জামিউল ইসলাম তুরান, শান্তিগঞ্জ প্রতিনিধি :
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য হাজী সিরাজ মিয়া তার ছেলে ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলাকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।
মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের শত্রুমর্দন গ্রামে নিজ বাড়িতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।
লিখিত বক্তব্যে হাজী সিরাজ মিয়া বলেন, সুনামগঞ্জ পৌর এলাকার ষোলঘর বিলপাড়ের বাসিন্দা ফারুক আহমদের মেয়ে মোছা. আয়েশা আক্তার (তমা) তার ছেলে ফ্রান্স প্রবাসী মো. আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে এবং শ্বশুর-শাশুড়িসহ পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন, যা পরে আদালতের নির্দেশে এফআইআর হিসেবে রুজু হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, মামলার সব অভিযোগই বাস্তবতা বিবর্জিত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার দাবি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩ অক্টোবর পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। পরে তার ছেলে প্রবাসে চলে গেলে পুত্রবধূ বাবার বাড়ি চলে যান এবং সেখানে অবস্থান করতে চান।
হাজী সিরাজ মিয়া আরও দাবি করেন, ওই সময় পুত্রবধূ বাসা থেকে ২টি আইফোন, ৪ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ ৪ লাখ টাকা নিয়ে যান। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিশ হলেও সমাধান হয়নি বলেও তিনি জানান।
তিনি বলেন, পরে তিনি নিজেই ১৭ ফেব্রুয়ারি একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করেন, যার তদন্ত প্রতিবেদন ইতোমধ্যে আদালতে দাখিল করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, মামলার অভিযোগ ও লিগ্যাল নোটিশে বিয়ের বিষয় ও দেনমোহর সংক্রান্ত তথ্যের মধ্যে অসংগতি রয়েছে।
এ ঘটনায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানান তিনি।
এ বিষয়ে মেয়ের বাবা ফারুক আহমদ বলেন, সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত সব বক্তব্য মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি দাবি করেন, তার দায়ের করা মামলার যথাযথ প্রমাণ তার কাছে রয়েছে।

