সাকলাইন যোবায়ের, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
ইউসুফ মোল্লা টিপু কুমিল্লা সিটি করপোরেশন কুসিক প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে কুমিল্লা নগরবাসীর মনজয় করে প্রসংশায় ভাসছেন।
মাত্র ৩৭ দিনে তিনি কুমিল্লা নগরবাসীর অন্যতম প্রধান সমস্যা যানজট ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা,ড্রেন পরিস্কার, খাল খনন,সিটি করপোরেশনের ভেতরে ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রনসহ তিনি বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করেছেন। যার দরুন কুমিল্লা নগরবাসীর অনেকে তাকে ফাটাকেস্ট বলে আখ্যায়িত করেন। ইউসুফ মোল্লা টিপু দায়িত্ব গ্রহনের পর ২৮ দিনের মাথায় নগরবাসীদের জানানোর উদ্দেশ্যে কুসিকের ৩ মাসের আয়-ব্যায়ের হিসাব সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন।
এছাড়াও তিনি জানান প্রতি তিন মাসে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের আয় ও ব্যায়ের হিসাব নগরবাসীর কাছে তুলে ধরবেন। কুসিক প্রশাসক আরও বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিযুক্ত করেছেন যতদিন আমি এ চেয়ারে থাকব ততোদিন কোন প্রকার দূর্নীতি হবেনা সিটি করপোরেশনে আমি আপনাদেরকে এ ব্যাপারে আশ্বস্ত করতে চাই।
কাটাবিল মুন্সিবাড়ীর মাজার শরীফ সংলগ্ন বাসিন্দা মোর্শেদা পেয়ারী সিন্ধা জানান, আমরা জানি সিটি করপোরেশনের বর্তমান প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু একজন মানবিক ভাল মানুষ। করোনাকালীন সময়ে শুধু কুমিল্লা নয় সারা বাংলাদেশোর মানুষ ওনার মানবিকতার যে দৃষ্টান্ত দেখেছে তা মনে রাখবে। কোভিট ১৯ সময়ে বিবেক নামক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সৃষ্টি করে ৪৬০ জনের মরদোহ সৎকার করেছেন। করোনায় আক্রান্তদের অক্সিজেন সিলিন্ডার মানুষের বাড়ীতে বাড়ীতে পৌছে দেয়াসহ নানাধরণের মানবিক কাজ করেছেন। এখন তিনি নিজে রাস্তায় দাড়িয়ে থেকে ড্রেন,খাল পরিস্কার, ফুটপাত দখলমুক্তসহ বিভিন্ন কাজ করে নগরবাসীর মন জয় করেছেন।
কুমিল্লা ডায়াবেটিস হাসপাতালের ইনডোর ইনচার্জ আহমেদ জোরফান বেলাল জানান, নগরবাসী চায় তাদের দেয়া ট্যাস্কের টাকার যতাযথ সেবা যেন তারা পায়। সেদিক থেকে বর্তমান সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু নগরের মানুষের উন্নয়নের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
সুশাসনের জন্য নাগরিক কমিটি সুজনের সভাপতি আলহাজ্ব শাহ্ মোহাম্মদ আলমগীর খান বলেন,
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু কুমিল্লার বিষফোঁড়া বলে খ্যাত ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক ও মিশুক একটি নির্দিষ্ট সংখ্যায় নিয়ে এসে ও ফুটপাত দখলমুক্ত করে নগরবাসীকে যানজট থেকে শ্বস্তি দিয়েছেন। তাছাড়াও তিনি খাল পূনখনন করে ও ড্রেন পরিস্কার নিজে রাস্তায় দাড়িয়ে তদারকি করায় এতে করে কাজের গতি বেড়েছে।

