Bangla FM
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • কলাম
  • ভিডিও
  • অর্থনীতি
  • ক্যাম্পাস
  • আইন ও আদালত
  • প্রবাস
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
Bangla FM

শিক্ষাক্রমে মাধ্যমিক স্তরে কৃষি শিক্ষা পুনরায় বাধ্যতামূলক করা হোক

Bangla FM OnlinebyBangla FM Online
৪:৫৪ pm ১১, মে ২০২৬
in মতামত
A A
0

লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল,

বাংলাদেশ কৃষিনির্ভর দেশ। এ দেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি, গ্রামীণ জীবনব্যবস্থা এবং খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গে কৃষি অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত দেশের উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং কর্মসংস্থানে কৃষির অবদান অনস্বীকার্য।

অথচ দুঃখজনক হলেও সত্য, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থায় কৃষি শিক্ষার গুরুত্ব ক্রমেই কমে এসেছে। ১৯৯৩ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকার কৃষিকে গুরুত্ব দিয়ে মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যক্রমে কৃষি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করে। যার পেছনে মূল ভাবনা ছিল বাস্তবমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থীদের উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা। কৃষিনির্ভর দেশে কৃষি সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কৃষির গুরুত্ব অনুধাবন করে তৎকালীন সরকার উপলব্ধি করেছিল, শুধু সনদনির্ভর শিক্ষা দিয়ে জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব নয়।

শিক্ষার্থীদের এমন শিক্ষা দিতে হবে যা বাস্তব জীবনে কাজে লাগবে এবং দেশের অর্থনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত হবে। সেই চিন্তা থেকেই মাধ্যমিক পর্যায়ে ১৯৯৩ সালে কৃষি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হয়। পরবর্তী সরকার মাধ্যমিক শিক্ষাক্রমে কৃষি শিক্ষাকে ঐচ্ছিক বিষয় করে। এতে মাধ্যমিক স্তরের অধিকাংশ শিক্ষার্থী কৃষি শিক্ষা পড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির চালিকাশক্তি হচ্ছে কৃষি। ফলে বর্তমান বাস্তবতায় মাধ্যমিক স্তরে কৃষি শিক্ষা পুনরায় বাধ্যতামূলক করা সময়ের দাবি।

বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। কৃষি শুধু খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যম নয়, এটি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার অন্যতম ভিত্তি। ধান, গম, সবজি, ফলমূল, মাছ, দুধ ও মাংস উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ অনেক ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে গেছে। এই অর্জনের পেছনে কৃষক, কৃষিবিজ্ঞানী এবং মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মীদের অবদান অসামান্য। কিন্তু নতুন প্রজন্মের মধ্যে কৃষি বিষয়ে আগ্রহ দিন দিন কমে যাচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী কৃষিকে অবমূল্যায়ন করে শুধুমাত্র চাকরিনির্ভর শিক্ষার দিকে ঝুঁকছে। ফলে কৃষি খাতে দক্ষ ও শিক্ষিত জনশক্তির সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

একসময় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কৃষি শিক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি ব্যবহারিক কাজের মাধ্যমে গাছ লাগানো, বীজ সংরক্ষণ, সবজি চাষ, হাঁস-মুরগি পালন, মাছ চাষসহ নানা বিষয়ে হাতে-কলমে শিক্ষা লাভ করত। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মনির্ভরশীলতা, উৎপাদনশীলতা এবং শ্রমের মর্যাদা সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা গড়ে উঠত। বর্তমানে সেই বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা অনেকটাই হারিয়ে গেছে। এখন অধিকাংশ শিক্ষার্থী কেবল পরীক্ষাকেন্দ্রিক পড়াশোনায় সীমাবদ্ধ। ফলে বাস্তব জীবনের সঙ্গে শিক্ষার সংযোগ দুর্বল হয়ে পড়েছে।

মাধ্যমিক স্তরে কৃষি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হলে শিক্ষার্থীরা ছোটবেলা থেকেই কৃষির গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন হবে। তারা বুঝতে শিখবে খাদ্য কোথা থেকে আসে, কীভাবে উৎপাদিত হয় এবং কৃষকের পরিশ্রম কত মূল্যবান। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের নাগরিক, নীতিনির্ধারক ও উদ্যোক্তা। তাদের মধ্যে কৃষি সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তুলতে না পারলে ভবিষ্যতে কৃষি খাত মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।

বর্তমান বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য সংকট এবং পরিবেশ দূষণ বড় ধরনের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। বন্যা, খরা, নদীভাঙন, লবণাক্ততা ও অনিয়মিত আবহাওয়ার কারণে কৃষি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আধুনিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক কৃষি শিক্ষা অত্যন্ত প্রয়োজন। মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই যদি শিক্ষার্থীরা পরিবেশবান্ধব কৃষি, জৈব চাষ, পানি ব্যবস্থাপনা, ছাদকৃষি, নগর কৃষি ও প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন সম্পর্কে ধারণা পায়, তাহলে ভবিষ্যতে তারা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

