ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। সিবিএস নিউজের এক বিশেষ প্রতিবেদনে একাধিক সূত্রের বরাতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের ওপর সম্ভাব্য প্রভাবের কথা মাথায় রেখে আগামী সপ্তাহের লেনদেন শুরুর আগেই অর্থাৎ চলতি সপ্তাহান্তের মধ্যেই হামলাটি সম্পন্ন করার প্রাথমিক সময়সূচি নির্ধারণ করা হচ্ছে।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে এখনও চূড়ান্ত সবুজ সংকেত মেলেনি। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই যৌথ পরিকল্পনার বিষয়ে ইসরায়েলকে নিয়মিত জানানো হচ্ছে এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সার্বিক সমন্বয় রক্ষা করছে। প্রেসিডেন্ট অনুমোদন দিলে ও ইসরায়েল এতে অংশ নিলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এটিই হবে তাদের প্রথম বড় যৌথ সামরিক পদক্ষেপ।
সূত্রমতে, ক্যাম্প ডেভিডে আয়োজিত সাম্প্রতিক মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই হামলা সম্পর্কিত বিশদ কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। তবে সম্ভাব্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিণতির কথা ভেবে প্রেসিডেন্টের কয়েকজন শীর্ষ উপদেষ্টা এই অভিযানের তীব্র বিরোধিতা করেছেন। সম্ভাব্য আক্রমণের মূল লক্ষ্যবস্তু হতে পারে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও প্রধান প্রধান তেল শোধনাগারগুলো।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট সরাসরি হামলার বিষয়টি নিশ্চিত না করলেও জানান, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মন্ত্রিসভার বৈঠকে যেমন স্পষ্ট করেছেন—যুক্তরাষ্ট্র জয়ী হবে এবং তাঁর মেয়াদে ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না।”

