শেখ হাসিনা রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ভাবনা থেকে সরে আসার ঘোষণা, জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার
ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ভারতে অবস্থানকালে রাজনীতি থেকে অবসরের বিষয়ে এক সময় ভাবলেও এখন সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দায়িত্ব থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত আর বাস্তবসম্মত নয়।
মঙ্গলবার (৯ জুন) নয়াদিল্লি থেকে একটি ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা ও রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি সব সময় জনগণের পাশে থাকার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তার ভাষায়, সংকটের সময় জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে থাকা তার দায়িত্ব।
তিনি দাবি করেন, দেশে গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয় এবং আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে। পাশাপাশি নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন চলছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, এমন পরিস্থিতিতে কেবল বিশ্রামে চলে যাওয়া সম্ভব নয়, বরং জনগণের স্বার্থ ও রাজনৈতিক দায়িত্ব বিবেচনায় সক্রিয় থাকা জরুরি।
আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা জানান, এটি কোনো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়; বরং দলের কাউন্সিল ও কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতেই নেতৃত্ব নির্ধারিত হবে। তিনি তরুণ নেতৃত্বকে সামনে আনার বিষয়েও গুরুত্ব দেন।
তিনি আরও বলেন, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে দলকে পুনর্গঠন এবং নতুন প্রজন্মকে নেতৃত্বে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। পরিস্থিতি অনুকূলে এলে তিনি দেশে ফিরে আসার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন।