কৃষি শিক্ষা শুধু কৃষক তৈরির জন্য নয়, বরং একজন সচেতন নাগরিক গঠনের জন্যও প্রয়োজন। একজন শিক্ষার্থী যদি জানে কীভাবে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদিত হয়, কীভাবে বিষমুক্ত সবজি চাষ করা যায় অথবা কীভাবে একটি গাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে, তাহলে সে সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি আরও দায়িত্বশীল হয়ে উঠবে। আজকের প্রজন্ম মোবাইল, ইন্টারনেট ও ভার্চুয়াল জগতের প্রতি অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। তাদেরকে বাস্তব জীবনের উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে কৃষি শিক্ষার বিকল্প নেই।

বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেও অনেক তরুণ চাকরি পাচ্ছে না। অথচ কৃষি খাতে রয়েছে বিশাল সম্ভাবনা। আধুনিক কৃষি, কৃষিভিত্তিক শিল্প, ডেইরি, পোলট্রি, মাছ চাষ, কৃষি প্রযুক্তি এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে অসংখ্য কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। মাধ্যমিক স্তরে কৃষি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হলে শিক্ষার্থীরা ছোটবেলা থেকেই উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা অর্জন করবে। তারা চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেরাই কর্মসংস্থান তৈরি করতে উৎসাহিত হবে।

বর্তমানে শহরমুখী প্রবণতা ভয়াবহভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্রামের মানুষ কৃষিকাজ ছেড়ে শহরে আসছে জীবিকার সন্ধানে। ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ছে। তরুণ সমাজ কৃষিকে লাভজনক বা সম্মানজনক পেশা হিসেবে দেখতে চায় না। এই মানসিকতা পরিবর্তনে শিক্ষাব্যবস্থার বড় ভূমিকা রয়েছে। যদি বিদ্যালয় পর্যায় থেকেই কৃষিকে মর্যাদাপূর্ণ, বিজ্ঞানভিত্তিক ও আধুনিক পেশা হিসেবে উপস্থাপন করা যায়, তাহলে তরুণদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাবে।

মাধ্যমিক স্তরে কৃষি শিক্ষা পুনরায় বাধ্যতামূলক করার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি। বর্তমানে অপুষ্টি, ভেজাল খাদ্য এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস সমাজে উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা যদি বিদ্যালয়েই পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদন, ফলমূল ও সবজির গুণাগুণ সম্পর্কে শিক্ষা লাভ করে, তাহলে তারা নিজেদের পরিবার ও সমাজকে সচেতন করতে পারবে। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমবে এবং একটি সুস্থ প্রজন্ম গড়ে উঠবে।

শুধু পাঠ্যবইভিত্তিক কৃষি শিক্ষা যথেষ্ট নয়। এর সঙ্গে ব্যবহারিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে কৃষি কর্নার, বাগান, সবজি ক্ষেত বা ক্ষুদ্র খামারের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। স্থানীয় কৃষি অফিস ও কৃষিবিদদের সম্পৃক্ত করা যেতে পারে। এতে শিক্ষার্থীরা বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করবে এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহও বাড়বে।

বর্তমানে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোও কৃষি শিক্ষাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। জাপান, চীন, ভারতসহ অনেক দেশে স্কুল পর্যায়ে কৃষিভিত্তিক শিক্ষা চালু রয়েছে। তারা বুঝতে পেরেছে, খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নের জন্য কৃষির বিকল্প নেই। বাংলাদেশেও একইভাবে কৃষিকে জাতীয় উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে হবে। আর সেই লক্ষ্য অর্জনের অন্যতম উপায় হলো মাধ্যমিক স্তরে কৃষি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা।

অনেক অভিভাবক মনে করেন কৃষি শিক্ষা শুধু গ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজন। এটি একটি ভুল ধারণা। শহরের শিক্ষার্থীদেরও কৃষি সম্পর্কে জানা জরুরি। কারণ খাদ্য উৎপাদন, পরিবেশ রক্ষা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের সঙ্গে কৃষি সরাসরি সম্পর্কিত। বর্তমানে ছাদকৃষি, হাইড্রোপনিক চাষ, নগর কৃষি ইত্যাদি শহুরে জীবনে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তাই কৃষি শিক্ষা এখন আর শুধুমাত্র গ্রামের বিষয় নয়, এটি জাতীয় জীবনের অপরিহার্য অংশ।

শিক্ষানীতিতে বাস্তবমুখী শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন খুব কম দেখা যায়। শিক্ষার্থীরা সনদ অর্জন করলেও বাস্তব দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না। কৃষি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হলে শিক্ষা আরও জীবনঘনিষ্ঠ ও বাস্তবভিত্তিক হবে। এতে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী ক্ষমতা এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়বে।

