জেলা পর্যায়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা ২০ মে (বুধবার) লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান। বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের সহযোগীতায় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সম্রাট খিসার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমী, গ্রাম আদালত প্রকল্পের জেলা ব্যবস্থাপক খন্দকার আবেদ উল্যা।
সভায় জানানো হয় ফেব্রুয়ারী২০২৫ থেকে এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে মোট দায়েরকৃত মামলার সংখ্যা ৫৪৯৬ জন এর মধ্যে সরাসরি ইউপি দায়েরকৃত মামলার সংখ্যা ৫২৯৮, জেলা জজ আদালতে প্রেরিত মামলার সংখ্যা ৭৯ টি। এসময় গ্রাম আদালতের মাধ্যমে ১৪৭২ নারী বিচার পেয়েছে। ২০ লাখ ৩ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়।
সভায় জানানো গ্রাম আদালতের পরিচালনা ক্ষেত্রে সবচেয়ে দুবর্ল ইউপি হলো সদরের চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন, রায়পুর উপজেলার চর মোহনা ও রামগতি উপজেলার চর আবদুল্লাহ। মামলা দায়ের ও নিস্পত্তি ক্ষেত্রে ভালো করেছে সদরের দক্ষিণ হামছাদী, কমলনগরের চর কাদিরা ও রামগতি উপজেলার বড়খেরী ইউনিয়ন।
এসময় বক্তব্যে জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান বলেন, গ্রামের ছোট বিরোধ নিম্পত্তিতে গ্রাম আদালত ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে। সকলের সহযোগীতায় ও এলাকার শান্তি বজায় রাখতে গ্রাম আদালতের ভূমিকা অনেক।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সম্রাট খিসা জানান, গ্রাম আদালত পরিচালনা ক্ষেত্রে যে সকল ইউনিয়ন ভাল করবে তাদের ভবিষ্যতে পুরুষ্কার এবং যারা খারাপ করবে তাদের তিরস্কার ও শাস্তির মুখোমুখি করা হবে। গ্রাম আদালত পরিচালনা ও যাবতীয় কার্যক্রম কোন অবহেলা বরদাশত করা হবে না বলে জানান তিনি। এসময় জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সরকারী দপ্তর এবং প্রকল্পের অন্যান্য কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

