Bangla FM
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • কলাম
  • ভিডিও
  • অর্থনীতি
  • ক্যাম্পাস
  • আইন ও আদালত
  • প্রবাস
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
Bangla FM

জুলাই আন্দোলনে গ্রেফতার হওয়া ইবি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের ভূমিকায় ছিলেন শিক্ষকেরা

Bangla FM OnlinebyBangla FM Online
৩:৪৩ pm ২৬, জুলাই ২০২৬
in Semi Lead News, ক্যাম্পাস
A A
0
জুলাই আন্দোলনে গ্রেফতার হওয়া ইবি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের ভূমিকায় ছিলেন শিক্ষকেরা

জুলাই আন্দোলনে গ্রেফতার হওয়া ইবি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের ভূমিকায় ছিলেন শিক্ষকেরা

ইবি প্রতিনিধি:
চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের উত্তাল দিনগুলোতে কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অন্তত ৩৩ জন শিক্ষার্থী গ্রেফতার হন। শিক্ষার্থীদের আটকের খবর পাওয়া মাত্রই থানা থেকে শুরু করে আদালত প্রাঙ্গণে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক। বিপদের দিনে শিক্ষকদের এই ভূমিকা কেবল শিক্ষকতা নয়, বরং অভিভাবকত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে স্মরণীয় থাকবে বলে মনে করছেন শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের ১৭ জুলাই থেকে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে অন্তত ৩৩ শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার হন। এর মধ্যে ১৭ জুলাই কুষ্টিয়ার চলন মেস থেকে আল ফিকহ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের ছাত্র সোহরাব হোসেনকে এবং ১৮ জুলাই কুষ্টিয়া শহর থেকে ইইই বিভাগের ছাত্র মো. হাফিজকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে ২২ জুলাই কুষ্টিয়ার মেস থেকে আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ফারুক হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। টঙ্গী থেকে গ্রেফতার হন মুজাহিদুর রহমান নামে এক শিক্ষার্থী যিনি পরে দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ভর্তি হন। এছাড়া ২৫ জুলাই চুয়াডাঙ্গা থেকে গ্রেপ্তার হন আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মির্জা শাহরিয়ার।

সবচেয়ে বেশি গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে ২৯ ও ৩১ জুলাই। ২৯ জুলাই কুষ্টিয়ার চৌড়হাস মোড় ও বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আল কুরআন, আল হাদিস, দাওয়াহ ও অন্যান্য বিভাগের মোট ১৭ জন শিক্ষার্থীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। তারা হলেন- আল কুরআন বিভাগের জাকারিয়া হোসাইন, আইয়ুব আলী, আলফাজ হোসাইন, আল হাদীস বিভাগের মুতাসিম বিল্লাহ নাকীব, ইসমাইল হোসেন রাহাত, তানজিল হোসাইন, মনিরুজ্জামান, দাওয়াহ বিভাগের হাফেজ ইদ্রিস আলী, মহিববুল্লাহ আল-আজাদ, ফাহাদ বিন হারুন, শাহজালাল, আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শাফিউল ইসলাম, খাইরুল ইসলাম, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শাহ মো. মারুফ হাসান, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ সাজেদুর রহমান, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সাজ্জাদ সাব্বির, ট্যুরিজমের আতিউর রহমান।

অন্যদিকে ৩১ জুলাই কুষ্টিয়া ডিসি কোর্ট ও আদালত প্রাঙ্গণ এলাকা থেকে আন্দোলনরত আরও ১১ জন ইবি শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তারা হলেন- ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের জানে আলম জুয়েল, দাওয়াহ বিভাগের হাবিব কাওসার খন্দকার নাহিদ, মোজাম্মেল হক মিয়াজী, হাদীস বিভাগের শাহ ফরিদ, ই এইচ নাসিম, ওয়ায়েস কুরুনী, তারিকুল ইসলাম, শাকিব হোসাইন, আল কুরআন বিভাগের মেহেদি হাসান, আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের কামরুল হাছান, অর্থনীতি বিভাগের নাইমুর রহমান প্রমূখ।

শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তারের পর থেকে থানা ও প্রশাসনিক দপ্তরগুলোতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক। ২৯ জুলাই রাতে থানা পুলিশে আটক থাকা শিক্ষার্থীদের মুক্তিতে এগিয়ে যান আল হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আকতার হোসাইন, আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসাইন, ড. কামরুল হাসান, ড. রফিকুল ইসলাম, দাওয়াহ বিভাগের ড. মাসুদ আল মাহদী এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষক ড. আব্দুল বারী, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ড. শাহীনুজ্জামান ও ড. জালাল উদ্দিন প্রমূখ।

প্রথম দিনের প্রচেষ্টায় অনেকেই ছাড় পেলেও আটকে রাখা হয় দাওয়াহ বিভাগের শিক্ষার্থী ফাহাদ বিন হারুনকে। পরদিন ৩০ জুলাই তাকে মুক্ত করতে আবারও থানায় যান ড. আব্দুল বারী।

একইভাবে ৩১ জুলাই ও ১ আগস্ট আদালত প্রাঙ্গণে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষার্থীদের মুক্তিতে এগিয়ে যান আল-হাদীস বিভাগের ড. আকতার হোসেন, ড. এ কে এম ওয়ালিউল্লাহ, ড. মুজাহিদুর রহমান, অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক হুমায়ুন কবির, আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ড. মুত্তালিব, ড. তোজাম্মেল হোসাইন, ড. কামরুল হাসান, ড. রফিকুল ইসলাম ও বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. রশিদুজ্জামান প্রমূখ। তবে টঙ্গী থেকে গ্রেফতার হওয়ার পরদিন উত্তরা পশ্চিম থানা থেকে পরিবারের সহায়তায় ডিএমপি কমিশনার বরাবর বাধ্য হয়ে মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পান টঙ্গী থেকে গ্রেফতার হওয়া মুজাহিদুর রহমান।

গ্রেফতারকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, যে সময়ে চারদিকে ভয় আর আতঙ্ক কাজ করছিল, সেই কঠিন মুহূর্তে শিক্ষকেরা যেভাবে অভিভাবকের মতো আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, তা সত্যি প্রশংসনীয়। আমরা তাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ।

এ বিষয়ে একাধিক শিক্ষক জানান, কোনো রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ নয়, বরং নিজেদের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই তারা এই ঝুঁকি নিয়েছিলেন। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধ এবং দ্রুত আইনি সহায়তা পেতেই তাদের এই প্রচেষ্টা ছিল।

Tags: জুলাই আন্দোলনে গ্রেফতার হওয়া ইবি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের ভূমিকায় ছিলেন শিক্ষকেরা
ShareTweetPin

সর্বশেষ সংবাদ

  • গিটারিস্ট সাদ্দাম রনি আর নেই
  • ককরোচ আন্দোলনে বদলে যাচ্ছে ভারতের রাজনীতির চেনা সমীকরণ
  • আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনবান্ধব করতে ‘পুরস্কার ও তিরস্কার’ নীতি অব্যাহত থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • আন্দোলন শুরুর দিনেই পদ ছাড়তে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান
  • ভারতে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা এক দম্পতিকেে মারধর

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম

বাংলা এফ এম , বাসা-১৬৪/১, রাস্তা-৩, মোহাম্মদিয়া হাউজিং লিমিটেড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ

ফোন:  +৮৮ ০১৯১৩-৪০৯৬১৬
ইমেইল: banglafm@bangla.fm

  • বাংলা এফএম সম্পর্কে
  • বাংলা এফএম অনলাইন সম্পর্কে
  • গোপনীয়তার নীতি
  • ব্যবহারের শর্তাবলী

© ২০২৬ বাংলা এফ এম

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • প্রবাস
  • ভিডিও
  • কলাম
  • অর্থনীতি
  • লাইফস্টাইল
  • ক্যাম্পাস
  • আইন ও আদালত
  • চাকুরি
  • অপরাধ
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • ফটোগ্যালারি
  • ফিচার
  • মতামত
  • শিল্প-সাহিত্য
  • সম্পাদকীয়

© ২০২৬ বাংলা এফ এম