এম.শাহীন আল আমীন, জামালপুর প্রতিনিধি :
বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্পের সেবা পাচ্ছেনা জামালপুর পৌর শহরের নাগরিকরা। ২০২১ সালে প্রকল্পটির অবকাঠামোগত ও কারিগরি কাজ শেষ হয়। কিন্তু প্রকল্পটি চালু হয়নি।
এর আগে জামালপুর পৌর শহরের বাসিন্দাদের চাহিদা মাফিক বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য সাড়ে ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প হাতে নেয় পৌরসভা।
প্রকল্পটির কাজ শেষ হয় ২০২১ সালে। সিডিউল মাফিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পৌর সভাকে প্রকল্পটি বুঝিয়ে দেন। কিন্তু পানি সরবরাহ শুরু করেনি জামালপুর পৌর সভা। এর কারণে ৫ বছরেও পৌর বাসীর ভাগ্যে ১ ফোঁটা বিশুদ্ধ পানি জুটেনি।
পৌরসভা সুত্রে জানা গেছে, শুষ্ক মৌসুমে পৌরবাসীকে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য ৫ কোটি টাকা ব্যায়ে একটি পানি শোধানাগার ৬৮০ কিউবিক মিটার পানি ধারণ ক্ষমতার জন্য নির্মাণ করা হয় একটি ট্যাংক । প্রয়োজন মাফিক যন্ত্রপাতি কেনা ও স্থাপন শেষ। কিন্তু প্রকল্পটি আলোর মুখ দেখেনি।
জামালপুর পৌর শহরের বকুল তলার বাসিন্দা আলমাস হোসেন বলেন, প্রকল্পটি চালু হলে পৌর বাসীর বিশুদ্ধ পানির সংকট মিটে যাবে। প্রকল্পের উদ্দেশ্যও সফল হবে। এটি চালু না হওয়ার কারণে জামালপুর পৌরবাসী বিশুদ্ধ পানির তীব্র সয়কটে ভোগছে। স্টেশন রোডের বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার না করার কারনে অযতœ অবহেলায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ দিন ব্যবহার না করলে এক সময় ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়বে। তখন সাড়ে ৮ কোটি টাকার প্রকল্প জনসাধারনের কোন কাজেই আসবেনা।
মোকন্দবাড়ী এলাকার বাসিন্দা মকবুল হোসেন বলেন, প্রকল্পের কাজ শেষ। অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতিরও ঘাটতি নেই। ৫ বছর আগে প্রকল্পটি পৌরসভা বুঝিয়ে নিয়েছে। তার পরেও চালু না করা সরকারি অর্থ অপচয়ের সামিল। তিনি বলেন, প্রকল্পটি চালু না হওয়ায় পৌর বাসি বিশুদ্ধ পানির সংকটে ভোগছে। প্রকল্পের চালুর বিষয়ে উর্দ্ধতম কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
জামালপুর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী( অতিরিক্ত দায়িত্বে) মোহাম্মদ জামাল হোসেন বলেন, সরেজমিনে তদন্ত করে প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা দেখতে হবে। না দেখে প্রকল্প চালুর বিষয়ে মতামত দেওয়া যাবেনা। তবে প্রকল্পটি চালু করতে হলে বর্তমান প্রেক্ষাপটে ব্যবস্থা নিতে হবে।

