গাজীপুরের শ্রীপুরে স্ত্রী, তিন কন্যাসন্তান ও শ্যালককে হত্যার পর ঘটনাস্থলে টাইপ করা অভিযোগপত্র রেখে পালিয়ে গেছেন ট্রাকচালক ফোরকান মিয়া। অভিযোগপত্রগুলো পাঁচটি মরদেহের ওপর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ, যা একই বক্তব্যের পৃথক কপি হিসেবে প্রিন্ট করা ছিল।
পুলিশ জানায়, কাগজগুলো গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসিকে উদ্দেশ্য করে লেখা। তবে এগুলো সত্যিই থানায় জমা দেওয়া হয়েছিল কি না, নাকি ঘটনাস্থলে রেখে যাওয়া পরিকল্পিত নথি—তা যাচাই করা হচ্ছে।
অভিযোগপত্রে স্ত্রী শারমিন খানমের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাত ও পরকীয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়, ফোরকানের উপার্জিত অর্থ দিয়ে শারমিন বাবার বাড়িতে জমি কিনেছেন এবং খালাতো ভাইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এসব বিষয়কে কেন্দ্র করেই দাম্পত্য সম্পর্কের অবনতি ঘটে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ৫ মে ফোরকানকে মারধরের ঘটনাও অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে, যেখানে শারমিন ও তার কথিত প্রেমিকের সম্পৃক্ততার কথা বলা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার রাতে কাপাসিয়ার রাউৎকোনা গ্রামে ভাড়া বাসায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন শারমিন খানম (৪০), তাদের তিন কন্যা সন্তান মিম (১৬), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল (২২)।
ঘটনার পর ফোরকান ফোনে স্বীকারোক্তি দিয়ে পালিয়ে যান বলে জানিয়েছে পুলিশ। বিষয়টি ঘিরে তদন্ত চলছে।

