অমৃত জ্যোতি, (মধ্যনগর)সুনামগঞ্জ:
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার চারটি ইউনিয়নে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার কবলে পরে প্রায় এক হাজার যুবক নিঃস্ব হয়ে পথে বসেছেন।গণমাধ্যমর এক অনুসন্ধানে বেড়িয়ে আসে হাতে থাকা স্মার্ট মোবাইল ফোনে ডাটা সংযুক্ত করে সামন্য কিছু টাকা দিয়ে ওপেন করা হয় অগনিত নামের অনলাই জুয়ার বিভিন্ন এ্যাপস।
ইনস্টল করলেই মিলে যায় বোনাসের টাকা। একজন অভিজ্ঞতা সম্পন্ন অনলাইন জুয়া খেলোয়াড়ের কাছে থেকে হাতেখড়ি নিয়ে চালায় জমকানো খেলা পরপর কয়েক দিন বেশ ভালই লাগে।সামান্য পুজিতে বেশটাকা অর্জন এবং এজেন্টের মাধ্যমে টাকা হাতে ক্যাশ পাওয়া।সেই লাভের নেশায় কিছু টাকা এবং আরো পুঁজি করেন ব্যবহার।কিন্তু নির্ঘুম রাত কাটিয়ে সকাল পেরুলেও নিজ কর্মস্থলে পৌছানো অনেকটাই অসম্ভব হয়ে পরে।
কেউকেউ বদ মেজাজী হয়েই কারেন পরিবারিক আচরণ।ধীরের ধীরে নেমে আসে পারিবারিক কলহ ও অশান্তি।রিচার্জকৃত টাকা ফুরিয়ে গেলেই শুরু হয় টাকা সংগ্রহের কাজ।পরিচিত,বন্ধু বান্ধব,সহকর্মী বা নিকট আত্বীয়দেরকে দেয়া শুরু হয় ফোন কল বা মিসিড কল।টাকা না পেলে চলে খারাপ কথোপকথন নতুবা রাগারাগি। সেসময় সুবিধা জনকভাবে করেন সুযোগের ব্যবহার।
কারো পার্শ্বে রাতে ঘুমানোর সুযোগে ব্যাবহৃত মোবাইল ফোন হাতেনিয়ে চলে মোবাইল ফোনের ব্যাংকিং সিস্টেমের উপর অমানবিক নির্যাতন।সকালে উঠে কারো ফোনের একাধিক একাউন্টে নেই টাকা নতুবা ব্লক হয়েযায় সেই লেনদেনের একাউন্ট সিস্টেমটি।পরবর্তীতে দুজনের সম্পর্কের ফাটল সহ ঘটে নানান অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এবং বিছানাই হলো তাদের একান্তসঙ্গী।
দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও আগামী প্রজন্মকে সমৃদ্ধ এবং স্বাবলম্বী করতে মোবাইল জুয়ার থেকে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন প্রশাসনিক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা।খুব শিগ্রই অপ্রয়োজনীয় মোবাইল এ্যাপস বিলুপ্তকরণ, বিকল্প বিনোদন চালুকরা ও মোবাইল জুয়াখেলারবন্ধে দৃশ্যমান উদ্যোগ গ্রহন করবে বাংলাদেশ সরকার এমনটাই প্রত্যাশা রাখছেন সচেতন মহলের লোকজন।

