স্টাফ রিপোর্টার:
শিক্ষা অধিদপ্তরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ার পরও স্বপদে বহাল রয়েছেন ফরিদপুরের চর বন্দর খোলা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী লাইব্রেরিয়ান মো. আবুল হোসেন। তার বিরুদ্ধে জাল সনদপত্রের মাধ্যমে চাকরি গ্রহণ এবং দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বেতন উত্তোলনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নিয়োগের সময় জমা দেওয়া শিক্ষাগত সনদপত্রে অসঙ্গতি থাকার বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ দেখা দিলে শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বিষয়টি তদন্ত করা হয়। পরবর্তীতে নিরীক্ষা প্রতিবেদনে তার সনদপত্র জাল বা অসত্য তথ্যভিত্তিক বলে প্রমাণিত হয়। এ সংক্রান্ত একটি সরকারি চিঠিও ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, যেখানে জাল সার্টিফিকেট প্রমাণিত হয়েছে, সেখানে তার চাকরিতে বহাল থাকা প্রশ্নবিদ্ধ। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এটি অন্যদের জন্যও খারাপ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. আবুল হোসেন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলে তারা এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
সদরপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মোফাজ্জল হোসেন বলেন , নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ওই শিক্ষাক নিয়োগের অনিয়মের বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে এই বিষয়ে আমার কাছে পর্যাপ্ত তথ্য নেই।

