অমৃত জ্যোতি (মধ্যনগর) সুনামগঞ্জ:
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার হাওরগুলোতে ফসল রক্ষার স্বার্থে পর্যাপ্ত জল কপাট(স্লুইসগেট)নির্মাণের লিখিত দাবী উঠেছে ভুক্তভোগী কৃষকদের পক্ষ থেকে।
মধ্যনগর উপজেলায় ৭৯টি মৌজা নিয়ে চারটি ইউনিয়নের ছোটবড় প্রায় পনোরোটির বেশী হাওরেই বোরো মৌসুমে প্রায় ১৩হাজার হেক্টরের অধিক জমি প্রতিবছরে ধান আবাদ করেন কৃষকেরা।
তবে অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণের কারণে হাওরের পানি নিষ্কাশন হয় না।তাই যথা সময়ে পাউবো কতৃক নির্মিত ফসল রক্ষা বাঁধ যত্রতত্র কেটে অস্থায়ীভাবে পানি নিষ্কাশন ব্যাবস্থা করা হয়।এসময় প্রাণ হানির ঘটনা ঘটে থাকে কৃষকদের।
যার দরুন বোরোধান আবাদ মৌসুমে হাওরের পানি নিষ্কাশন এবং যথা সময়ে নদীর পানি হাওরে প্রবেশ করার জন্য পর্যাপ্ত সুবিধাজনক জলকপাট বা স্লুইস গেইট নির্মাণের প্রয়োজন অপরিহার্য।
মধ্যনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের শালদীঘা হাওরপাড়ের গলইখালী গ্রামের সচেতন কৃষক অসীম সরকার স্লুইস গেইট নির্মাণের লিখত দাবী জানিয়েছেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের নিকট।

২৬এপ্রিল রোববার লিখিত দাবীতে তুলে ধরেন শালদীঘার হাওরে শুধুমাত্র স্লুইস গেইট নাথাকায় এবছর তিনির প্রায় ৪শ শতক ১২কেয়ার পাকা বোরোধান বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে।যদি পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্তনব্যাবস্থা থাকতো তাহলে এমন টি হতো না।এমন আরো অসংখ্য কৃষকের পাকা ধান তলিয়েছে।
মধ্যনগরের ঘোড়াডোবা,চামরদানীর বানছাপড়া,গুরমা,দুগনুই ও উত্তর বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের নামমাত্র বহুদিন পুর্বের নির্মিত জলকপাট বা স্লুইস গেইট নির্মিত থাকলেও অনেকগুলোই বিকল।তাই মেরামত ও তদারকির সহিত মধ্যনগর প্রতিটি হাওরেই যেন সুপরিকল্পিত ভাবে জলকপাট বা স্লুইস গেইট নির্মান করা হয় সেজন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্ট কামনা করেছেন হাওরাঞ্চলে বোরো ধান আবাদকারী কৃষকরা।

