সুন্দরবনের কুখ্যাত বনদস্যু ‘ছোট সুমন বাহিনী’র প্রধান সুমনসহ সাতজন সদস্য বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের কাছে আবারও আত্মসমর্পণ করেছে। এর আগে ২০১৮ সালে অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করলেও পরে তারা পুনরায় দস্যুতা শুরু করেছিল বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বেলা ১১টায় কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরে জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেজবা উল ইসলামের কাছে তারা অস্ত্র ও গুলি জমা দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে।
আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে রয়েছে সুমন হাওলাদারসহ মোট সাতজন সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
কোস্টগার্ড জানিয়েছে, সুন্দরবনে দস্যু দমন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ পরিচালিত হচ্ছে। এসব অভিযানের চাপে দস্যু বাহিনী কোণঠাসা হয়ে পড়ায় তারা আত্মসমর্পণে বাধ্য হয়েছে।
এ সময় তাদের কাছ থেকে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়। পরে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আত্মসমর্পণ সম্পন্ন করা হয়।
আত্মসমর্পণকারী সুমন হাওলাদার বলেন, আগে আত্মসমর্পণের পর কিছুদিন স্বাভাবিক জীবনযাপন করলেও পরবর্তীতে নানা পরিস্থিতিতে আবারও দস্যুতা শুরু করতে বাধ্য হন তারা। এখন তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে চান এবং সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

