সাজ্জাদ হোসেন, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইল ম্যাডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বিষয়ে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস ও প্রানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের প্রতি মন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সজাগ দৃষ্টি রাখার ফলে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন, আমূল পরিবর্তন এসেছে চিকিৎসাসেবায়।
আজ রোজ (১১জুলাই ২০২৬ইং) ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন ক্লিনিকের জন্য কাজ করা দালাল চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করে। তাদের প্রত্যেককে বিভিন্ন মেয়াদে (১৫ দিন থেকে ৬ মাস) সাজা দেয়া হয়।
দালাল চক্র সদস্যদের নাম ১। বাপ্পি মিয়া পিতা লাল মিয়া সাজা ৬ মাস
২। ছনেট মিয়া পিতা লেবু মিয়া রাজা ৩ মাস
৩। জামিল ইসলাম পিতা দিজেন মিয়া সাজা ৩ মাস
৪। আব্দুল বারেক পিতা হামিদুর রহমান সাজা ৬ মাস
৫। হৃদয় মিয়া পিতা রমিজ উদ্দিন সাজা ৩ মাস
৬। ইসহাক মাহমুদ পিতা আবদুল মান্নান সাজা ১মাস
৭। জনি আহমেদ পিতা আব্দুল জলিল সাজা ১৫ দিন।
এছাড়াও ঔষধ কোম্পানির দুই রিপ্রেজেনটেটিভকে ৫০০০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেয়া হয়।
এতেকরে টাঙ্গাইল ম্যাডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে আসা দূর দূরান্তের রোগী ও তার স্বজনরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা দীর্ঘ দিন যাবত এই দালাল চক্রের কারনে সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন। গরিব ও কম জানাশোনা মানুষদের বিপদের মুহুর্তে উপকার করার ভান করে, ফুসলিয়ে ফাঁসলিয়ে আশেপাশের বিভিন্ন ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া, ওষধপত্র কিনে এনে দেয়ার নাম করে কয়েকগুণ দামে ঔষধ বিক্রি করতেন তারা।

