বেসরকারি স্কুল, কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য নতুন করে আবেদন গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী বাজেট বরাদ্দের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি জাতীয় সংসদে শিক্ষা ও প্রাথমিক এবং গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পূর্বে জমা দেওয়া আবেদনগুলোর পাশাপাশি নতুন আবেদনও গ্রহণ করা হবে। পরবর্তীতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দের ওপর ভিত্তি করে পুরোনো ও নতুন সব আবেদন পুনরায় যাচাই করে এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে গত ১৪ জানুয়ারি থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হলে মোট ৩ হাজার ৬১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করে। তবে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া ও তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম ও বিতর্ক ওঠায় পুরো প্রক্রিয়া পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
এমপিওভুক্তি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভবিষ্যতে সব আবেদন নতুন করে পর্যালোচনা করা হবে এবং যোগ্যতা যাচাইয়ের পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।
বর্তমানে দেশে প্রায় ২২ হাজারের বেশি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকারি অংশের বেতন-ভাতা পেয়ে থাকেন। শিক্ষা খাতে মানোন্নয়ন ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এমপিও কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

