জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস বুধবার ২২ এপ্রিল দেশের প্রথম স্বতন্ত্র সামরিক কৌশলসহ একগুচ্ছ দলিল প্রকাশ করেছেন। এতে বুন্দেসভেয়ার (জার্মান সেনাবাহিনী)-কে ২০৩৯ সালের মধ্যে ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রচলিত (কনভেনশনাল) সামরিক শক্তি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিকল্পনাটি তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত। প্রথম পর্যায়ে (২০২৯ সাল পর্যন্ত) দ্রুত সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিতীয় পর্যায়ে (২০৩৫ সাল পর্যন্ত) সামগ্রিক সামরিক সক্ষমতা সম্প্রসারণ এবং তৃতীয় পর্যায়ে (২০৩৯ সালের দিকে) প্রযুক্তি-নির্ভর আধুনিকায়নের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা হবে।
বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজার সক্রিয় সেনা থেকে সংখ্যা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬০ হাজারে উন্নীত করা হবে এবং রিজার্ভ ফোর্স ২ লাখে পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে, যাতে মোট শক্তি দাঁড়াবে প্রায় ৪ লাখ ৬০ হাজার। রাশিয়াকে প্রধান হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করে এই কৌশলে এআই, উন্নত এয়ার ডিফেন্স, ড্রোন ও হাইপারসনিক প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
জার্মানি এর মাধ্যমে ন্যাটোর মধ্যে বৃহত্তর দায়িত্ব নিতে চায় এবং ইউরোপীয় প্রতিরক্ষায় নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে। এই পরিকল্পনা ইউক্রেন যুদ্ধের পর ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা হচ্ছে।

