দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহে কোনো বড় সংকট নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে বাজারে হঠাৎ জ্বালানি কেনার প্রবণতা বা ‘প্যানিক বায়িং’ বাড়ায় কিছু সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে কথা বলেন।
উপদেষ্টা জানান, ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে ১ লাখ ২২ হাজার ৬৩৩ মেট্রিক টন ডিজেল মজুত আছে। তিনি বলেন:
তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নতুন জাহাজ বন্দরে আসছে।
মূলত ‘চাহিদা ভীতি’ অথবা অতি মুনাফার আশায় কেউ কেউ বেশি দামে তেল বিক্রি করছে, যা কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।
বৈশ্বিক সংকটের কথা মাথায় রেখে জ্বালানির দাম বাড়লেও জনদুর্ভোগ কমাতে ভাড়া ও পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে সমন্বয়ের চেষ্টা করছে সরকার।
বিগত দুই মাসে সরকার ব্যাংক থেকে ৭৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “সরকার ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে তার প্রভাব জনগণের ওপর পড়া স্বাভাবিক। তবে পরিস্থিতি এখনো ‘রেড জোন’ বা আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছায়নি। জনকল্যাণমূলক কাজের জন্যই এই ঋণ নেওয়া হয়েছে।”
শহরের ফুটপাত হকারমুক্ত করতে সরকারের নতুন পরিকল্পনার কথা জানান ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, নগরীর ৮টি নির্দিষ্ট স্থানে নৈশবাজার স্থাপনের চিন্তা করছে সরকার, যাতে হকাররা তাদের ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারে এবং পথচারীদের চলাচলেও বিঘ্ন না ঘটে।
আগামী বছর থেকে পহেলা বৈশাখ কেবল বাংলাদেশে নয়, বরং আঞ্চলিকভাবে উদযাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। মিয়ানমার, কম্বোডিয়া ও ভারতের দক্ষিণাংশের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি বৃহত্তর উৎসব আয়োজনের লক্ষ্য রয়েছে। উপদেষ্টা জানান, প্রধানমন্ত্রী পুরো বৈশাখ মাস জুড়েই নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নববর্ষ উদযাপনের পরিকল্পনা নিয়েছেন।

