ঢাকা কলেজ ক্যারিয়ার ক্লাব এবং হ্যাঙ্গুল কোরিয়ান ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ভিসা ফার্মের যৌথ উদ্যোগে “স্টাডি ইন সাউথ কোরিয়া ২০২৬: আনলক ইওর ফিউচার” শীর্ষক একটি জমকালো সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন ও পথনির্দেশনা দেওয়ার লক্ষ্যে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন সুযোগ, মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তি, কোরিয়ান ভাষা শিক্ষা কর্মসূচি এবং বৈশ্বিক ক্যারিয়ার গঠনের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়।
ঢাকা কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সেমিনারে ৩০০-এর বেশি শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞরা দক্ষিণ কোরিয়ার ভিসা নীতি, উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন।
হ্যাঙ্গুল কোরিয়ান ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ভিসার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কাই শিম দক্ষিণ কোরিয়াকে উচ্চশিক্ষার গন্তব্য হিসেবে বেছে নেওয়ার বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা তুলে ধরে একটি তথ্যবহুল বক্তব্য প্রদান করেন।
কোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি অ্যান্ড এডুকেশনের গ্লোবাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের সহযোগী ডিন ওনবে ব্যাং বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য উপলব্ধ প্রকৌশল শিক্ষা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং কারিগরি পাঠ্যক্রম বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ. কে. এম. ইলিয়াস বলেন, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নতুন দিগন্ত উন্মোচনে ইংরেজির পাশাপাশি কোরিয়ান, জাপানি ও চীনা ভাষার মতো তৃতীয় ভাষা শেখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শিক্ষার্থীদের পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ ও আন্তর্জাতিক কর্মজীবন গড়ে তুলতে উৎসাহিত করেন।
ঢাকা কলেজ ক্যারিয়ার ক্লাবের উপদেষ্টা অধ্যাপক আবুল কাশেম মুহাম্মদ জহরুল হক বলেন, আধুনিক বিশ্বের বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি ও গবেষণাকে সমৃদ্ধ করতে এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে বৈজ্ঞানিক গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে শিক্ষার্থীদের দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণে এগিয়ে আসা উচিত।
ক্লাবের সভাপতি খন্দকার রায়হান তার বক্তব্যে ক্লাবের বিভিন্ন ক্যারিয়ার উন্নয়নমূলক কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের একাডেমিক ও পেশাগত সম্ভাবনা সম্প্রসারণে উৎসাহিত করেন।
আয়োজকরা জানান, এই সেমিনার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের দক্ষতা বিকাশের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

