান রাস্তায় হওয়ায় অটো ভ্যান নছিমন রাখার জায়গা হিসেবে আমরা পরিষদের খালি জায়গাটি ব্যবহার করতাম। এতে করে বাজার সহ রাস্তায় কোন জানজট সৃষ্টি হত না। হটাৎ রাতারাতি ভাবে আমাদের ব্যবহৃত জায়গাটিতে গড়ে উঠে চায়ের দোকান সহ কাঠ খরি রাখার জায়গা। এমতবস্তায় বর্তমানে আমাদের গাড়ী রাখার জায়গা নাই তাই রাস্তায় জানজট সৃষ্টি হচ্ছে।
ঘটনা সূত্রে জানা যায় চামটাহাটের পুরাতন গরুহাটির জায়গাটি ২নং মদাতী ইউনিয়ন পরিষদের। চামটাহাটের গরু হাটির জায়গা না থাকায় ঐ জমিটি ব্যবহৃত হত। পর্যায়ক্রমে ইজারাদার পরিবর্তন হওয়ায় বর্তমান ইজারাদার ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি লিজ নিয়ে গরু হাটি পরিচালনা করে আসছেন। পুরাতন গরুহাটটি পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকলে ৭জন দোকানদার গোপনে চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বিপ্লবের কাছে মৌখিক অনুমতি নিয়ে দোকানপাট বসিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন অটো ভ্যান ও নছিমন চালকগন।
বিষয়টি ২নং মদাতী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বিপ্লবের সাথে কথা বললে তিনি জানান পুরাতন গরুহাটির জায়গাটিতে বহুতল ভবনের স্টিমেট করা আছে সয়েল টেস্ট হয়েগেছে। মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব রোকন উদ্দিন বাবুল মহোদয় ডেডলাইন দিলে জায়গাটিতে বহুতল ভবনের উদ্ভোধন করা হবে। দোকান পাট সড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে করবে ইউনিয়ন পরিষদের প্রসাশনিক কর্মকর্তা জনাব মিনহাজ সাহেব।
ইউনিয়ন পরিষদের প্রসাশনিক কর্মকর্তা জনাব মিনহাজ এর সাথে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান পুরাতন গরুহাটির অবৈধ্য দোকানপাট সরানোর জন্য গত ২১/০৪/২০২৬ইং তারিখে ৭ কর্ম দিবসের মধ্যে ৭ জন দোকান মালিককে নোটিশ করেন। ৭ কর্ম দিবসের মধ্যে তারা দোকান পাট না সরালে পূনরায় আবারো গত ২৯/০৪/২০২৬ ইং তারিখে ৩ কর্ম দিবসের মধ্যে দোকানপাট সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। যেহেতু তারা ২বার নোটিশ করার পরেও দোকান সরাচ্ছে না প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থা করা হবে।
বাস্তবে ঘটেছে তার ভিন্ন চিত্র। পর পর দুই বার নোটিশ দেওয়ার পরেও কেউই দোকান পাট সারাননি। সরানোর উদ্যোগও নেননি কেউ। ভুক্তভোগিরা বলছেন চেয়ারম্যান সহ ইউনিয়ন পরিষদের প্রসাশনিক কর্মকর্তা জনাব মিনহাজ নাটক করছেন।
৭জন দোকানদারের সাথে কথা বললে তারা কেউ বলেন আমাদের দোকার করার জায়গা দেন আমরা দোকান পাট সরাই। আবার কেউ বলে আগে বিল্ডিং এর কাজ আরম্ভ হউক তার পর সরাবো। কেউ বলছে ভিন্ন কথা আমাদের দোকান নিয়ে আপনাদের এত মাতা ব্যথা ক্যান।
সাধারন জনগন বলছে গরুহাটির চালাটি না ভাঙ্গা পর্যন্ত কেউই দোকান পাট সরাবে না। আবার কেউ বলছেন চেয়ারম্যান সহ রাজনৈত্তিক ব্যক্তিবর্গ দোকানদারের কাছে মোটা অংকে টাকা না নিলে কি আর দোকান বসার মৌখিক অনুমতি দেয়। নোটিশ করাটা নাটক ছাড়া কিআর এমনটাই মন্তব্য করছেন ভুক্তভূগিগন।

