যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ শান্তি ও যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবকে ‘আত্মসমর্পণের শামিল’ বলে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান।
তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধকালীন ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ স্বীকার করতে হবে, সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে এবং জব্দ করা ইরানি সম্পদ ফিরিয়ে দিতে হবে।
সোমবার (১১ মে) রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ-কে দেওয়া এক বক্তব্যে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাবে তেহরান দায়িত্বশীল ও ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে।
তিনি জানান, ইরান কখনোই কোনো ধরনের ছাড়ের পথে যায়নি, বরং যুদ্ধ বন্ধ এবং সমুদ্রপথে ইরানি জাহাজে হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।
বাঘেই আরও বলেন, চলমান কূটনৈতিক যোগাযোগে বিভিন্ন দেশ যুক্ত থাকলেও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। কাতারসহ আরও কিছু দেশও আলোচনায় সহায়তা করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, ইরান আলোচনার পথ খোলা রাখলেও প্রয়োজনে প্রতিরোধের পথও বেছে নিতে প্রস্তুত।
এর আগে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাব পাঠায় ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও সামরিক সংঘাতের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

