সত্যজিৎ দাস:
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সংঘটিত আলোচিত গণধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে শ্রীমঙ্গল উপজেলার পূর্বাশা বুরবুড়িয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামি হলেন আরমান মিয়া (২৪)। তিনি শ্রীমঙ্গল উপজেলার মুসলিমবাগ এলাকার সেলিম মিয়ার ছেলে।
র্যাব-৯ সূত্র জানায়,গত ১১ মে সকালে ভিকটিম ও তার খালাতো বোন শ্রীমঙ্গলের চৌমুহনা এলাকায় যান। সেখানে এক পরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করার পর তাদের ভানুগাছ রোডের বধ্যভূমি এলাকায় অপেক্ষা করতে বলা হয়। পরে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে তাদের মণিপুরিপাড়া এলাকার একটি চা দোকানে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই কয়েকজন যুবক অবস্থান করছিলেন।
একপর্যায়ে ভিকটিমের খালাতো বোনকে তার বন্ধুর সঙ্গে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। পরে ভিকটিম,তার খালাতো বোন ও ওই যুবক অটোরিকশায় করে স্থান ত্যাগের চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা ভিকটিমকে জোর করে নামিয়ে নেয়। এরপর তাকে মোটরসাইকেলে করে একটি চা বাগানের ভেতরের নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার পর ভিকটিম বাদী হয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই আসামিদের গ্রেফতারে র্যাব-৯ গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে।
র্যাব জানায়,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে প্রধান আসামি আরমান মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে বুধবার (১৩ মে) একই মামলার আরও এক আসামিকে আটক করা হয়েছিল।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার জন্য শ্রীমঙ্গল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯-এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

