২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যাত্রাবাড়ী এলাকায় আসাদুল হক বাবু নামের এক যুবককে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি এবং তাঁর বাবা নাসির উদ্দিন সাথীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর আগে এই মামলায় তৌহিদ আফ্রিদিকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছিলেন আদালত।
আদালতের নথি ও এজাহার থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী: ৫ আগস্ট ২০২৪, যাত্রাবাড়ী এলাকা। নিহত: আসাদুল হক বাবু। ৫ আগস্ট দুপুর আড়াইটার দিকে আন্দোলনের চলাকালীন সময়ে আসাদুল হক বাবু আসামিদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২০২৪ সালের ৩০ আগস্ট নিহতের বাবা জয়নাল আবেদীন যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ২৫ জনকে এই মামলায় আসামী করা হয়। তৌহিদ আফ্রিদি মামলার এজাহারে তাঁকে ১১ নম্বর আসামী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তৌহিদ আফ্রিদির বাবা নাসির উদ্দিন সাথীকে এজাহারের ২২ নম্বর আসামী করা হয়েছে।
বিগত বছরের ২৫ আগস্ট ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালত তৌহিদ আফ্রিদির ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। রিমান্ডে মূলত এই হত্যাকাণ্ডের সাথে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা বা উস্কানি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
একই আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টার মামলায় ইউটিউবার আরএস ফাহিমকেও গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। অন্যদিকে, ঢাকার রাস্তায় এক কোরিয়ান ভ্লগারকে বর্ণবাদী মন্তব্যের (চিং চ্যাং) মাধ্যমে হয়রানির ঘটনাটিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

