এম. শাহীন আল আমীন, জামালপুর জেলা প্রতিনিধি :
সরেজমিনে দেখা যায়, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার খোলাবাড়ি, চরমাগুড়ি হাট, খানপাড়া, চিকাজানি, চরডাকাতিয়া পাড়া ও মাঝিপাড়া গ্রামে যমুনা ও ব্রম্মপুত্র নদের ভাঙ্গনে অসংখ্য ঘর বাড়ি, শত শত হেক্টর আবাদী জমি, হাটবাজার, সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সড়ক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়ন,সাধুরপাড়া ইউনিয়ন ও নীলাক্ষিয়া ইউনিয়নের কমপক্ষে ২০টি গ্রামের সিংহভাগ গ্রাস করেছে ব্রম্মপুত্র ও দশানী নদী।
দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চিকাজানি ইউনিয়নের খোলাবাড়ী গ্রামের শুক্কর আলী বলেন, ৬৫ বছর বয়সে যমুনা নদীর ভাঙ্গনের কারণে নিজ বসতবাড়ী ৮ বার ভেঙ্গে স্থানান্তর করেছেন। এখন ভূমিহীন। শুক্কর আলী বলেন, দ্রুত নদী ভাঙ্গন টেকসই প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহন না করলে শত শত মানুষের বসত বাড়ী, আবাদী জমি নদী গ্রাস করে নিবে। ভাঙ্গন প্রতিরোধে টেকসই বাধ জরুরী।
বকশীগঞ্জের কলকীহারা গ্রামের মফিজল হক বলেন, করালগ্রাসী ব্রম্মপুত্র ও দশানী নদীর ভাঙ্গনে মেরুরচরসহ ৪টি ইউনিয়নের কমপক্ষে ২০টি গ্রাম তছনছ হয়েছে। পাল্টে গেছে মানচিত্র। নদী পারের মানুষের মাঝে আতংক বিরাজ করছে।

স্থানীয়দের একটাই দাবি দুই উপজেলার মানচিত্রকে রক্ষা করতে ভাঙ্গন প্রতিরোধে বাধঁ চাই।
দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী অফিসার শাহ জহুরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জাম মিল্লাত এমপির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় কিছু দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হযেছে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন বলেন, স্থানীয় এমপি বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের নির্দেশনায় নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তালিকা দেওয়া হয়েছে। বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া চলমান।


