রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বর্ণনা দেন।
জবানবন্দিতে বলা হয়, শিশুটিকে কৌশলে নিজের কক্ষে নিয়ে গিয়ে শারীরিক নির্যাতনের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে হত্যার পর ঘটনা গোপনের চেষ্টা করা হয় এবং এতে তার স্ত্রীও সহযোগিতা করেন বলে স্বীকারোক্তিতে উঠে আসে।
এ ঘটনায় একই ভবনের বাসিন্দা সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ঘটনার পর শিশুটির মরদেহ খাটের নিচে পাওয়া যায় এবং পরে পুলিশ তা উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন সকালে শিশুটিকে বাসা থেকে ডেকে নেওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিল সে। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ওই ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

