মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব বিবেচনায় ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, করমুক্ত আয়সীমা ২৫ হাজার টাকা বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা (পৌনে চার লাখ টাকা) নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। বর্তমানে এ সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানান, মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপ মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরের জন্য করনীতি ও করমুক্ত আয়ের সীমা আগাম নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৮–২৯ ও ২০২৯–৩০ করবর্ষে সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা এবং ২০৩০–৩১ করবর্ষে তা ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
নারী করদাতা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সীদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা আরও বেশি নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী করদাতা এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য পৃথক ও উচ্চতর করছাড় সুবিধা রাখার কথাও বাজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।
সরকারের মতে, এসব পরিবর্তনের মাধ্যমে করব্যবস্থাকে আরও পূর্বানুমানযোগ্য, ন্যায়সঙ্গত ও সময়োপযোগী করা সম্ভব হবে।

