সারাদেশে আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, উৎসবমুখর পরিবেশ ও ত্যাগের মহিমায় উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। সকাল থেকেই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রতিটি প্রান্তে ঈদের জামাতে মুসল্লিদের ঢল নামে। নামাজ শেষে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও অনুগ্রহ লাভের আশায় শুরু হয়েছে পশু কোরবানির মূল আনুষ্ঠানিকতা।
সকাল থেকেই পাড়া-মহল্লায় কোরবানির পশু জবাই, মাংস প্রস্তুত ও তা বণ্টনের চেনা ব্যস্ততা চোখে পড়ছে। ঈদের এই আনন্দকে পূর্ণতা দিতে সামর্থ্যবানরা তাদের কোরবানির মাংস পৌঁছে দিচ্ছেন সমাজের দরিদ্র, অসচ্ছল ও বঞ্চিত মানুষের ঘরে ঘরে।
পবিত্র এই দিনটি উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর বাণীতে বলেন, ঈদুল আজহা কেবল একটি উৎসব নয়; এটি আত্মত্যাগ, আত্মশুদ্ধি এবং মনের পশুত্বকে কোরবানি করার এক মহিমান্বিত আহ্বান। তিনি কোরবানির আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক ভিডিও বার্তায় শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, কোরবানি মানে শুধু পশু জবাই নয়, বরং মনের লোভ-লালসা ও হিংসা-বিদ্বেষকে পরাভূত করার দীক্ষা নেওয়াই এর প্রকৃত মাহাত্ম্য।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দেশবাসীকে সচেতন হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন:
১. কোরবানির পশুর চামড়া যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা।
২. পশুর রক্ত ও বর্জ্য দ্রুত পরিষ্কার করে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের কাজে সহায়তা করা এবং নিজেদের চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখা।
সকাল থেকে মেঘলা আবহাওয়া কিছুটা দুশ্চিন্তা বাড়ালেও, সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে ত্যাগের অনাবিল আনন্দ আর সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিটি ঘরে।