কৃষিকে অবহেলা করে কোনো দেশ দীর্ঘমেয়াদে উন্নত হতে পারে না। শিল্প ও প্রযুক্তির উন্নয়ন প্রয়োজন, তবে খাদ্য উৎপাদনের ভিত্তি দুর্বল হলে জাতীয় নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়ে। করোনা মহামারির সময় বিশ্ব দেখেছে, সংকটকালে কৃষিই মানুষের সবচেয়ে বড় ভরসা। যখন বহু খাত স্থবির হয়ে পড়েছিল, তখন কৃষি খাত দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এই বাস্তবতা আমাদের নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে যে কৃষি শুধু একটি পেশা নয়, এটি জাতীয় অস্তিত্বের প্রশ্ন।

সরকারের উচিত দ্রুত শিক্ষাবিদ, কৃষিবিদ, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে মাধ্যমিক স্তরে কৃষি শিক্ষা পুনরায় বাধ্যতামূলক করা। পাঠ্যক্রম আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর কৃষি, জলবায়ু সহনশীল চাষাবাদ, কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে প্রশিক্ষিত শিক্ষক নিয়োগ ও পর্যাপ্ত শিক্ষা উপকরণ নিশ্চিত করতে হবে।

জাতির ভবিষ্যৎ গঠনে শিক্ষার ভূমিকা অপরিসীম। সেই শিক্ষা যদি বাস্তবজীবন, উৎপাদন ও মানবকল্যাণের সঙ্গে সম্পর্কহীন হয়ে পড়ে, তাহলে তা জাতির জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে না। কৃষি শিক্ষা এমন একটি বিষয় যা শিক্ষার্থীদের শুধু জ্ঞানই দেয় না, বরং দায়িত্ববোধ, কর্মদক্ষতা, আত্মনির্ভরশীলতা এবং প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি করে।

৯ মে (শনিবার) এক অনুষ্ঠানে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষা খাতের উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করতে হবে। বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। শিক্ষার মান উন্নত করতে হলে শিক্ষকদের মানোন্নয়ন জরুরি। তিনি আরও বলেন, শিক্ষাক্রম পরিবর্তন করা হবে। শিক্ষাক্রমে কারিগরি ও উৎপাদমুখী শিক্ষা কৃষিকে গুরুত্ব দেয়া হবে।

দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্যে কৃষি ও কৃষিশিক্ষার ওপর অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। দেশের সার্বিক উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং দক্ষ মানবসম্পদ গঠনের স্বার্থে মাধ্যমিক স্তরে কৃষি শিক্ষা পুনরায় বাধ্যতামূলক করা এখন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাস্তবমুখী, সচেতন ও উৎপাদনশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে কৃষি শিক্ষার বিকল্প নেই। রাষ্ট্র, সমাজ এবং শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল মহলকে এ বিষয়ে এখনই কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

লেখক পরিচিতি:
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
(শিক্ষক, কবি, কলাম লেখক, সমাজসেবক ও সংগঠক)
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি (কৃষি) কেন্দ্রীয় কমিটি
যুগ্মমহাসচিব, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কেন্দ্রীয় কমিটি
৭০ কাকরাইল, ঢাকা।

ShareTweetPin

সর্বশেষ সংবাদ

  • চলমান শিক্ষক আন্দোলনের মাঝে পদত্যাগ করলেন ববি প্রক্টর ড. রাহাত হোসাইন
  • কুমিল্লায় মাদক সেবনের দায়ে ৩ যুবককে কারাদণ্ড
  • উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, কাল থেকে শাটডাউনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
  • ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সিন্ডিকেট থেকে অব্যাহতির আবেদন ববি শিক্ষকের 
  • পদ্মা সেতু এলাকায় বৃক্ষরোপণ ও জাদুঘর উদ্বোধন

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুর ইসলাম (রাশেদ মানিক)
নির্বাহী সম্পাদক: মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ

বাংলা এফ এম , বাসা-১৬৪/১, রাস্তা-৩, মোহাম্মদিয়া হাউজিং লিমিটেড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ

ফোন:  +৮৮ ০১৯১৩-৪০৯৬১৬
ইমেইল: banglafm@bangla.fm

  • Disclaimer
  • Privacy
  • Advertisement
  • Contact us

© ২০২৬ বাংলা এফ এম

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • প্রবাস
  • ভিডিও
  • কলাম
  • অর্থনীতি
  • লাইফস্টাইল
  • ক্যাম্পাস
  • আইন ও আদালত
  • চাকুরি
  • অপরাধ
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • ফটোগ্যালারি
  • ফিচার
  • মতামত
  • শিল্প-সাহিত্য
  • সম্পাদকীয়

© ২০২৬ বাংলা এফ এম