মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবার ভ্রমণপিয়াসীদের জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে। সৃষ্ট যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে অনেক ফ্লাইট বাতিল হতে শুরু করে। বাংলাদেশ বিমানের পক্ষ থেকে মোট ১৯টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এই ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ছিল দুবাই, আবুধাবি, সারদা, দোহা, কুয়েত এবং দাম্মামের রুট।
সোমবার, ২ মার্চ, সকাল ৯টা। বিমান বিজি ৪৪৯ দাম্মাম রুটের ফ্লাইটে ২৭১ জন যাত্রী বসে ছিলেন, দরজা বন্ধ হয়ে, ট্যাক্সির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। সকলের মনে একটাই আশা—দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যের যাত্রা। কিন্তু আকাশপথের নিয়মও এদের আশা ভেঙে দেয়। ঢাকার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল সৌদি আরবের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল থেকে ফ্লাইটে উড়ে যাওয়ার অনুমতি না পাওয়ায়, বিমান শেষ মুহূর্তে যাত্রা বাতিল করে।
এমন পরিস্থিতিতে, ২৭১ জন যাত্রীর মধ্যে ৫০ জন বিকল্প ফ্লাইটে যাত্রা করে—দুপুর একটায় তারা রিয়াদে পৌঁছে যান। বাকি যাত্রীরা একদম ভিন্ন পথে ফিরে যান। তারা ইমিগ্রেশন থেকে ডিপারচার সিল বাতিল করিয়ে বাড়ি ফিরে যান। কিন্তু বিমান তাদের কোন হোটেল সুবিধা দেয়নি, ফলে অনেকেই রাতের অন্ধকারে নিজের নিজের বাড়ির পথ খুঁজে নেন।
এই ঘটনাটি প্রমাণ করল, কখনও কখনও বিমানের পরিকল্পনা, যাত্রীদের আশা এবং বাস্তবতা একসাথে চলতে পারে না। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি শুধু ফ্লাইট বাতিল নয়, যাত্রীদের জন্য অপ্রত্যাশিত সমস্যা এবং অসুবিধা সৃষ্টি করেছে।

