ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ফলাফল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হয়নি। তবে এরই মধ্যে পর্দার আড়ালে রাজনৈতিক সমঝোতা ও চাপ প্রয়োগের আলোচনা নিয়ে গুঞ্জন উঠেছে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত সূত্রগুলোর দাবি, সরকারের এক তরুণ উপদেষ্টা রাতভর বিভিন্ন দলের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তিনি বিএনপিকে প্রস্তাব দিয়েছেন—আগামী জাতীয় নির্বাচনে নির্দিষ্ট আসনে ছাড় দিলে ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদ তাদের প্রার্থীর জন্য নিশ্চিত করা হতে পারে। একই সঙ্গে জামায়াতপন্থি ছাত্র সংগঠনকে বলা হচ্ছে, কেবল ভোটের জোরে ছাত্রশিবির ডাকসু চালাতে পারবে না; তাই জিএস পদ ছাত্রদলের জন্য ছাড়তে হবে।
এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক পিনাকি ভট্টাচার্য মন্তব্য করেন, “ভোটের পবিত্রতার কথা বেমালুম ভুলে গিয়ে এখন অনৈতিক সমঝোতার আলোচনা চলছে। যে সরকার সুষ্ঠুভাবে ডাকসু নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করতে পারে না, তারা কীভাবে ৩০০ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করবে?”
উপদেষ্টার যুক্তি হিসেবে বলা হচ্ছে—সমঝোতা না হলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী গড়ে ওঠা রাজনৈতিক ঐক্য ভেঙে যাবে। এতে ছাত্রদল বাম ও প্রগতিশীল দলগুলোর সঙ্গে নতুন জোট গড়তে পারে। পাশাপাশি এনসিপি (ন্যাশনাল কনসালটেটিভ পার্টি) ভিন্ন অবস্থান নিতে উৎসাহিত হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি শুধু ডাকসু নির্বাচন নয়, আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে।

