বুধবার (১৩ মে) বিকেল থেকে রাজধানীজুড়ে হঠাৎ ভারি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। কালো মেঘে আকাশ ঢেকে যাওয়ার পর সন্ধ্যার আগেই ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় নেমে আসে অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশ।
টানা বৃষ্টিতে অফিস শেষে ঘরে ফেরা মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। বিভিন্ন সড়কে পানি জমে যান চলাচল ধীর হয়ে পড়ে এবং জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়।
বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত ও ঝোড়ো বাতাস থাকায় পথচারীদের অনেককে বাসস্ট্যান্ড, ফুটওভার ব্রিজ ও দোকানের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিতে দেখা যায়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশে বজ্রমেঘের কার্যক্রম অব্যাহত থাকতে পারে। আগামী ৭২ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলে সাময়িক জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
এছাড়া টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, ময়মনসিংহ, বগুড়া, জয়পুরহাট ও কিশোরগঞ্জসহ কয়েকটি এলাকায় ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ। বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বজ্রধ্বনি শোনা গেলে মানুষ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে ধরে নিতে হবে। শেষ বজ্রধ্বনি শোনার পর অন্তত ৩০ মিনিট ঘরের ভেতরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে দেশের কয়েকটি নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হতে পারে, যার প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও ঝড়ো আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে।

